ঢাকা ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ২২ বছর পর আফকন সেমিফাইনালে মরক্কো, ক্যামেরুনকে হারিয়ে শেষ চারে Logo ইসিতে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ৫২ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা Logo সীমানা সংক্রান্ত আপিল বিভাগের আদেশে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের ভোট স্থগিত Logo বিচ্ছেদের বিষয়টি সত্য বলে স্বীকার করলেন তাহসান Logo তামিমকে নিয়ে ওই মন্তব্য করা ঠিক হয়নি—ইফতেখার মিঠু Logo গুলশানে তারেক রহমানের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের বৈঠক Logo যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক শৃঙ্খলা ভেঙে দিচ্ছে, ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর সমালোচনায় জার্মান প্রেসিডেন্ট Logo বিএনপি সরকার হলে খেলোয়াড়দের জন্য ভাতা ও পেনশন চালুর প্রতিশ্রুতি দিলেন দুলু Logo ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারার মনোনয়ন বৈধতা পেল ইসির আপিলে Logo ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ইসিতে আপিল শুনানি চলছে

ঐক্যের আহ্বান তারেক রহমানের, দেশের শান্তি ও অগ্রগতিকে একমাত্র লক্ষ্য করার তাগিদ

নিজস্ব সংবাদ :

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সময়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি যেসব রাজনৈতিক শক্তি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে—তাদের সবার মধ্যেই এই ঐক্য প্রয়োজন।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে বগুড়ার শহীদ টিটু মিলনায়তনে জুলাই শহীদদের স্মরণে নির্মিত ডিজিটাল স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন গণতান্ত্রিক রাজনীতির অনুসারী। তিনি ভোটের রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন এবং একজন প্রার্থী হিসেবেই রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের পাশাপাশি একাত্তরের শহীদদের প্রতি প্রকৃত সম্মান জানাতে হলে দেশের মানুষের জন্য শান্তি প্রতিষ্ঠা, দেশের কল্যাণে কাজ করা এবং বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়াই হতে হবে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য। তিনি বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য একটাই—দেশ গড়া ও মানুষের জন্য কাজ করা, যেখানে সবার আগে থাকবে বাংলাদেশ।
বিএনপির ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে ফিরিয়ে এনেছিলেন। একইভাবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে স্বৈরাচার পতনের মাধ্যমে দেশকে ধীরে ধীরে উন্নয়নের পথে পরিচালিত করেন। তারেক রহমান বলেন, বর্তমানে আবারও সেই দায়িত্ব নেওয়ার সুযোগ এসেছে।
তিনি বলেন, দেশের প্রায় ২০ কোটি মানুষের জন্য কার্যকর চিকিৎসাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা জরুরি। নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, নারীরা পিছিয়ে থাকলে দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়। পাশাপাশি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভালো নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশকে সংকট থেকে উত্তরণে কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই।
ইন্টারনেট সুবিধা সহজলভ্য করার অঙ্গীকার করে তারেক রহমান বলেন, আগামী নির্বাচনে জনগণের সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে ইন্টারনেট সেবা আরও সহজ ও জনগণের নাগালে আনা হবে, বিশেষ করে তরুণদের জন্য। উদাহরণ হিসেবে তিনি আজিজুল হক কলেজে দেওয়া ফ্রি ইন্টারনেট সংযোগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে এবং সময় শেষ হলে পুনরায় লগইন করে আবারও বিনা খরচে সংযোগ নিতে পারবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:৩৩:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
৪২ বার পড়া হয়েছে

ঐক্যের আহ্বান তারেক রহমানের, দেশের শান্তি ও অগ্রগতিকে একমাত্র লক্ষ্য করার তাগিদ

আপডেট সময় ০৯:৩৩:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সময়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি যেসব রাজনৈতিক শক্তি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে—তাদের সবার মধ্যেই এই ঐক্য প্রয়োজন।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে বগুড়ার শহীদ টিটু মিলনায়তনে জুলাই শহীদদের স্মরণে নির্মিত ডিজিটাল স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, শহীদ ওসমান হাদি ছিলেন গণতান্ত্রিক রাজনীতির অনুসারী। তিনি ভোটের রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন এবং একজন প্রার্থী হিসেবেই রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের পাশাপাশি একাত্তরের শহীদদের প্রতি প্রকৃত সম্মান জানাতে হলে দেশের মানুষের জন্য শান্তি প্রতিষ্ঠা, দেশের কল্যাণে কাজ করা এবং বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়াই হতে হবে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য। তিনি বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য একটাই—দেশ গড়া ও মানুষের জন্য কাজ করা, যেখানে সবার আগে থাকবে বাংলাদেশ।
বিএনপির ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে ফিরিয়ে এনেছিলেন। একইভাবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে স্বৈরাচার পতনের মাধ্যমে দেশকে ধীরে ধীরে উন্নয়নের পথে পরিচালিত করেন। তারেক রহমান বলেন, বর্তমানে আবারও সেই দায়িত্ব নেওয়ার সুযোগ এসেছে।
তিনি বলেন, দেশের প্রায় ২০ কোটি মানুষের জন্য কার্যকর চিকিৎসাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা জরুরি। নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, নারীরা পিছিয়ে থাকলে দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়। পাশাপাশি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভালো নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশকে সংকট থেকে উত্তরণে কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই।
ইন্টারনেট সুবিধা সহজলভ্য করার অঙ্গীকার করে তারেক রহমান বলেন, আগামী নির্বাচনে জনগণের সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে ইন্টারনেট সেবা আরও সহজ ও জনগণের নাগালে আনা হবে, বিশেষ করে তরুণদের জন্য। উদাহরণ হিসেবে তিনি আজিজুল হক কলেজে দেওয়া ফ্রি ইন্টারনেট সংযোগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে এবং সময় শেষ হলে পুনরায় লগইন করে আবারও বিনা খরচে সংযোগ নিতে পারবে।