ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo হিজাব পরা নারী প্রধানমন্ত্রী প্রসঙ্গে তর্কে জড়ালেন ওয়াইসি ও হিমন্ত Logo সীমান্তে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে প্রাণ গেল বাংলাদেশি শিশুর Logo জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন: আজ প্রসিকিউশনের শুনানি Logo ঢাকা ও আশপাশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমার আভাস Logo আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২২ ক্যারেট সোনা ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা Logo ২২ বছর পর আফকন সেমিফাইনালে মরক্কো, ক্যামেরুনকে হারিয়ে শেষ চারে Logo ইসিতে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ৫২ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা Logo সীমানা সংক্রান্ত আপিল বিভাগের আদেশে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের ভোট স্থগিত Logo বিচ্ছেদের বিষয়টি সত্য বলে স্বীকার করলেন তাহসান Logo তামিমকে নিয়ে ওই মন্তব্য করা ঠিক হয়নি—ইফতেখার মিঠু

১ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপকে ঘিরে দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা

নিজস্ব সংবাদ :

ছবি সংগৃহীত

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায় আগামী ১ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হবে। মামলাটিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, যুক্তরাজ্যের এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ মোট ১৭ জন অভিযুক্ত। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগ করে যে, শেখ রেহানা অবৈধভাবে ১০ কাঠা জমি পেয়েছিলেন।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) আদালতের বেঞ্চ সহকারী বেলাল হোসেন জানান, ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ করে এদিন রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন।

দুদকের আইনজীবীদের দাবি, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে শেখ হাসিনা সরকারি প্লট বরাদ্দে অনিয়ম করেছেন এবং জাল নথির মাধ্যমে এ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছিল। তাদের মতে, মামলার প্রধান আসামিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা—যাবজ্জীবন কারাদণ্ড—হতে পারে।

মামলার নথিতে উল্লেখ আছে, পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দের সময় শেখ রেহানা তার পরিবারের জন্য জমি চেয়ে আবেদন করেন এবং পরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজউককে বরাদ্দ অনুমোদনের নির্দেশ দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, রেহানা একটি মিথ্যা হলফনামা জমা দিয়ে জমির মালিকানা নেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে।

৩২ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, কাগজপত্র, সরকারি নির্দেশনা ও বিভিন্ন নথিপত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়। যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক আগামী ১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

সাক্ষীদের বক্তব্যে আরও দাবি করা হয়, টিউলিপ সিদ্দিক তার মায়ের জন্য প্লট বরাদ্দের বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। যদিও তিনি নিজে কোনো জমি নেননি, তবুও এই অভিযোগের কারণে তিনি মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসামি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। দুদকের পক্ষের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধেও কঠোর সাজা হতে পারে।

এ মামলায় গ্রেপ্তার থাকা একমাত্র আসামি—রাজউকের সাবেক কর্মকর্তা খুরশিদ আলমের আইনজীবী জানান, তিনি কেবল ঊর্ধ্বতনের নির্দেশ অনুসরণ করেছিলেন এবং এজন্য তাকে দায়ী করা উচিত নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
৩১ বার পড়া হয়েছে

১ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপকে ঘিরে দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা

আপডেট সময় ০৩:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায় আগামী ১ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হবে। মামলাটিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, যুক্তরাজ্যের এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ মোট ১৭ জন অভিযুক্ত। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগ করে যে, শেখ রেহানা অবৈধভাবে ১০ কাঠা জমি পেয়েছিলেন।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) আদালতের বেঞ্চ সহকারী বেলাল হোসেন জানান, ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ করে এদিন রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন।

দুদকের আইনজীবীদের দাবি, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে শেখ হাসিনা সরকারি প্লট বরাদ্দে অনিয়ম করেছেন এবং জাল নথির মাধ্যমে এ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছিল। তাদের মতে, মামলার প্রধান আসামিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা—যাবজ্জীবন কারাদণ্ড—হতে পারে।

মামলার নথিতে উল্লেখ আছে, পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দের সময় শেখ রেহানা তার পরিবারের জন্য জমি চেয়ে আবেদন করেন এবং পরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজউককে বরাদ্দ অনুমোদনের নির্দেশ দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, রেহানা একটি মিথ্যা হলফনামা জমা দিয়ে জমির মালিকানা নেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে।

৩২ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, কাগজপত্র, সরকারি নির্দেশনা ও বিভিন্ন নথিপত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়। যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক আগামী ১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

সাক্ষীদের বক্তব্যে আরও দাবি করা হয়, টিউলিপ সিদ্দিক তার মায়ের জন্য প্লট বরাদ্দের বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। যদিও তিনি নিজে কোনো জমি নেননি, তবুও এই অভিযোগের কারণে তিনি মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসামি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। দুদকের পক্ষের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধেও কঠোর সাজা হতে পারে।

এ মামলায় গ্রেপ্তার থাকা একমাত্র আসামি—রাজউকের সাবেক কর্মকর্তা খুরশিদ আলমের আইনজীবী জানান, তিনি কেবল ঊর্ধ্বতনের নির্দেশ অনুসরণ করেছিলেন এবং এজন্য তাকে দায়ী করা উচিত নয়।