ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo মা-বোনের প্রতি অসম্মানকারীদের কাছ থেকে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: তারেক রহমান Logo ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প Logo প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ ও বদলিতে জেলা পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ Logo দেশ গড়ার যেকোনো পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি: জায়মা রহমান Logo শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি ও পটকা নিষিদ্ধ, জারি ডিএমপির কড়াকড়ি Logo কারাবন্দিদের জন্য প্রথমবার ডাকযোগে ভোটগ্রহণ শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত Logo ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেটের ভরি ছাড়াল ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা Logo র‌্যাবের নাম বদল, নতুন নাম ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’ Logo বুড়িগঙ্গার পানি খেয়ে মাদকবর্জিত রাখার অঙ্গীকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর, ঢাকা-৮ Logo শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যাকাণ্ড: স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আটক

‘একদম শুইয়ে দেব’, কোয়াব ম্যাচ ঘিরে মজার চ্যালেঞ্জ শান্তর

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত একটি প্রীতি ম্যাচে আগামীকাল (১৬ ডিসেম্বর) মুখোমুখি হতে যাচ্ছে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দুই দল। জাতীয় দল ও এর আশপাশের ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠিত এই ম্যাচটি আয়োজন করা হয়েছে অসহায় ক্রিকেটারদের সহায়তায় তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যে।

ম্যাচ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনটি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। আনুষ্ঠানিকতার বদলে কোচ ও দুই অধিনায়ক হাজির হন সাংবাদিকদের সঙ্গে আড্ডার পরিবেশে। পুরো সময়জুড়ে ছিল হাসি-ঠাট্টা আর মজার মন্তব্য। বিশেষ করে টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ছিলেন সবচেয়ে প্রাণবন্ত। ম্যাচ নিয়ে নিজের উত্তেজনার কথা জানাতে গিয়ে তিনি রসিকতার ছলে বলেন, এমন ম্যাচ আগে খেলার সুযোগ হয়নি, ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই নেই—একদম শুইয়ে দেওয়ার ইচ্ছে তার।

প্রস্তুতি প্রসঙ্গে শান্ত আরও মজা করে বলেন, এখন পর্যন্ত লড়াইটা কেবল কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। মাঠে গিয়ে কী হবে, সেটা দেখার বিষয়—হতে পারে প্রতিপক্ষকে শুইয়ে দেবেন, আবার নিজেই শুয়ে পড়বেন। সবই সম্ভব।

মেহেদী মিরাজের দলে রয়েছেন কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন। বিষয়টি নিয়েও ঠাট্টা করতে ভোলেননি শান্ত। তার ভাষ্য, বেশি হুঙ্কার দেওয়ার সুযোগ নেই, কারণ ওটা ‘কমিটির দল’। তাই নিরাপদ সীমার মধ্যেই থাকতে হবে।

এছাড়া শান্ত মজার ছলে জানান, নিজের দলের কয়েকজন খেলোয়াড় খেলতে না পারায় তিনি একটু চিন্তিত। এমনকি সন্দেহ করছেন, কেউ কেউ হয়তো ফোন পেয়ে ভয় পেয়ে গেছে!

সব হাসি-ঠাট্টার বাইরে গিয়ে ম্যাচের মূল উদ্দেশ্যের কথাও তুলে ধরেন শান্ত। তিনি বলেন, কোয়াব এবং সংশ্লিষ্টদের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। নিয়মিতভাবে এমন আয়োজন করা গেলে বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য তা অনেক উপকার বয়ে আনবে। এই ম্যাচের মাধ্যমে যে তহবিল সংগ্রহ করা হবে, তা ভবিষ্যতে ক্রিকেটারদের সহায়তায় কাজে লাগানো যাবে—এটাই পুরো আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
৭১ বার পড়া হয়েছে

‘একদম শুইয়ে দেব’, কোয়াব ম্যাচ ঘিরে মজার চ্যালেঞ্জ শান্তর

আপডেট সময় ১২:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত একটি প্রীতি ম্যাচে আগামীকাল (১৬ ডিসেম্বর) মুখোমুখি হতে যাচ্ছে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দুই দল। জাতীয় দল ও এর আশপাশের ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠিত এই ম্যাচটি আয়োজন করা হয়েছে অসহায় ক্রিকেটারদের সহায়তায় তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যে।

ম্যাচ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনটি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। আনুষ্ঠানিকতার বদলে কোচ ও দুই অধিনায়ক হাজির হন সাংবাদিকদের সঙ্গে আড্ডার পরিবেশে। পুরো সময়জুড়ে ছিল হাসি-ঠাট্টা আর মজার মন্তব্য। বিশেষ করে টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ছিলেন সবচেয়ে প্রাণবন্ত। ম্যাচ নিয়ে নিজের উত্তেজনার কথা জানাতে গিয়ে তিনি রসিকতার ছলে বলেন, এমন ম্যাচ আগে খেলার সুযোগ হয়নি, ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই নেই—একদম শুইয়ে দেওয়ার ইচ্ছে তার।

প্রস্তুতি প্রসঙ্গে শান্ত আরও মজা করে বলেন, এখন পর্যন্ত লড়াইটা কেবল কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। মাঠে গিয়ে কী হবে, সেটা দেখার বিষয়—হতে পারে প্রতিপক্ষকে শুইয়ে দেবেন, আবার নিজেই শুয়ে পড়বেন। সবই সম্ভব।

মেহেদী মিরাজের দলে রয়েছেন কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন। বিষয়টি নিয়েও ঠাট্টা করতে ভোলেননি শান্ত। তার ভাষ্য, বেশি হুঙ্কার দেওয়ার সুযোগ নেই, কারণ ওটা ‘কমিটির দল’। তাই নিরাপদ সীমার মধ্যেই থাকতে হবে।

এছাড়া শান্ত মজার ছলে জানান, নিজের দলের কয়েকজন খেলোয়াড় খেলতে না পারায় তিনি একটু চিন্তিত। এমনকি সন্দেহ করছেন, কেউ কেউ হয়তো ফোন পেয়ে ভয় পেয়ে গেছে!

সব হাসি-ঠাট্টার বাইরে গিয়ে ম্যাচের মূল উদ্দেশ্যের কথাও তুলে ধরেন শান্ত। তিনি বলেন, কোয়াব এবং সংশ্লিষ্টদের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। নিয়মিতভাবে এমন আয়োজন করা গেলে বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য তা অনেক উপকার বয়ে আনবে। এই ম্যাচের মাধ্যমে যে তহবিল সংগ্রহ করা হবে, তা ভবিষ্যতে ক্রিকেটারদের সহায়তায় কাজে লাগানো যাবে—এটাই পুরো আয়োজনের মূল লক্ষ্য।