ঢাকা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শাকিরা ও বার্না বয়ের থিম সং ‘দাই দাই’ Logo পটুয়াখালীতে বন্ধ ঘর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, রুমমেট পলাতক Logo বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী হত্যার সন্দেহভাজন আবুঘরবেহ তিন বছর আগে মাকেও মারধর করেছিলেন Logo সংসদে নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করলেন জামায়াত নেতা তাহের Logo সাকিবের পাশাপাশি মাশরাফি ও দুর্জয়কেও আলোচনায় আনতে বললেন তামিম Logo বিএনপির প্রতি আস্থা হারাচ্ছি: সংসদে নাহিদ ইসলামের মন্তব্য Logo নিপীড়নের আশঙ্কা জানালে ভিসা নয়—যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতি Logo ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি Logo ট্রাম্পকে ‘রাজার খোঁচা’ দিলেন ব্রিটিশ চার্লস, ফরাসি ভাষা নিয়ে ব্যঙ্গ Logo ডে-কেয়ারে হাত-পা বেঁধে রাখা ৫০ শিশু, নেশাদ্রব্য প্রয়োগের অভিযোগে তোলপাড়

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে নারীর প্রাধান্য কেন?

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

সংগৃহিত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পথে, যার সম্ভাব্য নাম ‘মন্থা’— অর্থাৎ সুগন্ধি ফুল।

কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, ঘূর্ণিঝড়ের নাম কীভাবে রাখা হয়? আর কেন অধিকাংশ নামই নারীর নামে?

১৯৫৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি থেকে প্রথম ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু হয়। পরে জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড মেটিওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (WMO) ও এসক্যাপ মিলে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর পরামর্শে নামের তালিকা তৈরি করে।

১৯০০ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বেশিরভাগ ঝড়ের নাম রাখা হতো নারীদের নামে— যেমন ক্যাটরিনা, নার্গিস, রেশমি, তিতলি ইত্যাদি। কারণ মেয়েদের নাম সহজে মনে রাখা যায়।

পরে পুরুষের নামেও নামকরণ শুরু হয়। বর্তমানে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৩টি দেশ মিলে নামের তালিকা তৈরি করে। প্রত্যেক দেশ ১৩টি করে নাম প্রস্তাব করে, যেগুলো বর্ণানুক্রমে ব্যবহৃত হয়।

নামকরণের মূল উদ্দেশ্য হলো জনগণ যাতে সহজে ঝড় সম্পর্কিত তথ্য মনে রাখতে পারে এবং দ্রুত সতর্ক হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৪:১৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
১২৫ বার পড়া হয়েছে

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে নারীর প্রাধান্য কেন?

আপডেট সময় ০৪:১৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পথে, যার সম্ভাব্য নাম ‘মন্থা’— অর্থাৎ সুগন্ধি ফুল।

কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, ঘূর্ণিঝড়ের নাম কীভাবে রাখা হয়? আর কেন অধিকাংশ নামই নারীর নামে?

১৯৫৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি থেকে প্রথম ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু হয়। পরে জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড মেটিওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (WMO) ও এসক্যাপ মিলে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর পরামর্শে নামের তালিকা তৈরি করে।

১৯০০ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বেশিরভাগ ঝড়ের নাম রাখা হতো নারীদের নামে— যেমন ক্যাটরিনা, নার্গিস, রেশমি, তিতলি ইত্যাদি। কারণ মেয়েদের নাম সহজে মনে রাখা যায়।

পরে পুরুষের নামেও নামকরণ শুরু হয়। বর্তমানে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৩টি দেশ মিলে নামের তালিকা তৈরি করে। প্রত্যেক দেশ ১৩টি করে নাম প্রস্তাব করে, যেগুলো বর্ণানুক্রমে ব্যবহৃত হয়।

নামকরণের মূল উদ্দেশ্য হলো জনগণ যাতে সহজে ঝড় সম্পর্কিত তথ্য মনে রাখতে পারে এবং দ্রুত সতর্ক হতে পারে।