ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo হামলার ঠিক আগে কক্ষ ছাড়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পান মোজতবা খামেনি Logo ঈদে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানি Logo জনকল্যাণে কাজ করে দৃষ্টান্ত গড়বে বিরোধীদল: জামায়াত আমির Logo আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের Logo ট্রাম্প চাইলে পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন : ইরানের কড়া বার্তা Logo আগামী বছর থেকে স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি আর থাকবে না Logo বাংলাদেশ-ভারতের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা Logo হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প Logo  দেশজুড়ে খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন আজ

নির্বাচনে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচারণায় ব্যয় ও কৌশল

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

নির্বাচনের আগে সোশ্যাল মিডিয়া এখন প্রধান মঞ্চ। পোস্টার, ব্যানার বা লিফলেটের পরিবর্তে প্রার্থীরা লড়াই করছেন ভিডিও, গ্রাফিক্স, লাইভ শো ও রিলসের মাধ্যমে। সামান্য খরচ করলেই তাদের বার্তা পৌঁছাচ্ছে ১৩ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর কাছে। এর মধ্যে ফেসবুকের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৬ কোটি, ইউটিউব ৫ কোটি এবং বাকি ব্যবহারকারীরা ইন্সটাগ্রাম ও টিকটকে সক্রিয়। এছাড়া প্রার্থী এবং দলের ফলোয়ারের সংখ্যাও কম নয়।

এই কারণে এবার ডিজিটাল প্রচারণায় প্রার্থীরা নিয়োগ করেছেন বড়সংখ্যক জনবল। ভিডিও এডিটর, গ্রাফিক্স ডিজাইনার, এআই প্রম্পট বিশেষজ্ঞ ও এসইও পেশাদাররা দিনরাত ব্যস্ত রয়েছেন কনটেন্ট তৈরি করতে। ছোট ভিডিও, গান, নাটক, সাক্ষাৎকার, জনসভা কিংবা মিমস—কোনোটিই বাদ যাচ্ছে না। প্রার্থীর নিজস্ব দল ছাড়াও রাজনৈতিক দলের ডিজিটাল কর্মীরাও এই প্রচারণায় কাজ করছে। বিজ্ঞাপন সংস্থা ও অনলাইন মার্কেটিং বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পোস্ট বুস্ট ও প্রমোশনও হচ্ছে।

ঢাকা-১০ আসনের বিএনপির প্রার্থী রবিউল আলম রবি বলেছেন, “ইচ্ছা করলেই কেউ অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে গোপন প্রচারণা চালাতে পারে এবং প্রার্থীর ইমেজ নষ্ট করার চেষ্টা করতে পারে। এ ধরনের প্রচারণা রোধ করা প্রয়োজন, না হলে ভোটার বিভ্রান্ত হচ্ছেন।”

জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণা কমিটির সদস্য মোবারক হোসাইন বলেন, “গুগল, ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কারা কী করছে তা খুঁজে বের করা কঠিন। শুধু নির্বাচন কমিশনের জন্য নয়, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্যও এটি সহজ নয়।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:০৫:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
৪১ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচনে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচারণায় ব্যয় ও কৌশল

আপডেট সময় ০৯:০৫:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনের আগে সোশ্যাল মিডিয়া এখন প্রধান মঞ্চ। পোস্টার, ব্যানার বা লিফলেটের পরিবর্তে প্রার্থীরা লড়াই করছেন ভিডিও, গ্রাফিক্স, লাইভ শো ও রিলসের মাধ্যমে। সামান্য খরচ করলেই তাদের বার্তা পৌঁছাচ্ছে ১৩ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর কাছে। এর মধ্যে ফেসবুকের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৬ কোটি, ইউটিউব ৫ কোটি এবং বাকি ব্যবহারকারীরা ইন্সটাগ্রাম ও টিকটকে সক্রিয়। এছাড়া প্রার্থী এবং দলের ফলোয়ারের সংখ্যাও কম নয়।

এই কারণে এবার ডিজিটাল প্রচারণায় প্রার্থীরা নিয়োগ করেছেন বড়সংখ্যক জনবল। ভিডিও এডিটর, গ্রাফিক্স ডিজাইনার, এআই প্রম্পট বিশেষজ্ঞ ও এসইও পেশাদাররা দিনরাত ব্যস্ত রয়েছেন কনটেন্ট তৈরি করতে। ছোট ভিডিও, গান, নাটক, সাক্ষাৎকার, জনসভা কিংবা মিমস—কোনোটিই বাদ যাচ্ছে না। প্রার্থীর নিজস্ব দল ছাড়াও রাজনৈতিক দলের ডিজিটাল কর্মীরাও এই প্রচারণায় কাজ করছে। বিজ্ঞাপন সংস্থা ও অনলাইন মার্কেটিং বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পোস্ট বুস্ট ও প্রমোশনও হচ্ছে।

ঢাকা-১০ আসনের বিএনপির প্রার্থী রবিউল আলম রবি বলেছেন, “ইচ্ছা করলেই কেউ অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে গোপন প্রচারণা চালাতে পারে এবং প্রার্থীর ইমেজ নষ্ট করার চেষ্টা করতে পারে। এ ধরনের প্রচারণা রোধ করা প্রয়োজন, না হলে ভোটার বিভ্রান্ত হচ্ছেন।”

জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণা কমিটির সদস্য মোবারক হোসাইন বলেন, “গুগল, ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কারা কী করছে তা খুঁজে বের করা কঠিন। শুধু নির্বাচন কমিশনের জন্য নয়, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্যও এটি সহজ নয়।”