ঢাকা ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প Logo প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ ও বদলিতে জেলা পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ Logo দেশ গড়ার যেকোনো পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি: জায়মা রহমান Logo শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি ও পটকা নিষিদ্ধ, জারি ডিএমপির কড়াকড়ি Logo কারাবন্দিদের জন্য প্রথমবার ডাকযোগে ভোটগ্রহণ শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত Logo ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা Logo র‌্যাবের নাম বদল, নতুন নাম ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ Logo বুড়িগঙ্গার পানি খেয়ে মাদকবর্জিত রাখার অঙ্গীকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর, ঢাকা-৮ Logo শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যাকাণ্ড: স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আটক Logo নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা: মাঠে দেড় লাখের বেশি পুলিশ, ঝুঁকিপূর্ণ আসনে বাড়তি সতর্কতা

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে নারীর প্রাধান্য কেন?

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

সংগৃহিত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পথে, যার সম্ভাব্য নাম ‘মন্থা’— অর্থাৎ সুগন্ধি ফুল।

কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, ঘূর্ণিঝড়ের নাম কীভাবে রাখা হয়? আর কেন অধিকাংশ নামই নারীর নামে?

১৯৫৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি থেকে প্রথম ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু হয়। পরে জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড মেটিওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (WMO) ও এসক্যাপ মিলে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর পরামর্শে নামের তালিকা তৈরি করে।

১৯০০ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বেশিরভাগ ঝড়ের নাম রাখা হতো নারীদের নামে— যেমন ক্যাটরিনা, নার্গিস, রেশমি, তিতলি ইত্যাদি। কারণ মেয়েদের নাম সহজে মনে রাখা যায়।

পরে পুরুষের নামেও নামকরণ শুরু হয়। বর্তমানে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৩টি দেশ মিলে নামের তালিকা তৈরি করে। প্রত্যেক দেশ ১৩টি করে নাম প্রস্তাব করে, যেগুলো বর্ণানুক্রমে ব্যবহৃত হয়।

নামকরণের মূল উদ্দেশ্য হলো জনগণ যাতে সহজে ঝড় সম্পর্কিত তথ্য মনে রাখতে পারে এবং দ্রুত সতর্ক হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৪:১৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
৭৮ বার পড়া হয়েছে

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে নারীর প্রাধান্য কেন?

আপডেট সময় ০৪:১৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পথে, যার সম্ভাব্য নাম ‘মন্থা’— অর্থাৎ সুগন্ধি ফুল।

কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, ঘূর্ণিঝড়ের নাম কীভাবে রাখা হয়? আর কেন অধিকাংশ নামই নারীর নামে?

১৯৫৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি থেকে প্রথম ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু হয়। পরে জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড মেটিওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (WMO) ও এসক্যাপ মিলে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর পরামর্শে নামের তালিকা তৈরি করে।

১৯০০ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বেশিরভাগ ঝড়ের নাম রাখা হতো নারীদের নামে— যেমন ক্যাটরিনা, নার্গিস, রেশমি, তিতলি ইত্যাদি। কারণ মেয়েদের নাম সহজে মনে রাখা যায়।

পরে পুরুষের নামেও নামকরণ শুরু হয়। বর্তমানে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৩টি দেশ মিলে নামের তালিকা তৈরি করে। প্রত্যেক দেশ ১৩টি করে নাম প্রস্তাব করে, যেগুলো বর্ণানুক্রমে ব্যবহৃত হয়।

নামকরণের মূল উদ্দেশ্য হলো জনগণ যাতে সহজে ঝড় সম্পর্কিত তথ্য মনে রাখতে পারে এবং দ্রুত সতর্ক হতে পারে।