ঢাকা ১২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo বিডিআর হত্যাকাণ্ডে নতুন তদন্ত কমিশন নয়, সুপারিশ বাস্তবায়নের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo অপহরণের খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা, এক ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্র উদ্ধার Logo দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল Logo বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আলী হোসেন ফকির Logo চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের, দগ্ধ আরও সাত Logo  জনগণের শক্তিকেই মূল ভরসা করে বিএনপি, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস নেই: মঈন খান Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ অনিয়ম তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ Logo গরমের ঈদে আরামদায়ক পাঞ্জাবির চাহিদা, বাজারে রং-নকশায় নতুনত্ব Logo এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি Logo ভিনিসিউসকে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগে বেনফিকার আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিষিদ্ধ

রাকসু নির্বাচনের ভোট গণনায় ব্যবহার হবে ওএমআর মেশিন: প্রধান নির্বাচন কমিশনার

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে এবার ফলাফল গণনায় ব্যবহার করা হবে ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) মেশিন। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কোষাধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রফেসর এফ নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ছাত্রদলসহ দুটি সংগঠন হাতে ভোট গোনার প্রস্তাব দিলেও তা বাস্তবসম্মত নয়। কারণ রাকসু, সিনেট ও হল সংসদ মিলিয়ে ভোটার সংখ্যা ২৮ হাজার ৯০৫ জন। ম্যানুয়ালি ভোট গুনলে ফলাফল পেতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। তাই ভোটগ্রহণ হবে ওএমআর শিটে এবং ফলাফলও গোনা হবে মেশিনের মাধ্যমে।

এর আগে দুপুরে ‘ইউনাইটেড ফর রাইটস’ নামে একটি প্যানেল তাদের ১১ জন প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে, তবে এতে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদের প্রার্থী রাখা হয়নি। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ে ‘ইন্ডিপেনডেন্ট স্টুডেন্ট অ্যালায়েন্স’ নামে নতুন একটি জোট গঠিত হয়েছে।

রাকসুতে এবার ২৪৮ জন এবং সিনেটে ৫৮ জন প্রার্থী লড়ছেন। ভিপি পদের জন্য ১৮ জন, জিএসের জন্য ১৪ জন এবং এজিএসের জন্য ১৬ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেছে, অন্য আটটি সংগঠন আংশিক প্যানেল দিয়েছে। হল সংসদের বিভিন্ন পদে প্রার্থী হয়েছেন প্রায় ৬০০ জন।

মোট ভোটার সংখ্যা ২৮ হাজার ৯০৫। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রোববার বিকেল ৩টায় সিনেট ভবনে লটারি করে প্রার্থীদের ব্যালট নম্বর ঘোষণা করা হবে এবং সন্ধ্যায় প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা। এরপর থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে পারবেন প্রতিদ্বন্দ্বীরা।

নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে আশ্বাস দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রফেসর এফ নজরুল ইসলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:১৮:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৬৫ বার পড়া হয়েছে

রাকসু নির্বাচনের ভোট গণনায় ব্যবহার হবে ওএমআর মেশিন: প্রধান নির্বাচন কমিশনার

আপডেট সময় ০৩:১৮:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে এবার ফলাফল গণনায় ব্যবহার করা হবে ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) মেশিন। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কোষাধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রফেসর এফ নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ছাত্রদলসহ দুটি সংগঠন হাতে ভোট গোনার প্রস্তাব দিলেও তা বাস্তবসম্মত নয়। কারণ রাকসু, সিনেট ও হল সংসদ মিলিয়ে ভোটার সংখ্যা ২৮ হাজার ৯০৫ জন। ম্যানুয়ালি ভোট গুনলে ফলাফল পেতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। তাই ভোটগ্রহণ হবে ওএমআর শিটে এবং ফলাফলও গোনা হবে মেশিনের মাধ্যমে।

এর আগে দুপুরে ‘ইউনাইটেড ফর রাইটস’ নামে একটি প্যানেল তাদের ১১ জন প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে, তবে এতে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদের প্রার্থী রাখা হয়নি। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ে ‘ইন্ডিপেনডেন্ট স্টুডেন্ট অ্যালায়েন্স’ নামে নতুন একটি জোট গঠিত হয়েছে।

রাকসুতে এবার ২৪৮ জন এবং সিনেটে ৫৮ জন প্রার্থী লড়ছেন। ভিপি পদের জন্য ১৮ জন, জিএসের জন্য ১৪ জন এবং এজিএসের জন্য ১৬ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেছে, অন্য আটটি সংগঠন আংশিক প্যানেল দিয়েছে। হল সংসদের বিভিন্ন পদে প্রার্থী হয়েছেন প্রায় ৬০০ জন।

মোট ভোটার সংখ্যা ২৮ হাজার ৯০৫। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রোববার বিকেল ৩টায় সিনেট ভবনে লটারি করে প্রার্থীদের ব্যালট নম্বর ঘোষণা করা হবে এবং সন্ধ্যায় প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা। এরপর থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে পারবেন প্রতিদ্বন্দ্বীরা।

নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে আশ্বাস দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রফেসর এফ নজরুল ইসলাম।