ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সিলেটে অসহায়দের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ Logo দুদকের তদন্তের মুখে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান; শেখ হাসিনাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ Logo  তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo  সিলেটে নিখোঁজ ছাতকের সৌরভ, খুঁজে পেতে সহযোগিতার আহ্বান Logo সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ ভবনে আগুন, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস Logo ইতালিতে পাঁচ লাখ কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ: আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় কবে? Logo ঢাকায় রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা Logo খুলনা আদালত এলাকায় গুলিতে দুইজন নিহত: প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় যা উঠে এসেছে Logo ৬ লেন নির্মাণের দাবিতে সাতকানিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ Logo কুষ্টিয়ার ছয় হত্যা মামলায় ইনুর বিরুদ্ধে আজ ট্রাইব্যুনালে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণ

চিকিৎসককে মারপিট, অভিযুক্ত মোত্তাকিনকে ধরতে পারেনি পুলিশ

নিজস্ব সংবাদ :

ছবি সংগৃহীত

চিকিৎসককে মারপিট, অভিযুক্ত মোত্তাকিনকে ধরতে পারেনি পুলিশ।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. শাহীন জোয়ার্দারের ওপর হামলার ঘটনার ৭ দিন পার হলেও মূলহোতা ইন্টার্ন নার্স মোত্তাকিনকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এতে ফুঁসে উঠেছে চিকিৎসক সমাজ।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় প্রেসক্লাব চত্বরে ফরিদপুরের সর্বস্তরের চিকিৎসকদের ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন চিকিৎসকরা। কর্মসূচি শেষে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ডা. সানিয়াত জামান। এসময় হামলার মূলহোতাকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান চিকিৎসক নেতারা।

কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. হুমায়ুন কবির, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. দিলরুবা জেবা, সিনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি) মো. ফারুক আহমেদ, ডা. সানিয়াত জামান (বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি) প্রমুখ।

গত ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে মেডিকেল কলেজের অর্থোপেডিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শাহীন জোয়ার্দার ট্রমা বিভাগ থেকে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার সময় মোত্তাকিন (২০) নামে এক ইন্টার্ন নার্স তাকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনার জেরে বহিরাগতদের ডেকে এনে চিকিৎসকের ওপর হামলা চালায় মোত্তাকিন। ডা. শাহিন জোয়ার্দার বর্তমানে ঢাকার ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. দিলরুবা জেবা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে মূল অভিযুক্ত মোত্তাকিনকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক হুমায়ুন কবির বলেন, ‘হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত ডা. শাহিন জোয়ার্দার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ব্যাপারে আমরা বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। মূল অভিযুক্তকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করা না হলে বৃহৎ কর্মসূচির ডাক দেয়া হবে।’


ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. দিলরুবা জেবা বলেন, ‘আমরা নিরাপদ কর্মস্থল চাই। হাসপাতালে তার ওপর যেভাবে নির্মমভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, এর চেয়ে ন্যাক্কারজনক কিছু নেই। এ ঘটনায় মামলা করলেও প্রধান যে আসামি সে এখনও ধরা পড়ে নাই। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।’

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসাদউজ্জামান জানান, চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মূল অভিযুক্তসহ অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:০৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪
৯৭ বার পড়া হয়েছে

চিকিৎসককে মারপিট, অভিযুক্ত মোত্তাকিনকে ধরতে পারেনি পুলিশ

আপডেট সময় ০৯:০৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪

চিকিৎসককে মারপিট, অভিযুক্ত মোত্তাকিনকে ধরতে পারেনি পুলিশ।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. শাহীন জোয়ার্দারের ওপর হামলার ঘটনার ৭ দিন পার হলেও মূলহোতা ইন্টার্ন নার্স মোত্তাকিনকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এতে ফুঁসে উঠেছে চিকিৎসক সমাজ।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় প্রেসক্লাব চত্বরে ফরিদপুরের সর্বস্তরের চিকিৎসকদের ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন চিকিৎসকরা। কর্মসূচি শেষে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ডা. সানিয়াত জামান। এসময় হামলার মূলহোতাকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান চিকিৎসক নেতারা।

কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. হুমায়ুন কবির, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. দিলরুবা জেবা, সিনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি) মো. ফারুক আহমেদ, ডা. সানিয়াত জামান (বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি) প্রমুখ।

গত ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে মেডিকেল কলেজের অর্থোপেডিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শাহীন জোয়ার্দার ট্রমা বিভাগ থেকে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার সময় মোত্তাকিন (২০) নামে এক ইন্টার্ন নার্স তাকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনার জেরে বহিরাগতদের ডেকে এনে চিকিৎসকের ওপর হামলা চালায় মোত্তাকিন। ডা. শাহিন জোয়ার্দার বর্তমানে ঢাকার ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. দিলরুবা জেবা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে মূল অভিযুক্ত মোত্তাকিনকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক হুমায়ুন কবির বলেন, ‘হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত ডা. শাহিন জোয়ার্দার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ব্যাপারে আমরা বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। মূল অভিযুক্তকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করা না হলে বৃহৎ কর্মসূচির ডাক দেয়া হবে।’


ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. দিলরুবা জেবা বলেন, ‘আমরা নিরাপদ কর্মস্থল চাই। হাসপাতালে তার ওপর যেভাবে নির্মমভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, এর চেয়ে ন্যাক্কারজনক কিছু নেই। এ ঘটনায় মামলা করলেও প্রধান যে আসামি সে এখনও ধরা পড়ে নাই। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।’

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসাদউজ্জামান জানান, চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মূল অভিযুক্তসহ অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।