দেশনেত্রীর স্নেহ আমার জীবনের সর্বোচ্চ অর্জন: মির্জা ফখরুল
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “দেশনেত্রীর স্নেহের ছায়া আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”
সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার সঙ্গে দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি মনে করেন, দেশনেত্রীর পরম মমতা ও আর্শীবাদ তাকে রাজনৈতিক জীবন চলার পথে সবসময় সঠিক পথ দেখিয়েছে। ভুলের সুযোগ পেলেও খালেদা জিয়া ক্ষমা করে তাকে শুদ্ধ করার সুযোগ দিয়েছেন।
ফখরুল আরও জানিয়েছেন, তিনি সর্বদা চেষ্টা করেছেন দেশনেত্রীর চিন্তাভাবনাকে বাস্তবায়ন করতে এবং বিএনপিকে তার নির্দেশনা অনুযায়ী এগিয়ে নিতে। জীবনের শেষ মুহূর্তে খালেদা জিয়ার পাশে থাকার সৌভাগ্য হয়েছে, যদিও সেই সময়গুলো তাকে ভীষণ কষ্ট দিয়েছিল।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার সঙ্গে অন্য কোনো নেতার তুলনা করা যায় না। জানাজার সময় লক্ষ কোটি মানুষের উপস্থিতি এবং নিঃসন্দেহ নীরবতা তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। দীর্ঘ সংগ্রামের পর দল রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে পেরেছে। ফখরুল উল্লেখ করেছেন, বিএনপির অনেক সহকর্মী এই সংগ্রামে প্রাণ দিয়েছেন, অসংখ্য মামলা মোকাবিলা করেছেন, এবং নেতা নির্বাসিত ছিলেন।
ফখরুল বলেন, সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে জনগণের কল্যাণে কাজ করার এবং গণতন্ত্র রক্ষার দায়িত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার ত্যাগের মর্যাদা রক্ষা এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দল সব সময় চেষ্টা চালিয়ে যাবে।
তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন। বলেন, তারেক রহমান সাধারণ মানুষের সঙ্গে থেকে ডিজিটাল মাধ্যমে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। ফখরুলের বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রী দেশের কল্যাণে বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি রোধের উদ্যোগ নিয়েও তিনি জানিয়েছেন, ওয়াসার এমডি ও কয়েকজন ইঞ্জিনিয়ারকে দুর্নীতির দায়ে সাসপেন্ড করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়কে সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য সরকার শক্ত হাতে ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত।


























