ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প Logo প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ ও বদলিতে জেলা পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ Logo দেশ গড়ার যেকোনো পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি: জায়মা রহমান Logo শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি ও পটকা নিষিদ্ধ, জারি ডিএমপির কড়াকড়ি Logo কারাবন্দিদের জন্য প্রথমবার ডাকযোগে ভোটগ্রহণ শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত Logo ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা Logo র‌্যাবের নাম বদল, নতুন নাম ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ Logo বুড়িগঙ্গার পানি খেয়ে মাদকবর্জিত রাখার অঙ্গীকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর, ঢাকা-৮ Logo শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যাকাণ্ড: স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আটক Logo নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা: মাঠে দেড় লাখের বেশি পুলিশ, ঝুঁকিপূর্ণ আসনে বাড়তি সতর্কতা

সংসার ভাঙলো ধানুশ ও ঐশ্বরিয়ার

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

সংসার ভাঙলো ধানুশ ও ঐশ্বরিয়ার।

বলিউডে আবারও বিচ্ছেদ। সুর সম্রাট এ আর রহমানের বিচ্ছেদের রেশ কাটতে না কাটতেই বিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন দক্ষিণী তারকা ধানুশ ও ঐশ্বরিয়া। আদালতের মাধ্যমে ১৮ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছেন এ জুটি।

দক্ষিণী তারকা রজনীকান্তের মেয়ে ঐশ্বরিয়া। মেয়ের সংসার যেন না ভাঙে সে কারণে বাবা হিসেবে অনেক চেষ্টাই করেন রজনীকান্ত। চূড়ান্ত বিচ্ছেদের আগে ভাবার জন্য দুজনকে কিছু সময়ও নিতে অনুরোধ করেন তিনি।

 

তবে ধানুশ ও ঐশ্বরিয়া দুজনেই সে পরামর্শ মানলেও শেষমেষ ডিভোর্সের সিদ্ধান্তকেই সঠিক বলে মনে করেন। এ কারণে আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চেন্নাইয়ের একটি আদালতে বিচ্ছেদের বিষয়টি চূড়ান্ত করেন তারা।
 
ধানুশ ও ঐশ্বরিয়ার সম্মিলিত ইচ্ছায় বুধবার (২৭ নভেম্বর) আদালতে সংসার জীবনের ইতি টানেন এ জুটি। হাতে পান ডিভোর্সের চূড়ান্ত কাগজপত্র।
 
আদালতে জানান, নিজেদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন ধানুশ ও ঐশ্বরিয়া। সিদ্ধান্ত হয়েছে, বিচ্ছেদের পর দুজনেই তাদের সন্তানদের দায়িত্ব যৌথভাবে পালন করবেন।
 
২০২২ সালে সর্বপ্রথম সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের বিচ্ছেদের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন ধানুশ। ঘোষণা দেন আলাদা থাকার। একই বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় করেন ঐশ্বরিয়াও। বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আদালতে আবেদনও করেন তারা।
 
 
এ আবেদনের প্রেক্ষিতে গত দুই বছরে সর্বমোট তিনটি শুনানি হয়। তারই সবশেষ শুনানি ছিল ২৭ নভেম্বর। ওই দিনই বিচ্ছেদের চূড়ান্ত কাগজ হাতে পান এ জুটি।
 
 
উল্লেখ্য, সিনেমায় ধানুশের অভিনয় দেখে মুগ্ধ হন ঐশ্বরিয়া। এরপর ২০০৪ সালে ধানুশকে বিয়ে করেন তিনি। সুখের সংসারে তাদের ইয়াত্রা ও লিঙ্গা নামের দুই ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। এরপর হঠাৎই বিচ্ছেদের ঝড় ওঠে তাদের জীবনে।
 
  

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:৩১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৪
১৪৫ বার পড়া হয়েছে

সংসার ভাঙলো ধানুশ ও ঐশ্বরিয়ার

আপডেট সময় ১১:৩১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৪

সংসার ভাঙলো ধানুশ ও ঐশ্বরিয়ার।

বলিউডে আবারও বিচ্ছেদ। সুর সম্রাট এ আর রহমানের বিচ্ছেদের রেশ কাটতে না কাটতেই বিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন দক্ষিণী তারকা ধানুশ ও ঐশ্বরিয়া। আদালতের মাধ্যমে ১৮ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছেন এ জুটি।

দক্ষিণী তারকা রজনীকান্তের মেয়ে ঐশ্বরিয়া। মেয়ের সংসার যেন না ভাঙে সে কারণে বাবা হিসেবে অনেক চেষ্টাই করেন রজনীকান্ত। চূড়ান্ত বিচ্ছেদের আগে ভাবার জন্য দুজনকে কিছু সময়ও নিতে অনুরোধ করেন তিনি।

 

তবে ধানুশ ও ঐশ্বরিয়া দুজনেই সে পরামর্শ মানলেও শেষমেষ ডিভোর্সের সিদ্ধান্তকেই সঠিক বলে মনে করেন। এ কারণে আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চেন্নাইয়ের একটি আদালতে বিচ্ছেদের বিষয়টি চূড়ান্ত করেন তারা।
 
ধানুশ ও ঐশ্বরিয়ার সম্মিলিত ইচ্ছায় বুধবার (২৭ নভেম্বর) আদালতে সংসার জীবনের ইতি টানেন এ জুটি। হাতে পান ডিভোর্সের চূড়ান্ত কাগজপত্র।
 
আদালতে জানান, নিজেদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন ধানুশ ও ঐশ্বরিয়া। সিদ্ধান্ত হয়েছে, বিচ্ছেদের পর দুজনেই তাদের সন্তানদের দায়িত্ব যৌথভাবে পালন করবেন।
 
২০২২ সালে সর্বপ্রথম সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের বিচ্ছেদের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন ধানুশ। ঘোষণা দেন আলাদা থাকার। একই বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় করেন ঐশ্বরিয়াও। বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আদালতে আবেদনও করেন তারা।
 
 
এ আবেদনের প্রেক্ষিতে গত দুই বছরে সর্বমোট তিনটি শুনানি হয়। তারই সবশেষ শুনানি ছিল ২৭ নভেম্বর। ওই দিনই বিচ্ছেদের চূড়ান্ত কাগজ হাতে পান এ জুটি।
 
 
উল্লেখ্য, সিনেমায় ধানুশের অভিনয় দেখে মুগ্ধ হন ঐশ্বরিয়া। এরপর ২০০৪ সালে ধানুশকে বিয়ে করেন তিনি। সুখের সংসারে তাদের ইয়াত্রা ও লিঙ্গা নামের দুই ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। এরপর হঠাৎই বিচ্ছেদের ঝড় ওঠে তাদের জীবনে।