ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ব্রিসবেন বিমানবন্দরে ইংল্যান্ড দলের নিরাপত্তাকর্মীর আচরণ নিয়ে বিতর্ক Logo বিজয় দিবসে ৫৪ প্যারাট্রুপারের পতাকা জাম্প, বিশ্ব রেকর্ডে থাকছেন বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী Logo ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় ফয়সাল করিমের সব ব্যাংক হিসাব স্থগিত Logo গুলিবর্ষণে নতুন তথ্য: ওসমান হাদীর ওপর হামলায় ব্যবহৃত বাইকের চালক শনাক্তের দাবি দ্য ডিসেন্টের Logo আজ পালিত হচ্ছে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস Logo পঞ্চগড়ে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান, দুইটি ভাটা উচ্ছেদ Logo সরকার আন্তরিক হলে ২৪ ঘণ্টায় হামলাকারী গ্রেপ্তার সম্ভব: রুমিন ফারহানা Logo নির্বাচন সামনে রেখে সিইসি ও কমিশনারদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা চাইল ইসি Logo নোয়াখালী এক্সপ্রেসে অধিনায়কত্ব নিয়ে ধোঁয়াশা, সৌম্য সরকার প্রথম পছন্দ হলেও বিকল্প ভাবনায় দল Logo জিওস্টার চুক্তি নিয়ে জল্পনার অবসান, অবস্থান পরিষ্কার করলো আইসিসি

তালেবানের অভিযোগ—মধ্যরাতে পাকিস্তানের বিমান হামলায় ৯ শিশু ও এক নারী নিহত

নিজস্ব সংবাদ :

ছবি সংগৃহীত

আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের খোস্ত প্রদেশে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী রাতের অন্ধকারে একটি বাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করেছে বলে দাবি করেছে তালেবান সরকার। হামলায় নয় শিশু এবং একজন নারী প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তালেবান প্রশাসনের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন, সোমবার (২৪ নভেম্বর) মধ্যরাতে খোস্তের গুরবুজ জেলা লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। এক্স-এ দেওয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী কাজী মীরের ছেলে ওয়ালিয়াত খানের বাড়িতে বোমা ফেলেছে, যার ফলে পুরো বাড়িটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

তালেবানের তথ্য অনুযায়ী, নিহত শিশুদের মধ্যে পাঁচজন ছেলে ও চারজন মেয়ে। পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব কুনার ও পূর্ব পাকতিকা প্রদেশেও অনুরূপ হামলা হয়েছে, যেখানে অন্তত চারজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়।

এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই পাকিস্তানের পেশোয়ারে ফ্রন্টিয়ার কনস্টেবুলারি সদর দপ্তরে বন্দুকধারীদের সশস্ত্র হামলা ঘটে, যা নতুন করে নিরাপত্তা সংকট তৈরি করে দেশটিতে। গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকার কাছে হওয়া এ হামলায় দুইজন আত্মঘাতী বোমাবাহক জড়িত ছিল বলে পুলিশ ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে। প্রথম হামলাকারী প্রবেশমুখে বিস্ফোরণ ঘটায় এবং দ্বিতীয়জন কম্পাউন্ডে ঢুকে পড়ে। এতে অন্তত তিনজন নিহত হয় এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয় নিরাপত্তা বাহিনীর দ্বারা।

এর আগে চলতি মাসে ইসলামাবাদে আরেক আত্মঘাতী হামলায় ১২ জন মারা যান, যার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তান তালেবান—যারা আদর্শিকভাবে আফগান তালেবানের ঘনিষ্ঠ।

গত কয়েক মাস ধরে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বাড়ছে দুই দেশের মধ্যে। সীমান্ত সংঘর্ষে হতাহতের পর আলোচনা শুরু হলেও পরে তা ভেঙে যায় এবং উভয়পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:০০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
১৪ বার পড়া হয়েছে

তালেবানের অভিযোগ—মধ্যরাতে পাকিস্তানের বিমান হামলায় ৯ শিশু ও এক নারী নিহত

আপডেট সময় ০২:০০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের খোস্ত প্রদেশে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী রাতের অন্ধকারে একটি বাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করেছে বলে দাবি করেছে তালেবান সরকার। হামলায় নয় শিশু এবং একজন নারী প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তালেবান প্রশাসনের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন, সোমবার (২৪ নভেম্বর) মধ্যরাতে খোস্তের গুরবুজ জেলা লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। এক্স-এ দেওয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী কাজী মীরের ছেলে ওয়ালিয়াত খানের বাড়িতে বোমা ফেলেছে, যার ফলে পুরো বাড়িটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

তালেবানের তথ্য অনুযায়ী, নিহত শিশুদের মধ্যে পাঁচজন ছেলে ও চারজন মেয়ে। পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব কুনার ও পূর্ব পাকতিকা প্রদেশেও অনুরূপ হামলা হয়েছে, যেখানে অন্তত চারজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়।

এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই পাকিস্তানের পেশোয়ারে ফ্রন্টিয়ার কনস্টেবুলারি সদর দপ্তরে বন্দুকধারীদের সশস্ত্র হামলা ঘটে, যা নতুন করে নিরাপত্তা সংকট তৈরি করে দেশটিতে। গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকার কাছে হওয়া এ হামলায় দুইজন আত্মঘাতী বোমাবাহক জড়িত ছিল বলে পুলিশ ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে। প্রথম হামলাকারী প্রবেশমুখে বিস্ফোরণ ঘটায় এবং দ্বিতীয়জন কম্পাউন্ডে ঢুকে পড়ে। এতে অন্তত তিনজন নিহত হয় এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয় নিরাপত্তা বাহিনীর দ্বারা।

এর আগে চলতি মাসে ইসলামাবাদে আরেক আত্মঘাতী হামলায় ১২ জন মারা যান, যার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তান তালেবান—যারা আদর্শিকভাবে আফগান তালেবানের ঘনিষ্ঠ।

গত কয়েক মাস ধরে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বাড়ছে দুই দেশের মধ্যে। সীমান্ত সংঘর্ষে হতাহতের পর আলোচনা শুরু হলেও পরে তা ভেঙে যায় এবং উভয়পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করে।