ঢাকা ০৫:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo মোস্তাফিজের হাঁটুর চোট নিয়ে আপডেট Logo হামলার ঠিক আগে কক্ষ ছাড়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পান মোজতবা খামেনি Logo ঈদে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানি Logo জনকল্যাণে কাজ করে দৃষ্টান্ত গড়বে বিরোধীদল: জামায়াত আমির Logo আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের Logo ট্রাম্প চাইলে পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন : ইরানের কড়া বার্তা Logo আগামী বছর থেকে স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি আর থাকবে না Logo বাংলাদেশ-ভারতের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা Logo হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প

কক্সবাজারে প্রাথমিকে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক পদ পুনর্বহালের দাবিতে কক্সবাজারে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় কক্সবাজার পৌরসভা চত্বরে ‘কক্সবাজারের বিক্ষুব্ধ শিল্পীবৃন্দ’-এর উদ্যোগে জেলার শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও শিক্ষানুরাগীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রাথমিক স্তর থেকে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বাদ দেওয়া হলে শিশুদের সৃজনশীল ও মানসিক বিকাশ ব্যাহত হবে। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত কেবল শিক্ষার মানকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে না, বরং সমাজের মানবিক মূল্যবোধেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

জেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক সৌরভ দেব বলেন, “সুরের সঙ্গে থাকা মানুষ অপরাধে জড়ায় না; তারা হয় মানবিক। তাই মানবিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে হলে শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সংগীত, চারুকলা ও নৃত্যের মতো সৃজনশীল শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করা জরুরি।”

জেলা খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক এম জসিমউদ্দীন বলেন, “সভ্যতা টিকে থাকে শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ভিত্তির ওপর। প্রাথমিক পর্যায় থেকে সংগীত বাদ দিলে সেই ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়বে।”

উদীচীর কোষাধ্যক্ষ তর্পনা দে মন্তব্য করেন, “বিজ্ঞান যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সংগীত ও শারীরিক শিক্ষাও সমানভাবে প্রয়োজনীয়। এগুলো বাদ দিলে শিশুদের সংবেদনশীলতা ও সৃজনশীলতা নষ্ট হবে।”

সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি খোরশেদ আলম বলেন, “শিশুদের মানবিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে হলে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক পদ দ্রুত পুনর্বহাল করতে হবে, নইলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত করা হবে।”

কর্মসূচির সঞ্চালনা করেন সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক মনির মোবারক। এতে কেন্দ্রীয় যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম, জেলা খেলাঘরের সভাপতি সুবিমল পাল পান্না, ছাত্র ইউনিয়নের সংগঠক মো. আরিফসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:১৫:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
১৭৮ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারে প্রাথমিকে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় ১০:১৫:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক পদ পুনর্বহালের দাবিতে কক্সবাজারে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় কক্সবাজার পৌরসভা চত্বরে ‘কক্সবাজারের বিক্ষুব্ধ শিল্পীবৃন্দ’-এর উদ্যোগে জেলার শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও শিক্ষানুরাগীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রাথমিক স্তর থেকে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বাদ দেওয়া হলে শিশুদের সৃজনশীল ও মানসিক বিকাশ ব্যাহত হবে। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্ত কেবল শিক্ষার মানকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে না, বরং সমাজের মানবিক মূল্যবোধেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

জেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক সৌরভ দেব বলেন, “সুরের সঙ্গে থাকা মানুষ অপরাধে জড়ায় না; তারা হয় মানবিক। তাই মানবিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে হলে শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সংগীত, চারুকলা ও নৃত্যের মতো সৃজনশীল শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করা জরুরি।”

জেলা খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক এম জসিমউদ্দীন বলেন, “সভ্যতা টিকে থাকে শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ভিত্তির ওপর। প্রাথমিক পর্যায় থেকে সংগীত বাদ দিলে সেই ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়বে।”

উদীচীর কোষাধ্যক্ষ তর্পনা দে মন্তব্য করেন, “বিজ্ঞান যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সংগীত ও শারীরিক শিক্ষাও সমানভাবে প্রয়োজনীয়। এগুলো বাদ দিলে শিশুদের সংবেদনশীলতা ও সৃজনশীলতা নষ্ট হবে।”

সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি খোরশেদ আলম বলেন, “শিশুদের মানবিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে হলে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক পদ দ্রুত পুনর্বহাল করতে হবে, নইলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত করা হবে।”

কর্মসূচির সঞ্চালনা করেন সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক মনির মোবারক। এতে কেন্দ্রীয় যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম, জেলা খেলাঘরের সভাপতি সুবিমল পাল পান্না, ছাত্র ইউনিয়নের সংগঠক মো. আরিফসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।