ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ২২ বছর পর আফকন সেমিফাইনালে মরক্কো, ক্যামেরুনকে হারিয়ে শেষ চারে Logo ইসিতে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ৫২ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা Logo সীমানা সংক্রান্ত আপিল বিভাগের আদেশে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের ভোট স্থগিত Logo বিচ্ছেদের বিষয়টি সত্য বলে স্বীকার করলেন তাহসান Logo তামিমকে নিয়ে ওই মন্তব্য করা ঠিক হয়নি—ইফতেখার মিঠু Logo গুলশানে তারেক রহমানের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের বৈঠক Logo যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক শৃঙ্খলা ভেঙে দিচ্ছে, ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর সমালোচনায় জার্মান প্রেসিডেন্ট Logo বিএনপি সরকার হলে খেলোয়াড়দের জন্য ভাতা ও পেনশন চালুর প্রতিশ্রুতি দিলেন দুলু Logo ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারার মনোনয়ন বৈধতা পেল ইসির আপিলে Logo ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ইসিতে আপিল শুনানি চলছে

কীভাবে আ.লীগ রাজনীতিতে ফিরতে পারবে, জানালেন প্রেস সচিব

নিজস্ব সংবাদ :

ছবি সংগৃহীত

কীভাবে আ.লীগ রাজনীতিতে ফিরতে পারবে, জানালেন প্রেস সচিব।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার এবং খুন, তাণ্ডব ও গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার না করা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফিরতে পারবে না।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া পোস্টে এ বার্তা দেন তিনি।

 

দীর্ঘ এক ফেসবুক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, ‘সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যেসব বিদেশি কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে তাদের মধ্যে খুব কম ব্যক্তিই রাজনৈতিক সমঝোতার আহ্বান জানিয়েছেন। তারাও বুঝতে পেরেছেন যে, অপরাধীরা যদি তাদের অপরাধের দায় না নেয় বা হত্যাকাণ্ড, তাণ্ডব ও গুমের কথা স্বীকার না করে, তাহলে কীভাবে সমঝোতা সম্ভব। বরং তারা আগে সংস্কার ও দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিকঠাক করার বিষয়ে ব্যাপক সমর্থন জানিয়েছেন।’
 
শফিকুল আলম আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও দলটির হত্যাযজ্ঞের মদদদাতা সাংবাদিক ও সমর্থকরা একটা ভ্রান্তির মধ্যে রয়েছেন যে, দেশে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু হলেই তারা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফিরতে পারবেন। দুঃখিত, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার এবং খুন ও গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নির্মূল না করা পর্যন্ত এমনটা ঘটবে না।
 
 
প্রেস সচিব বলেন, ‘২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত আওয়ামী লীগের সদস্য এবং এর নির্দেশ বাস্তবায়নকারীদের বিচার হবে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর প্রতিবেদনগুলো স্পষ্টভাবে দেখিয়েছে যে, জুলাই ও আগস্টের গণআন্দোলনের সময় নিরস্ত্র শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের কীভাবে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।’
 
শফিকুল আলম বলেন, ‘আমি দেশের জনগণকে যাত্রাবাড়ী হত্যাকাণ্ড এবং রিদয়ের হত্যাকাণ্ডের ওপর তথ্যচিত্র দেখার জন্য অনুরোধ করব। আরও তথ্যচিত্র আসছে। দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের ক্যাম্পাসে সংঘটিত অপরাধ তুলে ধরার জন্য তথ্যচিত্র তৈরি করছে। এছাড়া নতুন বেশ কয়েকটি নাগরিক গোষ্ঠী শেখ হাসিনার শাসনামলে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডকে বুদ্ধিমত্তার সাথে নথিভুক্ত করছে।’
 
 
বছর বছর আওয়ামী লীগের সমর্থকরা ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ, রক্ষীবাহিনীর হত্যাকাণ্ড এবং শেখ মুজিবের একদলীয় শাসনের স্মৃতি মুছে ফেলতে চেষ্টা চালিয়ে গেছে বলেও স্ট্যাটাসে অভিযোগ করেন শফিকুল আলম। এ বিষয়ে তিনি আরও জানান, বর্তমান প্রজন্ম এবার জেগে উঠেছে এবং তারা স্বৈরশাসনের প্রতিটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে সজাগ রয়েছে। তাদের প্রচেষ্টা প্রতিদিন পুরনো স্মৃতিকে সতেজ করছে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:০০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫
১৩৯ বার পড়া হয়েছে

কীভাবে আ.লীগ রাজনীতিতে ফিরতে পারবে, জানালেন প্রেস সচিব

আপডেট সময় ১১:০০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫

কীভাবে আ.লীগ রাজনীতিতে ফিরতে পারবে, জানালেন প্রেস সচিব।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার এবং খুন, তাণ্ডব ও গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার না করা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফিরতে পারবে না।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া পোস্টে এ বার্তা দেন তিনি।

 

দীর্ঘ এক ফেসবুক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, ‘সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যেসব বিদেশি কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে তাদের মধ্যে খুব কম ব্যক্তিই রাজনৈতিক সমঝোতার আহ্বান জানিয়েছেন। তারাও বুঝতে পেরেছেন যে, অপরাধীরা যদি তাদের অপরাধের দায় না নেয় বা হত্যাকাণ্ড, তাণ্ডব ও গুমের কথা স্বীকার না করে, তাহলে কীভাবে সমঝোতা সম্ভব। বরং তারা আগে সংস্কার ও দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিকঠাক করার বিষয়ে ব্যাপক সমর্থন জানিয়েছেন।’
 
শফিকুল আলম আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও দলটির হত্যাযজ্ঞের মদদদাতা সাংবাদিক ও সমর্থকরা একটা ভ্রান্তির মধ্যে রয়েছেন যে, দেশে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু হলেই তারা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফিরতে পারবেন। দুঃখিত, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার এবং খুন ও গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নির্মূল না করা পর্যন্ত এমনটা ঘটবে না।
 
 
প্রেস সচিব বলেন, ‘২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত আওয়ামী লীগের সদস্য এবং এর নির্দেশ বাস্তবায়নকারীদের বিচার হবে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর প্রতিবেদনগুলো স্পষ্টভাবে দেখিয়েছে যে, জুলাই ও আগস্টের গণআন্দোলনের সময় নিরস্ত্র শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের কীভাবে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।’
 
শফিকুল আলম বলেন, ‘আমি দেশের জনগণকে যাত্রাবাড়ী হত্যাকাণ্ড এবং রিদয়ের হত্যাকাণ্ডের ওপর তথ্যচিত্র দেখার জন্য অনুরোধ করব। আরও তথ্যচিত্র আসছে। দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের ক্যাম্পাসে সংঘটিত অপরাধ তুলে ধরার জন্য তথ্যচিত্র তৈরি করছে। এছাড়া নতুন বেশ কয়েকটি নাগরিক গোষ্ঠী শেখ হাসিনার শাসনামলে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডকে বুদ্ধিমত্তার সাথে নথিভুক্ত করছে।’
 
 
বছর বছর আওয়ামী লীগের সমর্থকরা ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ, রক্ষীবাহিনীর হত্যাকাণ্ড এবং শেখ মুজিবের একদলীয় শাসনের স্মৃতি মুছে ফেলতে চেষ্টা চালিয়ে গেছে বলেও স্ট্যাটাসে অভিযোগ করেন শফিকুল আলম। এ বিষয়ে তিনি আরও জানান, বর্তমান প্রজন্ম এবার জেগে উঠেছে এবং তারা স্বৈরশাসনের প্রতিটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে সজাগ রয়েছে। তাদের প্রচেষ্টা প্রতিদিন পুরনো স্মৃতিকে সতেজ করছে।