ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, সংশ্লিষ্টতায় শিক্ষক আটক Logo বাবার অভিযোগ থেকে নিজেকে আলাদা করলেন পূজা চেরি Logo সাকিব-মাশরাফির প্ল্যাকার্ড নিয়ে মাঠে প্রবেশে আর থাকছে না বাধা Logo গুলির শব্দে নৈশভোজে আতঙ্ক, ট্রাম্প–মেলানিয়াসহ অতিথিদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় Logo ৫২ দিনে ৪৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ গ্রহণ নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার কঠোর সমালোচনা Logo মেরামত শেষে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, স্বাভাবিক হচ্ছে গ্যাস সরবরাহ Logo রাজধানীতে অপরাধ দমনে ‘ব্লক রেইড’ অভিযান জোরালো Logo কারিকুলাম সংস্কার অপরিহার্য, শিক্ষার মান বাড়াতে জোর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী Logo বক্তৃতার মাঝে হাস্যরস, ‘খিদা লাগছে’ বললেন প্রধানমন্ত্রী Logo সুইমিংপুলে অচেতন অবস্থায় মিলল অভিনেত্রী নাদিয়া, পরে মৃত্যু

মালয়েশিয়ায় যৌন নিপীড়নের শিকার দুই বাংলাদেশি নারী উদ্ধার

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় যৌন নিপীড়নের শিকার দুই বাংলাদেশি নারী উদ্ধার।

মালয়েশিয়ায় যৌন নিপীড়নের শিকার ৩০ ও ৩৪ বয়সী দুই বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)। মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) দেশটির অভিবাসন বিভাগের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (১৮ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে কুয়ালালামপুরে বিশেষ অভিযান চালায় অভিবাসন বিভাগ। পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন হেডকোয়ার্টারের ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অপারেশনস ডিভিশনের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও কর্মীদের একটি দল এই অভিযানে অংশ নেয়।

 

এ সময় যৌন নিপীড়নের শিকার দুই বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করা হয়। তাদের পরিচয় জানানো হয়নি। শুধুমাত্র বয়স জানানো হয়েছে। ওই দুই নারীর বয়স যথাক্রমে ৩০ ও ৩৪ বছর। 
 
পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে ৩৬ বছর বয়সি এক বাংলাদেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাকে ‘মূল পরিকল্পনাকারী’ বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
 
 
অপারেশন টিম ৩০ ও ৩৯ বছর বয়সী আরও দুই বাংলাদেশিকেও গ্রেফতার করেছে যারা ‘সিন্ডিকেট সদস্য’ বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এছাড়া ৫০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি গ্রাহককেও গ্রেফতার করেছে অভিবাসন বিভাগ।
 
অভিবাসন বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়, বিদেশি নারীদের বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় ২ হাজার রিঙ্গিতের ভালো চাকরির প্রস্তাব দিয়ে আনার পর তাদের সাথে প্রতারণা করা হয় এবং বিনা বেতনে যৌনদাসী হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করা হয়।
 
এছাড়া বিদেশি খদ্দেরদের সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সেবা দিতে তাদেরকে বাধ্য করা হয়। গত এক মাস ধরে ভুক্তভোগীদের কোনো অর্থ প্রদান করা হয়নি। কেবল খাবার ও পানীয় সরবরাহ করা হত।
 
 
অভিবাসন বিভাগ বলেছে, যারা মানব পাচার ও অভিবাসীদের চোরাচালানবিরোধী আইন (এটিআইপিএসওএম) ২০০৭ (অ্যাক্ট ৬৭০) এর অধীনে অপরাধ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪
২৯৫ বার পড়া হয়েছে

মালয়েশিয়ায় যৌন নিপীড়নের শিকার দুই বাংলাদেশি নারী উদ্ধার

আপডেট সময় ০৬:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪

মালয়েশিয়ায় যৌন নিপীড়নের শিকার দুই বাংলাদেশি নারী উদ্ধার।

মালয়েশিয়ায় যৌন নিপীড়নের শিকার ৩০ ও ৩৪ বয়সী দুই বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)। মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) দেশটির অভিবাসন বিভাগের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (১৮ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে কুয়ালালামপুরে বিশেষ অভিযান চালায় অভিবাসন বিভাগ। পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন হেডকোয়ার্টারের ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অপারেশনস ডিভিশনের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও কর্মীদের একটি দল এই অভিযানে অংশ নেয়।

 

এ সময় যৌন নিপীড়নের শিকার দুই বাংলাদেশি নারীকে উদ্ধার করা হয়। তাদের পরিচয় জানানো হয়নি। শুধুমাত্র বয়স জানানো হয়েছে। ওই দুই নারীর বয়স যথাক্রমে ৩০ ও ৩৪ বছর। 
 
পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে ৩৬ বছর বয়সি এক বাংলাদেশি ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাকে ‘মূল পরিকল্পনাকারী’ বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
 
 
অপারেশন টিম ৩০ ও ৩৯ বছর বয়সী আরও দুই বাংলাদেশিকেও গ্রেফতার করেছে যারা ‘সিন্ডিকেট সদস্য’ বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এছাড়া ৫০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি গ্রাহককেও গ্রেফতার করেছে অভিবাসন বিভাগ।
 
অভিবাসন বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়, বিদেশি নারীদের বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় ২ হাজার রিঙ্গিতের ভালো চাকরির প্রস্তাব দিয়ে আনার পর তাদের সাথে প্রতারণা করা হয় এবং বিনা বেতনে যৌনদাসী হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করা হয়।
 
এছাড়া বিদেশি খদ্দেরদের সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সেবা দিতে তাদেরকে বাধ্য করা হয়। গত এক মাস ধরে ভুক্তভোগীদের কোনো অর্থ প্রদান করা হয়নি। কেবল খাবার ও পানীয় সরবরাহ করা হত।
 
 
অভিবাসন বিভাগ বলেছে, যারা মানব পাচার ও অভিবাসীদের চোরাচালানবিরোধী আইন (এটিআইপিএসওএম) ২০০৭ (অ্যাক্ট ৬৭০) এর অধীনে অপরাধ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।