ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo দায়িত্বে অনুপস্থিতি: রাঙ্গামাটির এক সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার সাময়িক বরখাস্ত Logo নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে নারীর অগ্রযাত্রা জরুরি: জুবাইদা রহমান Logo আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ: অধিকার, ন্যায়বিচার ও উদ্যোগের বার্তা Logo পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস: দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি, তাপমাত্রায় সামান্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত Logo জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শন, নানা অনিয়মের চিত্র Logo জ্বালানি তেল নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই, পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে: জ্বালানি মন্ত্রী Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন: সিটি করপোরেশন ভোটে বড় বাধা দেখছে না নির্বাচন কমিশন Logo আন্তর্জাতিক নারী দিবসে ‘অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া Logo ঐতিহাসিক ৭ মার্চ: স্বাধীনতার সংগ্রামে বাঙালিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন বঙ্গবন্ধু Logo রাজধানীর পেট্রোল পাম্পে তেলের চাপ, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ফিরছেন অনেক চালক

১৯৪৬ সালে হ্যারি ট্রুম্যান গ্রিনল্যান্ড ১০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ক্রয় করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

১৯৪৬ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান ১০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ট্রুম্যান ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম প্রেসিডেন্ট। কিন্তু বিশ্বের বৃহত্তম এই দ্বীপটি কেনার ভাবনা তখন অনেকেই মানতে পারেননি। কারণ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ডিকলোনাইজেশনের সময় একটি স্বাধীন দেশের সম্পূর্ণ অঞ্চল কেনা রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হত।

তবে মার্কিন সরকার সেই সময়ে গ্রিনল্যান্ডের কিছু অংশে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য লিজ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল। সম্পূর্ণ দ্বীপ কিনে নেওয়ার চিন্তা তখন কোনো প্রেসিডেন্টের মুখে ওঠেনি, ট্রাম্পের আগে এমন সাহসিকতা কেউ দেখাননি।

গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ, আয়তন হিসেবে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৫ গুণ বড়। দ্বীপটির ৮০ শতাংশ বরফে ঢাকা হলেও, সেখানে বসবাসকারী মানুষ কম। তবে দ্বীপটিতে রয়েছে বিপুল মৎস্যসম্পদ, বিশুদ্ধ পানি, বিরল প্রাণিবৈচিত্র্য এবং অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

এছাড়াও গ্রিনল্যান্ডে কম্পিউটার, স্মার্টফোন ও ব্যাটারিচালিত গাড়ির জন্য প্রয়োজনীয় দুষ্প্রাপ্য খনিজ পদার্থ রয়েছে। ইউরেনিয়াম ও জিংকের মজুতও আছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ক্রয় করতে সক্ষম হন, তবে এটি শিল্পজাত খনিজ পদার্থের ক্ষেত্রে চীনের প্রভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
৩৯ বার পড়া হয়েছে

১৯৪৬ সালে হ্যারি ট্রুম্যান গ্রিনল্যান্ড ১০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ক্রয় করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন

আপডেট সময় ০৯:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

১৯৪৬ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান ১০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ট্রুম্যান ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম প্রেসিডেন্ট। কিন্তু বিশ্বের বৃহত্তম এই দ্বীপটি কেনার ভাবনা তখন অনেকেই মানতে পারেননি। কারণ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ডিকলোনাইজেশনের সময় একটি স্বাধীন দেশের সম্পূর্ণ অঞ্চল কেনা রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হত।

তবে মার্কিন সরকার সেই সময়ে গ্রিনল্যান্ডের কিছু অংশে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের জন্য লিজ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল। সম্পূর্ণ দ্বীপ কিনে নেওয়ার চিন্তা তখন কোনো প্রেসিডেন্টের মুখে ওঠেনি, ট্রাম্পের আগে এমন সাহসিকতা কেউ দেখাননি।

গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ, আয়তন হিসেবে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৫ গুণ বড়। দ্বীপটির ৮০ শতাংশ বরফে ঢাকা হলেও, সেখানে বসবাসকারী মানুষ কম। তবে দ্বীপটিতে রয়েছে বিপুল মৎস্যসম্পদ, বিশুদ্ধ পানি, বিরল প্রাণিবৈচিত্র্য এবং অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

এছাড়াও গ্রিনল্যান্ডে কম্পিউটার, স্মার্টফোন ও ব্যাটারিচালিত গাড়ির জন্য প্রয়োজনীয় দুষ্প্রাপ্য খনিজ পদার্থ রয়েছে। ইউরেনিয়াম ও জিংকের মজুতও আছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ক্রয় করতে সক্ষম হন, তবে এটি শিল্পজাত খনিজ পদার্থের ক্ষেত্রে চীনের প্রভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে।