ঢাকা ১১:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo অপহরণের খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা, এক ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্র উদ্ধার Logo দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল Logo বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আলী হোসেন ফকির Logo চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের, দগ্ধ আরও সাত Logo  জনগণের শক্তিকেই মূল ভরসা করে বিএনপি, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস নেই: মঈন খান Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ অনিয়ম তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ Logo গরমের ঈদে আরামদায়ক পাঞ্জাবির চাহিদা, বাজারে রং-নকশায় নতুনত্ব Logo এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি Logo ভিনিসিউসকে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগে বেনফিকার আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিষিদ্ধ Logo ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তার বদলি

তারেক রহমান বললেন, ‘আম্মা বাসায় হাঁস-মুরগি-ছাগলও রাখতেন’

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্প্রতি বিবিসি বাংলার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে নানা বিষয়ে কথা বলেছেন। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর কোনো গণমাধ্যমে মুখোমুখি হয়ে তিনি সংস্কার, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত কিছু বিষয় নিয়েও মত দেন। সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে তিনি তার পরিবারের পোষা প্রাণীদের প্রসঙ্গও তোলেন, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আগেই আলোচনা হয়েছিল।

প্রাণীপ্রেম প্রসঙ্গে প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, “প্রথমেই একটা বিষয় পরিষ্কার করি—যে বিড়ালটিকে অনেকে আমার বলে মনে করেন, সেটা আসলে আমার মেয়ের। এখন অবশ্য ওটা সবারই হয়ে গেছে। আমরা সবাই ওকে ভালোবাসি।”

তিনি আরও স্মৃতিচারণ করে বলেন, “শৈশবে আমি আর আমার ভাইয়ের একটি ছোট কুকুর ছিল। আমাদের আম্মা বাসায় হাঁস-মুরগি, এমনকি কয়েকটি ছাগলও পালন করতেন। কবুতর আর বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ছিল বড় খাঁচায়, আরেক খাঁচায় ছিল একটি ময়না পাখি—যেটি আমরা বরিশাল থেকে এনেছিলাম। সেই ময়নাটা বরিশালির ভাষায় কথা বলতও।”

তারেক রহমান জানান, প্রাণী ও প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা তার জীবনের নতুন কিছু নয়, বরং শৈশব থেকেই এই সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। “এই বিষয়গুলো হঠাৎ করে আমার জীবনে আসেনি,” তিনি বলেন। “আমার পরিবার বহু বছর ধরেই প্রাণী-পাখির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছিল। এখন হয়তো এটি বেশি দৃশ্যমান।”

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও তিনি প্রাণীদের যত্ন নেওয়াকে দায়িত্ব হিসেবে দেখেন। “আল্লাহ আমাদের সৃষ্টির সেরা জীব করেছেন,” বলেন তারেক রহমান। “তাই তাঁর সৃষ্টি—প্রকৃতি ও প্রাণ—সবকিছুর প্রতি যত্ন নেওয়া আমাদের দায়িত্ব।”

তিনি আরও যোগ করেন, “প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হলে মানুষের অস্তিত্বও বিপন্ন হয়ে পড়ে। তাই নেচার ও এনভায়রনমেন্ট রক্ষা আমাদের নিজেদের স্বার্থেই জরুরি।”

সাক্ষাৎকারের শুরুতে ইংল্যান্ডের আবহাওয়া নিয়ে আলাপের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “এই ১৭ বছরের অভিজ্ঞতায় আমি দেখেছি, এখানকার ওয়েদারও বদলে গেছে কিছুটা। বাংলাদেশেও আমরা দূষণ নিয়ে খবর দেখি—ঢাকার অবস্থা ভয়াবহ।”

তিনি উল্লেখ করেন, “একটি দেশের মোট এলাকার অন্তত ২৫ শতাংশে বনভূমি থাকা উচিত, কিন্তু বাংলাদেশে এখন তা মাত্র ১২ শতাংশের মতো। এটি খুবই উদ্বেগজনক। তাই পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষার পাশাপাশি প্রাণীদের যত্ন নেওয়াও আমাদের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
১৩৯ বার পড়া হয়েছে

তারেক রহমান বললেন, ‘আম্মা বাসায় হাঁস-মুরগি-ছাগলও রাখতেন’

আপডেট সময় ০২:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্প্রতি বিবিসি বাংলার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে নানা বিষয়ে কথা বলেছেন। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর কোনো গণমাধ্যমে মুখোমুখি হয়ে তিনি সংস্কার, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত কিছু বিষয় নিয়েও মত দেন। সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে তিনি তার পরিবারের পোষা প্রাণীদের প্রসঙ্গও তোলেন, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আগেই আলোচনা হয়েছিল।

প্রাণীপ্রেম প্রসঙ্গে প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, “প্রথমেই একটা বিষয় পরিষ্কার করি—যে বিড়ালটিকে অনেকে আমার বলে মনে করেন, সেটা আসলে আমার মেয়ের। এখন অবশ্য ওটা সবারই হয়ে গেছে। আমরা সবাই ওকে ভালোবাসি।”

তিনি আরও স্মৃতিচারণ করে বলেন, “শৈশবে আমি আর আমার ভাইয়ের একটি ছোট কুকুর ছিল। আমাদের আম্মা বাসায় হাঁস-মুরগি, এমনকি কয়েকটি ছাগলও পালন করতেন। কবুতর আর বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ছিল বড় খাঁচায়, আরেক খাঁচায় ছিল একটি ময়না পাখি—যেটি আমরা বরিশাল থেকে এনেছিলাম। সেই ময়নাটা বরিশালির ভাষায় কথা বলতও।”

তারেক রহমান জানান, প্রাণী ও প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা তার জীবনের নতুন কিছু নয়, বরং শৈশব থেকেই এই সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। “এই বিষয়গুলো হঠাৎ করে আমার জীবনে আসেনি,” তিনি বলেন। “আমার পরিবার বহু বছর ধরেই প্রাণী-পাখির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছিল। এখন হয়তো এটি বেশি দৃশ্যমান।”

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও তিনি প্রাণীদের যত্ন নেওয়াকে দায়িত্ব হিসেবে দেখেন। “আল্লাহ আমাদের সৃষ্টির সেরা জীব করেছেন,” বলেন তারেক রহমান। “তাই তাঁর সৃষ্টি—প্রকৃতি ও প্রাণ—সবকিছুর প্রতি যত্ন নেওয়া আমাদের দায়িত্ব।”

তিনি আরও যোগ করেন, “প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হলে মানুষের অস্তিত্বও বিপন্ন হয়ে পড়ে। তাই নেচার ও এনভায়রনমেন্ট রক্ষা আমাদের নিজেদের স্বার্থেই জরুরি।”

সাক্ষাৎকারের শুরুতে ইংল্যান্ডের আবহাওয়া নিয়ে আলাপের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “এই ১৭ বছরের অভিজ্ঞতায় আমি দেখেছি, এখানকার ওয়েদারও বদলে গেছে কিছুটা। বাংলাদেশেও আমরা দূষণ নিয়ে খবর দেখি—ঢাকার অবস্থা ভয়াবহ।”

তিনি উল্লেখ করেন, “একটি দেশের মোট এলাকার অন্তত ২৫ শতাংশে বনভূমি থাকা উচিত, কিন্তু বাংলাদেশে এখন তা মাত্র ১২ শতাংশের মতো। এটি খুবই উদ্বেগজনক। তাই পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষার পাশাপাশি প্রাণীদের যত্ন নেওয়াও আমাদের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।”