ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ২২ বছর পর আফকন সেমিফাইনালে মরক্কো, ক্যামেরুনকে হারিয়ে শেষ চারে Logo ইসিতে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ৫২ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা Logo সীমানা সংক্রান্ত আপিল বিভাগের আদেশে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের ভোট স্থগিত Logo বিচ্ছেদের বিষয়টি সত্য বলে স্বীকার করলেন তাহসান Logo তামিমকে নিয়ে ওই মন্তব্য করা ঠিক হয়নি—ইফতেখার মিঠু Logo গুলশানে তারেক রহমানের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের বৈঠক Logo যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক শৃঙ্খলা ভেঙে দিচ্ছে, ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর সমালোচনায় জার্মান প্রেসিডেন্ট Logo বিএনপি সরকার হলে খেলোয়াড়দের জন্য ভাতা ও পেনশন চালুর প্রতিশ্রুতি দিলেন দুলু Logo ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারার মনোনয়ন বৈধতা পেল ইসির আপিলে Logo ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ইসিতে আপিল শুনানি চলছে

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে নারীর প্রাধান্য কেন?

নিজস্ব সংবাদ :

সংগৃহিত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পথে, যার সম্ভাব্য নাম ‘মন্থা’— অর্থাৎ সুগন্ধি ফুল।

কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, ঘূর্ণিঝড়ের নাম কীভাবে রাখা হয়? আর কেন অধিকাংশ নামই নারীর নামে?

১৯৫৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি থেকে প্রথম ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু হয়। পরে জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড মেটিওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (WMO) ও এসক্যাপ মিলে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর পরামর্শে নামের তালিকা তৈরি করে।

১৯০০ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বেশিরভাগ ঝড়ের নাম রাখা হতো নারীদের নামে— যেমন ক্যাটরিনা, নার্গিস, রেশমি, তিতলি ইত্যাদি। কারণ মেয়েদের নাম সহজে মনে রাখা যায়।

পরে পুরুষের নামেও নামকরণ শুরু হয়। বর্তমানে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৩টি দেশ মিলে নামের তালিকা তৈরি করে। প্রত্যেক দেশ ১৩টি করে নাম প্রস্তাব করে, যেগুলো বর্ণানুক্রমে ব্যবহৃত হয়।

নামকরণের মূল উদ্দেশ্য হলো জনগণ যাতে সহজে ঝড় সম্পর্কিত তথ্য মনে রাখতে পারে এবং দ্রুত সতর্ক হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৪:১৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
৬৪ বার পড়া হয়েছে

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে নারীর প্রাধান্য কেন?

আপডেট সময় ০৪:১৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পথে, যার সম্ভাব্য নাম ‘মন্থা’— অর্থাৎ সুগন্ধি ফুল।

কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, ঘূর্ণিঝড়ের নাম কীভাবে রাখা হয়? আর কেন অধিকাংশ নামই নারীর নামে?

১৯৫৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি থেকে প্রথম ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু হয়। পরে জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড মেটিওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (WMO) ও এসক্যাপ মিলে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর পরামর্শে নামের তালিকা তৈরি করে।

১৯০০ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বেশিরভাগ ঝড়ের নাম রাখা হতো নারীদের নামে— যেমন ক্যাটরিনা, নার্গিস, রেশমি, তিতলি ইত্যাদি। কারণ মেয়েদের নাম সহজে মনে রাখা যায়।

পরে পুরুষের নামেও নামকরণ শুরু হয়। বর্তমানে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৩টি দেশ মিলে নামের তালিকা তৈরি করে। প্রত্যেক দেশ ১৩টি করে নাম প্রস্তাব করে, যেগুলো বর্ণানুক্রমে ব্যবহৃত হয়।

নামকরণের মূল উদ্দেশ্য হলো জনগণ যাতে সহজে ঝড় সম্পর্কিত তথ্য মনে রাখতে পারে এবং দ্রুত সতর্ক হতে পারে।