ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo মোস্তাফিজের হাঁটুর চোট নিয়ে আপডেট Logo হামলার ঠিক আগে কক্ষ ছাড়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পান মোজতবা খামেনি Logo ঈদে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানি Logo জনকল্যাণে কাজ করে দৃষ্টান্ত গড়বে বিরোধীদল: জামায়াত আমির Logo আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের Logo ট্রাম্প চাইলে পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন : ইরানের কড়া বার্তা Logo আগামী বছর থেকে স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি আর থাকবে না Logo বাংলাদেশ-ভারতের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা Logo হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প

সাইফের ওপর হামলাকারী বাংলাদেশের কুস্তিগির ছিলেন: মুম্বাই পুলিশ

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

সাইফের ওপর হামলাকারী বাংলাদেশের কুস্তিগির ছিলেন: মুম্বাই পুলিশ।

বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের ওপর হামলায় অবশেষে পুলিশি হেফাজতে নিজের দোষ স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম শেহজাদ। মূল অভিযুক্ত বাংলাদেশের নাগরিক বলে ধারণা মুম্বাই পুলিশের। অভিযুক্ত জানিয়েছেন আরও নতুন তথ্য।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন বলছে, পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের প্রথম দিন পেরোতেই জেরার মুখে দোষ স্বীকার করেছেন শেহজাদ। এরইমধ্যে রেকর্ড করা হয়েছে শেহজাদের বয়ান। বয়ানে দোষ স্বীকার করে তিনি বলেন, হ্যাঁ আমিই করেছি।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) রাতে বলিউড তারকা সাইফের ওপর হামলা প্রসঙ্গে সিনিয়র পুলিশ অফিসার দীক্ষিত গেদাম সংবাদমাধ্যমে বলেন, অপরাধী তার দোষ স্বীকার করেছেন। জানিয়েছেন, তিনিই সাইফের হামলাকারী। ডাকাতির উদ্দেশেই তিনি এ হামলার ঘটনা ঘটান।

পুলিশ সূত্র বলছে, ৩০ বছর বয়সী শরিফুল তাদের জানিয়েছেন যে ভারতে আসার আগে তিনি বাংলাদেশে কুস্তি করতেন। তার দাবি, জেলা ও জাতীয় স্তরের কুস্তি চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়েছেন তিনি। কুস্তিবিদ বলেই সাইফকে আক্রমণের সময় তার গায়ে এতটুকু আঁচড় লাগেনি বলে অভিযুক্ত দাবি করেছেন। গত আগস্টে মুম্বাইয়ে এসেছেন অভিযুক্ত। তারপর থেকে ভারতে নানা জায়গায় কাজ করেছেন শরিফুল।

আরও জানা গেছে, অভিযুক্ত প্রথম আটতলা পর্যন্ত সিঁড়ি দিয়ে উঠেছিলেন। এরপর ডাক্ট এরিয়া দিয়ে পাইপ বেয়ে উঠে ১৩ তলা পৌঁছে গিয়েছিলেন। এরপর বাথরুমের কাচ ভেঙে তৈমুর-জেহর বেডরুমে পৌঁছে গিয়েছিলেন সেই ব্যক্তি। অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে দেখে ভয়ে চিৎকার করে উঠেছিলেন সাইফ-কারিনার বাসার পরিচারিকা। এরপরই সাইফের ওপর হামলার ঘটনাটি ঘটেছিল।

 
এদিকে শেহজাদের আইনজীবী সন্দ্বীপ ডি শেরখান ভিন্ন তথ্য দিয়ে বলেছেন, শেহজাদ চার মাস নয় বরং দীর্ঘদিন ধরেই ভারতে বসবাস করছেন। ভারতে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রই তার রয়েছে। শুধু তাই নয়, শেহজাদের পরিবারও ভারতেই থাকেন।
শেরখান আরও বলেন, তার মক্কেল বাংলাদেশি নন। যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে তার পুরোটাই অনুমান নির্ভর।
 
বুধবার (১৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মুম্বাইয়ের বান্দ্রার নিজ বাড়িতে হামলার শিকার হন সাইফ আলি খান। হামলার পর রক্তাক্ত সাইফকে ভর্তি করা হয় লীলাবতী হাসপাতালে।
 
 
সেখানে সফল অস্ত্রোপচার শেষে এখন লীলাবতী হাসপাতালেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিচ্ছেন সাইফ। আগামী ২১ জানুয়ারি হাসপাতাল ছাড়তে পারেন ভারতের ছোট নবাবখ্যাত এ বলিউড তারকা। 
 
 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:২১:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫
১২৭ বার পড়া হয়েছে

সাইফের ওপর হামলাকারী বাংলাদেশের কুস্তিগির ছিলেন: মুম্বাই পুলিশ

আপডেট সময় ১০:২১:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫

সাইফের ওপর হামলাকারী বাংলাদেশের কুস্তিগির ছিলেন: মুম্বাই পুলিশ।

বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের ওপর হামলায় অবশেষে পুলিশি হেফাজতে নিজের দোষ স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম শেহজাদ। মূল অভিযুক্ত বাংলাদেশের নাগরিক বলে ধারণা মুম্বাই পুলিশের। অভিযুক্ত জানিয়েছেন আরও নতুন তথ্য।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন বলছে, পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের প্রথম দিন পেরোতেই জেরার মুখে দোষ স্বীকার করেছেন শেহজাদ। এরইমধ্যে রেকর্ড করা হয়েছে শেহজাদের বয়ান। বয়ানে দোষ স্বীকার করে তিনি বলেন, হ্যাঁ আমিই করেছি।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) রাতে বলিউড তারকা সাইফের ওপর হামলা প্রসঙ্গে সিনিয়র পুলিশ অফিসার দীক্ষিত গেদাম সংবাদমাধ্যমে বলেন, অপরাধী তার দোষ স্বীকার করেছেন। জানিয়েছেন, তিনিই সাইফের হামলাকারী। ডাকাতির উদ্দেশেই তিনি এ হামলার ঘটনা ঘটান।

পুলিশ সূত্র বলছে, ৩০ বছর বয়সী শরিফুল তাদের জানিয়েছেন যে ভারতে আসার আগে তিনি বাংলাদেশে কুস্তি করতেন। তার দাবি, জেলা ও জাতীয় স্তরের কুস্তি চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়েছেন তিনি। কুস্তিবিদ বলেই সাইফকে আক্রমণের সময় তার গায়ে এতটুকু আঁচড় লাগেনি বলে অভিযুক্ত দাবি করেছেন। গত আগস্টে মুম্বাইয়ে এসেছেন অভিযুক্ত। তারপর থেকে ভারতে নানা জায়গায় কাজ করেছেন শরিফুল।

আরও জানা গেছে, অভিযুক্ত প্রথম আটতলা পর্যন্ত সিঁড়ি দিয়ে উঠেছিলেন। এরপর ডাক্ট এরিয়া দিয়ে পাইপ বেয়ে উঠে ১৩ তলা পৌঁছে গিয়েছিলেন। এরপর বাথরুমের কাচ ভেঙে তৈমুর-জেহর বেডরুমে পৌঁছে গিয়েছিলেন সেই ব্যক্তি। অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে দেখে ভয়ে চিৎকার করে উঠেছিলেন সাইফ-কারিনার বাসার পরিচারিকা। এরপরই সাইফের ওপর হামলার ঘটনাটি ঘটেছিল।

 
এদিকে শেহজাদের আইনজীবী সন্দ্বীপ ডি শেরখান ভিন্ন তথ্য দিয়ে বলেছেন, শেহজাদ চার মাস নয় বরং দীর্ঘদিন ধরেই ভারতে বসবাস করছেন। ভারতে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রই তার রয়েছে। শুধু তাই নয়, শেহজাদের পরিবারও ভারতেই থাকেন।
শেরখান আরও বলেন, তার মক্কেল বাংলাদেশি নন। যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে তার পুরোটাই অনুমান নির্ভর।
 
বুধবার (১৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মুম্বাইয়ের বান্দ্রার নিজ বাড়িতে হামলার শিকার হন সাইফ আলি খান। হামলার পর রক্তাক্ত সাইফকে ভর্তি করা হয় লীলাবতী হাসপাতালে।
 
 
সেখানে সফল অস্ত্রোপচার শেষে এখন লীলাবতী হাসপাতালেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিচ্ছেন সাইফ। আগামী ২১ জানুয়ারি হাসপাতাল ছাড়তে পারেন ভারতের ছোট নবাবখ্যাত এ বলিউড তারকা।