ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo জুলাই সনদ ও গণভোটের সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে নতুন বিতর্ক, বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন Logo ফিটনেস সমস্যায় ব্রাজিলের প্রাথমিক দলে নেইমার নেই Logo মোস্তাফিজের হাঁটুর চোট নিয়ে আপডেট Logo হামলার ঠিক আগে কক্ষ ছাড়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পান মোজতবা খামেনি Logo ঈদে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানি Logo জনকল্যাণে কাজ করে দৃষ্টান্ত গড়বে বিরোধীদল: জামায়াত আমির Logo আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের Logo ট্রাম্প চাইলে পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন : ইরানের কড়া বার্তা Logo আগামী বছর থেকে স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি আর থাকবে না

চিকিৎসককে মারপিট, অভিযুক্ত মোত্তাকিনকে ধরতে পারেনি পুলিশ

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

চিকিৎসককে মারপিট, অভিযুক্ত মোত্তাকিনকে ধরতে পারেনি পুলিশ।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. শাহীন জোয়ার্দারের ওপর হামলার ঘটনার ৭ দিন পার হলেও মূলহোতা ইন্টার্ন নার্স মোত্তাকিনকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এতে ফুঁসে উঠেছে চিকিৎসক সমাজ।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় প্রেসক্লাব চত্বরে ফরিদপুরের সর্বস্তরের চিকিৎসকদের ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন চিকিৎসকরা। কর্মসূচি শেষে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ডা. সানিয়াত জামান। এসময় হামলার মূলহোতাকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান চিকিৎসক নেতারা।

কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. হুমায়ুন কবির, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. দিলরুবা জেবা, সিনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি) মো. ফারুক আহমেদ, ডা. সানিয়াত জামান (বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি) প্রমুখ।

গত ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে মেডিকেল কলেজের অর্থোপেডিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শাহীন জোয়ার্দার ট্রমা বিভাগ থেকে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার সময় মোত্তাকিন (২০) নামে এক ইন্টার্ন নার্স তাকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনার জেরে বহিরাগতদের ডেকে এনে চিকিৎসকের ওপর হামলা চালায় মোত্তাকিন। ডা. শাহিন জোয়ার্দার বর্তমানে ঢাকার ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. দিলরুবা জেবা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে মূল অভিযুক্ত মোত্তাকিনকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক হুমায়ুন কবির বলেন, ‘হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত ডা. শাহিন জোয়ার্দার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ব্যাপারে আমরা বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। মূল অভিযুক্তকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করা না হলে বৃহৎ কর্মসূচির ডাক দেয়া হবে।’


ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. দিলরুবা জেবা বলেন, ‘আমরা নিরাপদ কর্মস্থল চাই। হাসপাতালে তার ওপর যেভাবে নির্মমভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, এর চেয়ে ন্যাক্কারজনক কিছু নেই। এ ঘটনায় মামলা করলেও প্রধান যে আসামি সে এখনও ধরা পড়ে নাই। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।’

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসাদউজ্জামান জানান, চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মূল অভিযুক্তসহ অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:০৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪
১২৮ বার পড়া হয়েছে

চিকিৎসককে মারপিট, অভিযুক্ত মোত্তাকিনকে ধরতে পারেনি পুলিশ

আপডেট সময় ০৯:০৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪

চিকিৎসককে মারপিট, অভিযুক্ত মোত্তাকিনকে ধরতে পারেনি পুলিশ।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. শাহীন জোয়ার্দারের ওপর হামলার ঘটনার ৭ দিন পার হলেও মূলহোতা ইন্টার্ন নার্স মোত্তাকিনকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এতে ফুঁসে উঠেছে চিকিৎসক সমাজ।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় প্রেসক্লাব চত্বরে ফরিদপুরের সর্বস্তরের চিকিৎসকদের ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন চিকিৎসকরা। কর্মসূচি শেষে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ডা. সানিয়াত জামান। এসময় হামলার মূলহোতাকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান চিকিৎসক নেতারা।

কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. হুমায়ুন কবির, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. দিলরুবা জেবা, সিনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি) মো. ফারুক আহমেদ, ডা. সানিয়াত জামান (বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি) প্রমুখ।

গত ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে মেডিকেল কলেজের অর্থোপেডিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শাহীন জোয়ার্দার ট্রমা বিভাগ থেকে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার সময় মোত্তাকিন (২০) নামে এক ইন্টার্ন নার্স তাকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনার জেরে বহিরাগতদের ডেকে এনে চিকিৎসকের ওপর হামলা চালায় মোত্তাকিন। ডা. শাহিন জোয়ার্দার বর্তমানে ঢাকার ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. দিলরুবা জেবা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে মূল অভিযুক্ত মোত্তাকিনকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক হুমায়ুন কবির বলেন, ‘হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত ডা. শাহিন জোয়ার্দার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ব্যাপারে আমরা বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। মূল অভিযুক্তকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করা না হলে বৃহৎ কর্মসূচির ডাক দেয়া হবে।’


ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. দিলরুবা জেবা বলেন, ‘আমরা নিরাপদ কর্মস্থল চাই। হাসপাতালে তার ওপর যেভাবে নির্মমভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, এর চেয়ে ন্যাক্কারজনক কিছু নেই। এ ঘটনায় মামলা করলেও প্রধান যে আসামি সে এখনও ধরা পড়ে নাই। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।’

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসাদউজ্জামান জানান, চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মূল অভিযুক্তসহ অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।