চালের বাজারে লাগামছাড়া দর, আমদানিতেও কমছে না চাপ
চালের বাজারে অস্থিরতা ক্রমেই বাড়ছে। উৎপাদন বাড়ানো কিংবা আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হলেও দাম বৃদ্ধির গতি থামানো যাচ্ছে না। নিম্ন আয়ের মানুষের প্রধান ভরসা হিসেবে পরিচিত মোটা চালের দাম কেজিপ্রতি এখন দাঁড়িয়েছে ৫৫ টাকায়। পাশাপাশি নাজিরশাইল ও মিনিকেট চাল মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা দরে। এতে দৈনন্দিন খাদ্য তালিকার প্রধান এই পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন সীমিত আয়ের মানুষ।
চালের দাম বৃদ্ধির পেছনে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা মিলারদের দায়ী করছেন। তাদের অভিযোগ, মিল পর্যায়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কয়েকটি বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান ইচ্ছাকৃতভাবে দাম বাড়াচ্ছে। তবে এসব অভিযোগ নাকচ করে মিলাররা বলছেন, জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। পাশাপাশি ধানের দাম বাড়ার প্রভাবও চালের বাজারে পড়ছে বলে দাবি তাদের।
এদিকে, গত ১৯ জানুয়ারি ভারত থেকে আমদানিকৃত চালের প্রথম চালান দেশে এলেও বাজারে এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি। ব্যবসায়ীদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে চালের দাম অনেক বেশি। বিশেষ করে ভারত রফতানি সীমিত করার পর থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের চালের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রতি টন আমদানি করা চালের সর্বোচ্চ দাম ছিল ৭৮ হাজার টাকা। কিন্তু চলতি অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৬ হাজার ৪০০ টাকায়, যা দেশের বাজারে চালের দামে সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

























