ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo হামলার ঠিক আগে কক্ষ ছাড়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পান মোজতবা খামেনি Logo ঈদে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানি Logo জনকল্যাণে কাজ করে দৃষ্টান্ত গড়বে বিরোধীদল: জামায়াত আমির Logo আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের Logo ট্রাম্প চাইলে পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন : ইরানের কড়া বার্তা Logo আগামী বছর থেকে স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি আর থাকবে না Logo বাংলাদেশ-ভারতের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা Logo হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প Logo  দেশজুড়ে খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন আজ

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় শেখ হাসিনা-কামালদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে নাহিদ ইসলাম

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ মোট তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে তিনি ট্রাইব্যুনালে পৌঁছান বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

দিনের শুরুতে, নাহিদের সাক্ষ্যের আগে, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান অবশিষ্ট সাক্ষ্য প্রদান করেন। তাঁর সাক্ষ্য শেষ হলে শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন তাঁকে জেরা করেন। এরপর নাহিদ ইসলামের জবানবন্দি নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে, গত ১০ জুলাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার করেছিলেন সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। সেদিন তিনি আদালতকে জানান, “জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় আমাদের বিরুদ্ধে যে হত্যা-গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য। আমি নিজেকে দোষী হিসেবে মেনে নিচ্ছি এবং রাজসাক্ষী হয়ে এ সংক্রান্ত তথ্য আদালতে তুলে ধরতে চাই।”

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ অভিযোগ গঠনের সময় মামুনের এই বক্তব্য রেকর্ড করে। একই দিনে আদালত শেখ হাসিনাসহ তিনজন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে এবং অব্যাহতির আবেদন খারিজের আদেশ দেন।

প্রসিকিউশনের তথ্যানুযায়ী, এ মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগের নথি ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার, যার মধ্যে তথ্যসূত্র ২ হাজার ১৮ পৃষ্ঠা, জব্দতালিকা ও অন্যান্য প্রমাণাদি ৪ হাজার ৫ পৃষ্ঠা এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ ২ হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে। এই মামলায় সাক্ষী হিসেবে তালিকাভুক্ত আছেন মোট ৮১ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:৫৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৮৬ বার পড়া হয়েছে

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় শেখ হাসিনা-কামালদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে নাহিদ ইসলাম

আপডেট সময় ০২:৫৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ মোট তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে তিনি ট্রাইব্যুনালে পৌঁছান বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

দিনের শুরুতে, নাহিদের সাক্ষ্যের আগে, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান অবশিষ্ট সাক্ষ্য প্রদান করেন। তাঁর সাক্ষ্য শেষ হলে শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন তাঁকে জেরা করেন। এরপর নাহিদ ইসলামের জবানবন্দি নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে, গত ১০ জুলাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার করেছিলেন সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। সেদিন তিনি আদালতকে জানান, “জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় আমাদের বিরুদ্ধে যে হত্যা-গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য। আমি নিজেকে দোষী হিসেবে মেনে নিচ্ছি এবং রাজসাক্ষী হয়ে এ সংক্রান্ত তথ্য আদালতে তুলে ধরতে চাই।”

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ অভিযোগ গঠনের সময় মামুনের এই বক্তব্য রেকর্ড করে। একই দিনে আদালত শেখ হাসিনাসহ তিনজন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে এবং অব্যাহতির আবেদন খারিজের আদেশ দেন।

প্রসিকিউশনের তথ্যানুযায়ী, এ মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগের নথি ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার, যার মধ্যে তথ্যসূত্র ২ হাজার ১৮ পৃষ্ঠা, জব্দতালিকা ও অন্যান্য প্রমাণাদি ৪ হাজার ৫ পৃষ্ঠা এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ ২ হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠাজুড়ে রয়েছে। এই মামলায় সাক্ষী হিসেবে তালিকাভুক্ত আছেন মোট ৮১ জন।