ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo হিজাব পরা নারী প্রধানমন্ত্রী প্রসঙ্গে তর্কে জড়ালেন ওয়াইসি ও হিমন্ত Logo সীমান্তে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে প্রাণ গেল বাংলাদেশি শিশুর Logo জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন: আজ প্রসিকিউশনের শুনানি Logo ঢাকা ও আশপাশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমার আভাস Logo আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২২ ক্যারেট সোনা ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা Logo ২২ বছর পর আফকন সেমিফাইনালে মরক্কো, ক্যামেরুনকে হারিয়ে শেষ চারে Logo ইসিতে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ৫২ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা Logo সীমানা সংক্রান্ত আপিল বিভাগের আদেশে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের ভোট স্থগিত Logo বিচ্ছেদের বিষয়টি সত্য বলে স্বীকার করলেন তাহসান Logo তামিমকে নিয়ে ওই মন্তব্য করা ঠিক হয়নি—ইফতেখার মিঠু

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় শেখ হাসিনা-কামালদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে নাহিদ ইসলাম

নিজস্ব সংবাদ :

ছবি সংগৃহীত

জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ মোট তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে তিনি ট্রাইব্যুনালে পৌঁছান বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

দিনের শুরুতে, নাহিদের সাক্ষ্যের আগে, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান অবশিষ্ট সাক্ষ্য প্রদান করেন। তাঁর সাক্ষ্য শেষ হলে শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন তাঁকে জেরা করেন। এরপর নাহিদ ইসলামের জবানবন্দি নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে, গত ১০ জুলাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার করেছিলেন সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। সেদিন তিনি আদালতকে জানান, “জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় আমাদের বিরুদ্ধে যে হত্যা-গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য। আমি নিজেকে দোষী হিসেবে মেনে নিচ্ছি এবং রাজসাক্ষী হয়ে এ সংক্রান্ত তথ্য আদালতে তুলে ধরতে চাই।”

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ অভিযোগ গঠনের সময় মামুনের এই বক্তব্য রেকর্ড করে। একই দিনে আদালত শেখ হাসিনাসহ তিনজন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে এবং অব্যাহতির আবেদন খারিজের আদেশ দেন।

প্রসিকিউশনের তথ্যানুযায়ী, এ মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগের নথি ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার, যার মধ্যে তথ্যসূত্র ২ হাজার ১৮ পৃষ্ঠা, জব্দতালিকা ও অন্যান্য প্রমাণাদি ৪ হাজার ৫ পৃষ্ঠা এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ ২ হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে। এই মামলায় সাক্ষী হিসেবে তালিকাভুক্ত আছেন মোট ৮১ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:৫৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৬৭ বার পড়া হয়েছে

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় শেখ হাসিনা-কামালদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে নাহিদ ইসলাম

আপডেট সময় ০২:৫৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ মোট তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে তিনি ট্রাইব্যুনালে পৌঁছান বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

দিনের শুরুতে, নাহিদের সাক্ষ্যের আগে, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান অবশিষ্ট সাক্ষ্য প্রদান করেন। তাঁর সাক্ষ্য শেষ হলে শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন তাঁকে জেরা করেন। এরপর নাহিদ ইসলামের জবানবন্দি নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে, গত ১০ জুলাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার করেছিলেন সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। সেদিন তিনি আদালতকে জানান, “জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় আমাদের বিরুদ্ধে যে হত্যা-গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য। আমি নিজেকে দোষী হিসেবে মেনে নিচ্ছি এবং রাজসাক্ষী হয়ে এ সংক্রান্ত তথ্য আদালতে তুলে ধরতে চাই।”

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ অভিযোগ গঠনের সময় মামুনের এই বক্তব্য রেকর্ড করে। একই দিনে আদালত শেখ হাসিনাসহ তিনজন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে এবং অব্যাহতির আবেদন খারিজের আদেশ দেন।

প্রসিকিউশনের তথ্যানুযায়ী, এ মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগের নথি ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার, যার মধ্যে তথ্যসূত্র ২ হাজার ১৮ পৃষ্ঠা, জব্দতালিকা ও অন্যান্য প্রমাণাদি ৪ হাজার ৫ পৃষ্ঠা এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ ২ হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে। এই মামলায় সাক্ষী হিসেবে তালিকাভুক্ত আছেন মোট ৮১ জন।