ঢাকা ১১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo চিকিৎসার পর পুনর্বাসনের জন্য মালয়েশিয়ায় নেওয়া হলো মির্জা আব্বাসকে Logo দেবীদ্বারের সড়ক সংস্কারে জরুরি পদক্ষেপ চাইলেন এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ Logo জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী Logo অনলাইন ক্লাসে অনাগ্রহ, তবুও বৈশ্বিক বাস্তবতায় এগোতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী Logo ইতালির প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানে হতাশ ট্রাম্প, তীব্র মন্তব্য Logo কুয়াকাটায় বিমানবন্দর নিয়ে সরকারের অবস্থান জানালেন প্রধানমন্ত্রী Logo বৈশাখে জামায়াতের শোভাযাত্রা, দেশীয় সংস্কৃতি রক্ষার আহ্বান Logo ট্রাম্পকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও, ইরানপন্থি চ্যানেল বন্ধ করায় ইউটিউবের বিরুদ্ধে তেহরানের ক্ষোভ Logo অল্প বয়সের আবেগে নেওয়া বিয়ের সিদ্ধান্তকে ভুল বললেন অপু বিশ্বাস Logo পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৫ এপ্রিল) এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেডইসি) প্লাস শীর্ষ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সমন্বিত উদ্যোগের দাবি রাখে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তিনি এ বিষয়ে দ্রুত সাড়া দেওয়ার আহ্বান জানান।

 

তিনি উল্লেখ করেন, চলমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক নির্ভরতা ও দুর্বলতাকে স্পষ্ট করেছে। এককভাবে কোনো দেশের পক্ষে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। তাই আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি।

 

বাংলাদেশে এই সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে কিছু স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে—সরকারি অফিস ও বাজারের সময়সূচি পরিবর্তন, জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি, বিকল্প উৎস ব্যবহার, জ্বালানি রেশনিং এবং খুচরা বিক্রয়ে সীমা নির্ধারণ। পাশাপাশি মজুতদারি ও আতঙ্কজনিত কেনাকাটা ঠেকাতে ‘ফুয়েল অ্যাপ’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

তিনি সতর্ক করে বলেন, বর্তমান সংকট ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও গুরুতর রূপ নিতে পারে, যা অতীতে বৈশ্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছিল। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের অর্জিত উন্নয়নও এই সংকটের কারণে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

 

সম্মেলনে বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী আয়োজক দেশ জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে ধন্যবাদ জানান। ভার্চুয়াল এ আয়োজনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:১০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
৭ বার পড়া হয়েছে

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:১০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৫ এপ্রিল) এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেডইসি) প্লাস শীর্ষ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সমন্বিত উদ্যোগের দাবি রাখে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তিনি এ বিষয়ে দ্রুত সাড়া দেওয়ার আহ্বান জানান।

 

তিনি উল্লেখ করেন, চলমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক নির্ভরতা ও দুর্বলতাকে স্পষ্ট করেছে। এককভাবে কোনো দেশের পক্ষে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। তাই আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি।

 

বাংলাদেশে এই সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে কিছু স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে—সরকারি অফিস ও বাজারের সময়সূচি পরিবর্তন, জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি, বিকল্প উৎস ব্যবহার, জ্বালানি রেশনিং এবং খুচরা বিক্রয়ে সীমা নির্ধারণ। পাশাপাশি মজুতদারি ও আতঙ্কজনিত কেনাকাটা ঠেকাতে ‘ফুয়েল অ্যাপ’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

তিনি সতর্ক করে বলেন, বর্তমান সংকট ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও গুরুতর রূপ নিতে পারে, যা অতীতে বৈশ্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছিল। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের অর্জিত উন্নয়নও এই সংকটের কারণে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

 

সম্মেলনে বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী আয়োজক দেশ জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে ধন্যবাদ জানান। ভার্চুয়াল এ আয়োজনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন।