ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo অপহরণের খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা, এক ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্র উদ্ধার Logo দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল Logo বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আলী হোসেন ফকির Logo চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের, দগ্ধ আরও সাত Logo  জনগণের শক্তিকেই মূল ভরসা করে বিএনপি, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস নেই: মঈন খান Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ অনিয়ম তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ Logo গরমের ঈদে আরামদায়ক পাঞ্জাবির চাহিদা, বাজারে রং-নকশায় নতুনত্ব Logo এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি Logo ভিনিসিউসকে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগে বেনফিকার আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিষিদ্ধ Logo ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তার বদলি

রাঙামাটি জেলা পরিষদে শিক্ষক নিয়োগে কোটা বাতিলের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের শাটডাউন ঘোষণা

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

রাঙামাটিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত কোটাবিরোধী ঐক্যজোট, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং সচেতন নাগরিকদের ব্যানারের নেতারা আগামী সোমবার থেকে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছেন। দাবি পূরণ না হলে পরিষদের চেয়ারম্যানসহ সব সদস্যকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।

শনিবার (২২ নভেম্বর) রাতে শহরের বনরূপা এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীরা এই ঘোষণা দেন।

দীর্ঘদিন ধরে জেলা পরিষদের অধীনে পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা কাঠামো পরিবর্তনের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে আসছে। তাদের অভিযোগ, বর্তমান নীতির কারণে যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়নেও স্বচ্ছতা নেই।

আন্দোলনকারীরা ৬ দফা দাবিতে কোটা সংস্কারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। এর মধ্যে রয়েছে—

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ৯৩% মেধা ও ৭% কোটা অনুসরণ করে নিয়োগ নিশ্চিত করা,

প্রশ্নফাঁস রোধে জনপ্রশাসন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন,

প্রশ্ন তৈরির পর জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে সরকারি ট্রেজারিতে প্রশ্নপত্র সংরক্ষণ,

উত্তরপত্র মূল্যায়ন জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা,

নিয়োগ পরীক্ষার আগে উপজেলা কোটা পৃথক প্রজ্ঞাপনে প্রকাশ করা,

নিয়োগের পর প্রার্থীদের রোল, নাম ও ঠিকানা প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা।

এছাড়া বাঙালি ও তফসিলভুক্ত উপজাতীয় প্রার্থীদের ফলাফলের তালিকা আলাদাভাবে প্রকাশ এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৯৮৯ সালের জেলা পরিষদ আইনে উপজাতীয় অগ্রাধিকার নীতি ঠিকভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না— সে বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে বলে আন্দোলনকারীরা দাবি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:৫৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
৮৮ বার পড়া হয়েছে

রাঙামাটি জেলা পরিষদে শিক্ষক নিয়োগে কোটা বাতিলের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের শাটডাউন ঘোষণা

আপডেট সময় ০৯:৫৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

রাঙামাটিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত কোটাবিরোধী ঐক্যজোট, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং সচেতন নাগরিকদের ব্যানারের নেতারা আগামী সোমবার থেকে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছেন। দাবি পূরণ না হলে পরিষদের চেয়ারম্যানসহ সব সদস্যকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।

শনিবার (২২ নভেম্বর) রাতে শহরের বনরূপা এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীরা এই ঘোষণা দেন।

দীর্ঘদিন ধরে জেলা পরিষদের অধীনে পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা কাঠামো পরিবর্তনের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে আসছে। তাদের অভিযোগ, বর্তমান নীতির কারণে যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়নেও স্বচ্ছতা নেই।

আন্দোলনকারীরা ৬ দফা দাবিতে কোটা সংস্কারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। এর মধ্যে রয়েছে—

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ৯৩% মেধা ও ৭% কোটা অনুসরণ করে নিয়োগ নিশ্চিত করা,

প্রশ্নফাঁস রোধে জনপ্রশাসন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন,

প্রশ্ন তৈরির পর জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে সরকারি ট্রেজারিতে প্রশ্নপত্র সংরক্ষণ,

উত্তরপত্র মূল্যায়ন জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা,

নিয়োগ পরীক্ষার আগে উপজেলা কোটা পৃথক প্রজ্ঞাপনে প্রকাশ করা,

নিয়োগের পর প্রার্থীদের রোল, নাম ও ঠিকানা প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা।

এছাড়া বাঙালি ও তফসিলভুক্ত উপজাতীয় প্রার্থীদের ফলাফলের তালিকা আলাদাভাবে প্রকাশ এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৯৮৯ সালের জেলা পরিষদ আইনে উপজাতীয় অগ্রাধিকার নীতি ঠিকভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না— সে বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে বলে আন্দোলনকারীরা দাবি জানান।