ঢাকা ১১:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo জ্বালানি তেল নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই, পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে: জ্বালানি মন্ত্রী Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন: সিটি করপোরেশন ভোটে বড় বাধা দেখছে না নির্বাচন কমিশন Logo আন্তর্জাতিক নারী দিবসে ‘অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া Logo ঐতিহাসিক ৭ মার্চ: স্বাধীনতার সংগ্রামে বাঙালিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন বঙ্গবন্ধু Logo রাজধানীর পেট্রোল পাম্পে তেলের চাপ, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ফিরছেন অনেক চালক Logo উত্তরার কামারপাড়ায় গ্যাস লাইনের লিকেজে বিস্ফোরণ, নারী-শিশুসহ দগ্ধ ১০ Logo মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগে বাংলাদেশ, জ্বালানি ও বাণিজ্যে সম্ভাব্য প্রভাবের শঙ্কা Logo চলচ্চিত্র নির্মাণে ‘পিচ ডেক’-এর গুরুত্ব তুলে ধরতে ফিল্ম আর্কাইভে কর্মশালা Logo উত্তর কোরিয়ার নতুন ডেস্ট্রয়ার থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, উপস্থিত ছিলেন কিম জং-উন Logo লক্ষ্মীপুরে ঝগড়া মেটাতে গিয়ে ঘুষিতে প্রাণ হারালেন যুবদল নেতা

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: সিটি করপোরেশন ভোটে বড় বাধা দেখছে না নির্বাচন কমিশন

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা জোরদার হয়েছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রথম ধাপে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করতে চায়।
আইন অনুযায়ী কোনো সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বিধান রয়েছে। সেই হিসেবে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়াদ গত বছরেই শেষ হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে আপাতত বড় কোনো চ্যালেঞ্জ দেখছেন না তারা। তবে বিষয়টি নিয়ে কমিশনের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, প্রথমে একটি সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে। এরপর সেই পরিকল্পনার ভিত্তিতে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো পর্যালোচনা করা হবে। বর্তমানে বড় কোনো সমস্যা চোখে পড়ছে না। কমিশন বৈঠকে বসে নির্বাচনী রোডম্যাপ চূড়ান্ত করবে এবং এরপর ধাপে ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার মনে করেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার পরিচালনা করা জরুরি। তিনি বলেন, দ্রুত স্থানীয় নির্বাচন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ হলেও দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে প্রভাবের আশঙ্কা থেকে যায়। তাই এ বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তার মতে, বিদ্যমান সিটি করপোরেশন আইন মোটামুটি গ্রহণযোগ্য এবং এই আইনের আওতায় নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদও স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রশাসক নিয়োগের পরিবর্তে আগের প্রতিনিধিরা দায়িত্বে থাকা অবস্থায় নির্বাচন হলে তা আরও গ্রহণযোগ্য হতো। কারণ নির্বাচিত প্রতিনিধিরা পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব পান, ফলে তারা দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে পারেন। কিন্তু প্রশাসকরা সাধারণত অস্থায়ী দায়িত্বে থাকেন, যার কারণে কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনায় কিছুটা বাধা তৈরি হতে পারে।
এদিকে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম কর্মদিবসেই দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের কথা বলেছিলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে এর এক সপ্তাহের মধ্যেই সরকার সিটি করপোরেশনগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৪৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
৫ বার পড়া হয়েছে

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: সিটি করপোরেশন ভোটে বড় বাধা দেখছে না নির্বাচন কমিশন

আপডেট সময় ১০:৪৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনা জোরদার হয়েছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রথম ধাপে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করতে চায়।
আইন অনুযায়ী কোনো সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বিধান রয়েছে। সেই হিসেবে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়াদ গত বছরেই শেষ হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে আপাতত বড় কোনো চ্যালেঞ্জ দেখছেন না তারা। তবে বিষয়টি নিয়ে কমিশনের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, প্রথমে একটি সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে। এরপর সেই পরিকল্পনার ভিত্তিতে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো পর্যালোচনা করা হবে। বর্তমানে বড় কোনো সমস্যা চোখে পড়ছে না। কমিশন বৈঠকে বসে নির্বাচনী রোডম্যাপ চূড়ান্ত করবে এবং এরপর ধাপে ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার মনে করেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার পরিচালনা করা জরুরি। তিনি বলেন, দ্রুত স্থানীয় নির্বাচন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ হলেও দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে প্রভাবের আশঙ্কা থেকে যায়। তাই এ বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তার মতে, বিদ্যমান সিটি করপোরেশন আইন মোটামুটি গ্রহণযোগ্য এবং এই আইনের আওতায় নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদও স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রশাসক নিয়োগের পরিবর্তে আগের প্রতিনিধিরা দায়িত্বে থাকা অবস্থায় নির্বাচন হলে তা আরও গ্রহণযোগ্য হতো। কারণ নির্বাচিত প্রতিনিধিরা পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব পান, ফলে তারা দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে পারেন। কিন্তু প্রশাসকরা সাধারণত অস্থায়ী দায়িত্বে থাকেন, যার কারণে কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনায় কিছুটা বাধা তৈরি হতে পারে।
এদিকে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম কর্মদিবসেই দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের কথা বলেছিলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে এর এক সপ্তাহের মধ্যেই সরকার সিটি করপোরেশনগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ দেয়।