ব্যাগভর্তি টাকা নিয়ে আটক জামায়াত নেতা সত্যিই ব্যবসায়ী কি না, ট্যাক্স নথিতেই মিলবে প্রমাণ
ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন বলেছেন, সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থসহ আটক জামায়াত নেতা বেলাল উদ্দিন প্রধান প্রকৃত অর্থে গার্মেন্টস ব্যবসায়ী কি না, তা তার আয়কর নথি পর্যালোচনা করলেই স্পষ্ট হবে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। মির্জা ফয়সাল আমিন দাবি করেন, বেলাল উদ্দিন প্রধান মূলত একজন মাদ্রাসার শিক্ষক এবং তার স্ত্রী বাসায় সীমিত পরিসরে সেলাইয়ের কাজ করেন। নির্বাচনের ঠিক আগের দিন ৭৪ লাখ টাকা নিয়ে তার আটকের বিষয়টি অত্যন্ত সন্দেহজনক বলে তিনি মনে করেন। তার অভিযোগ, ভোট প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যেই এই অর্থ আনা হচ্ছিল। স্থানীয়ভাবে বেলাল উদ্দিনকে গার্মেন্টস ব্যবসায়ী হিসেবে কেউ চেনে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যদি তিনি সত্যিই ব্যবসায়ী হন, তবে ট্যাক্স ফাইল প্রকাশ করলেই তার প্রমাণ মিলবে।
উল্লেখ্য, বুধবার দুপুরে নিয়মিত তল্লাশির সময় সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বেলাল উদ্দিন প্রধানের কাছে বিপুল অঙ্কের নগদ টাকা পাওয়া যায়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে অর্থের উৎস সম্পর্কে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারায় তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় তার সঙ্গে মান্নান নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় বেলাল উদ্দিন দাবি করেন, তার কাছে থাকা ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা তার ব্যবসায়িক লেনদেনের অর্থ। তবে পরবর্তীতে গণনায় দেখা যায়, ব্যাগে মোট ৭৪ লাখ টাকা ছিল।
এদিকে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে এবং পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

























