ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo সংঘাতজনিত পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের জন্য ভিসার মেয়াদ বাড়াল কুয়েত Logo রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের প্রস্তুতি, সেনাবাহিনীর তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার চাকরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত Logo যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আকাশপথ সংকট, পাঁচ দিনে ১৭৬ ফ্লাইট বাতিল Logo কর্মচারীর হামলায় ইবি সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষিকার মৃত্যু Logo নাসিরনগরে পাওনা টাকা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত প্রায় ৩০ Logo শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে রাজবাড়ী জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম কাওসার মাহমুদ বহিষ্কার Logo চিকিৎসাসেবা ঘরে ঘরে পৌঁছাতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo হাঁটুর গুরুতর চোটে বিশ্বকাপ মিস, মৌসুম থেকেও ছিটকে গেলেন ব্রাজিলের রদ্রিগো Logo রংপুরে কলাগাছ কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৫ Logo প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের নতুন দায়িত্ব বণ্টন, দুই মন্ত্রণালয়ে যুক্ত নজরুল–রিজভী

মালয়েশিয়ায় যৌন নিপীড়নের শিকার দুই বাংলাদেশি নারী উদ্ধার

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় যৌন নিপীড়নের শিকার দুই বাংলাদেশি নারী উদ্ধার।

মালয়েশিয়ায় যৌন নিপীড়নের শিকার ৩০ ও ৩৪ বয়সী দুই বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)। মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) দেশটির অভিবাসন বিভাগের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (১৮ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে কুয়ালালামপুরে বিশেষ অভিযান চালায় অভিবাসন বিভাগ। পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন হেডকোয়ার্টারের ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অপারেশনস ডিভিশনের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও কর্মীদের একটি দল এই অভিযানে অংশ নেয়।

 

এ সময় যৌন নিপীড়নের শিকার দুই বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করা হয়। তাদের পরিচয় জানানো হয়নি। শুধুমাত্র বয়স জানানো হয়েছে। ওই দুই নারীর বয়স যথাক্রমে ৩০ ও ৩৪ বছর। 
 
পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে ৩৬ বছর বয়সি এক বাংলাদেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাকে ‘মূল পরিকল্পনাকারী’ বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
 
 
অপারেশন টিম ৩০ ও ৩৯ বছর বয়সী আরও দুই বাংলাদেশিকেও গ্রেফতার করেছে যারা ‘সিন্ডিকেট সদস্য’ বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এছাড়া ৫০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি গ্রাহককেও গ্রেফতার করেছে অভিবাসন বিভাগ।
 
অভিবাসন বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়, বিদেশি নারীদের বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় ২ হাজার রিঙ্গিতের ভালো চাকরির প্রস্তাব দিয়ে আনার পর তাদের সাথে প্রতারণা করা হয় এবং বিনা বেতনে যৌনদাসী হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করা হয়।
 
এছাড়া বিদেশি খদ্দেরদের সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সেবা দিতে তাদেরকে বাধ্য করা হয়। গত এক মাস ধরে ভুক্তভোগীদের কোনো অর্থ প্রদান করা হয়নি। কেবল খাবার ও পানীয় সরবরাহ করা হত।
 
 
অভিবাসন বিভাগ বলেছে, যারা মানব পাচার ও অভিবাসীদের চোরাচালানবিরোধী আইন (এটিআইপিএসওএম) ২০০৭ (অ্যাক্ট ৬৭০) এর অধীনে অপরাধ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪
২৮২ বার পড়া হয়েছে

মালয়েশিয়ায় যৌন নিপীড়নের শিকার দুই বাংলাদেশি নারী উদ্ধার

আপডেট সময় ০৬:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪

মালয়েশিয়ায় যৌন নিপীড়নের শিকার দুই বাংলাদেশি নারী উদ্ধার।

মালয়েশিয়ায় যৌন নিপীড়নের শিকার ৩০ ও ৩৪ বয়সী দুই বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)। মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) দেশটির অভিবাসন বিভাগের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (১৮ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে কুয়ালালামপুরে বিশেষ অভিযান চালায় অভিবাসন বিভাগ। পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন হেডকোয়ার্টারের ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অপারেশনস ডিভিশনের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও কর্মীদের একটি দল এই অভিযানে অংশ নেয়।

 

এ সময় যৌন নিপীড়নের শিকার দুই বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করা হয়। তাদের পরিচয় জানানো হয়নি। শুধুমাত্র বয়স জানানো হয়েছে। ওই দুই নারীর বয়স যথাক্রমে ৩০ ও ৩৪ বছর। 
 
পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে ৩৬ বছর বয়সি এক বাংলাদেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাকে ‘মূল পরিকল্পনাকারী’ বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
 
 
অপারেশন টিম ৩০ ও ৩৯ বছর বয়সী আরও দুই বাংলাদেশিকেও গ্রেফতার করেছে যারা ‘সিন্ডিকেট সদস্য’ বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এছাড়া ৫০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি গ্রাহককেও গ্রেফতার করেছে অভিবাসন বিভাগ।
 
অভিবাসন বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়, বিদেশি নারীদের বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় ২ হাজার রিঙ্গিতের ভালো চাকরির প্রস্তাব দিয়ে আনার পর তাদের সাথে প্রতারণা করা হয় এবং বিনা বেতনে যৌনদাসী হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করা হয়।
 
এছাড়া বিদেশি খদ্দেরদের সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সেবা দিতে তাদেরকে বাধ্য করা হয়। গত এক মাস ধরে ভুক্তভোগীদের কোনো অর্থ প্রদান করা হয়নি। কেবল খাবার ও পানীয় সরবরাহ করা হত।
 
 
অভিবাসন বিভাগ বলেছে, যারা মানব পাচার ও অভিবাসীদের চোরাচালানবিরোধী আইন (এটিআইপিএসওএম) ২০০৭ (অ্যাক্ট ৬৭০) এর অধীনে অপরাধ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।