ঢাকা ১০:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo অপহরণের খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা, এক ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্র উদ্ধার Logo দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল Logo বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আলী হোসেন ফকির Logo চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের, দগ্ধ আরও সাত Logo  জনগণের শক্তিকেই মূল ভরসা করে বিএনপি, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস নেই: মঈন খান Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ অনিয়ম তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ Logo গরমের ঈদে আরামদায়ক পাঞ্জাবির চাহিদা, বাজারে রং-নকশায় নতুনত্ব Logo এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি Logo ভিনিসিউসকে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগে বেনফিকার আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিষিদ্ধ Logo ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তার বদলি

১ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপকে ঘিরে দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায় আগামী ১ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হবে। মামলাটিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, যুক্তরাজ্যের এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ মোট ১৭ জন অভিযুক্ত। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগ করে যে, শেখ রেহানা অবৈধভাবে ১০ কাঠা জমি পেয়েছিলেন।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) আদালতের বেঞ্চ সহকারী বেলাল হোসেন জানান, ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ করে এদিন রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন।

দুদকের আইনজীবীদের দাবি, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে শেখ হাসিনা সরকারি প্লট বরাদ্দে অনিয়ম করেছেন এবং জাল নথির মাধ্যমে এ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছিল। তাদের মতে, মামলার প্রধান আসামিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা—যাবজ্জীবন কারাদণ্ড—হতে পারে।

মামলার নথিতে উল্লেখ আছে, পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দের সময় শেখ রেহানা তার পরিবারের জন্য জমি চেয়ে আবেদন করেন এবং পরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজউককে বরাদ্দ অনুমোদনের নির্দেশ দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, রেহানা একটি মিথ্যা হলফনামা জমা দিয়ে জমির মালিকানা নেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে।

৩২ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, কাগজপত্র, সরকারি নির্দেশনা ও বিভিন্ন নথিপত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়। যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক আগামী ১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

সাক্ষীদের বক্তব্যে আরও দাবি করা হয়, টিউলিপ সিদ্দিক তার মায়ের জন্য প্লট বরাদ্দের বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। যদিও তিনি নিজে কোনো জমি নেননি, তবুও এই অভিযোগের কারণে তিনি মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসামি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। দুদকের পক্ষের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধেও কঠোর সাজা হতে পারে।

এ মামলায় গ্রেপ্তার থাকা একমাত্র আসামি—রাজউকের সাবেক কর্মকর্তা খুরশিদ আলমের আইনজীবী জানান, তিনি কেবল ঊর্ধ্বতনের নির্দেশ অনুসরণ করেছিলেন এবং এজন্য তাকে দায়ী করা উচিত নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
৪১ বার পড়া হয়েছে

১ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপকে ঘিরে দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা

আপডেট সময় ০৩:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায় আগামী ১ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হবে। মামলাটিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, যুক্তরাজ্যের এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ মোট ১৭ জন অভিযুক্ত। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগ করে যে, শেখ রেহানা অবৈধভাবে ১০ কাঠা জমি পেয়েছিলেন।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) আদালতের বেঞ্চ সহকারী বেলাল হোসেন জানান, ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ করে এদিন রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন।

দুদকের আইনজীবীদের দাবি, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে শেখ হাসিনা সরকারি প্লট বরাদ্দে অনিয়ম করেছেন এবং জাল নথির মাধ্যমে এ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছিল। তাদের মতে, মামলার প্রধান আসামিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা—যাবজ্জীবন কারাদণ্ড—হতে পারে।

মামলার নথিতে উল্লেখ আছে, পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দের সময় শেখ রেহানা তার পরিবারের জন্য জমি চেয়ে আবেদন করেন এবং পরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজউককে বরাদ্দ অনুমোদনের নির্দেশ দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, রেহানা একটি মিথ্যা হলফনামা জমা দিয়ে জমির মালিকানা নেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে।

৩২ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, কাগজপত্র, সরকারি নির্দেশনা ও বিভিন্ন নথিপত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়। যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক আগামী ১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

সাক্ষীদের বক্তব্যে আরও দাবি করা হয়, টিউলিপ সিদ্দিক তার মায়ের জন্য প্লট বরাদ্দের বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। যদিও তিনি নিজে কোনো জমি নেননি, তবুও এই অভিযোগের কারণে তিনি মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসামি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। দুদকের পক্ষের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধেও কঠোর সাজা হতে পারে।

এ মামলায় গ্রেপ্তার থাকা একমাত্র আসামি—রাজউকের সাবেক কর্মকর্তা খুরশিদ আলমের আইনজীবী জানান, তিনি কেবল ঊর্ধ্বতনের নির্দেশ অনুসরণ করেছিলেন এবং এজন্য তাকে দায়ী করা উচিত নয়।