ঢাকা ০২:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo হরিণাকুন্ডুতে দুই খাল পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু, সেচ ও পানি নিষ্কাশনে স্বস্তির আশা Logo মহেশপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৫ জন গ্রেফতার, ভিডিও ধারণে ব্যবহৃত মোবাইল উদ্ধার Logo টানা ৫ দিনের ছুটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ১২–১৪ এপ্রিল সরকারি ছুটি Logo চাঁদাবাজদের তালিকা করে দেশজুড়ে অভিযান শিগগিরই: র‍্যাব Logo কুমিরের আক্রমণে নিহত কুকুরের ময়নাতদন্ত, তদন্ত চলমান Logo দল টিকিয়ে রাখতে শীর্ষ নেতাদের দেশে ফেরার আহ্বান তৃণমূলের Logo হামলায় আহত মোজতবা খামেনির মুখমণ্ডল বিকৃত, পা ক্ষতিগ্রস্ত Logo ড্রয়ে শিরোপা দৌড়ে আরও পিছিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ Logo সৎ থাকলে দেশ ছাড়ার প্রয়োজন নেই: অনন্ত জলিল Logo সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ পদে শতাধিক আবেদন, আলোচনায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হয়ে গেল নিরাপত্তা মহড়া

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হয়ে গেল নিরাপত্তা মহড়া।

বিমানে বোমা, যাত্রীসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে মহড়া অনুষ্ঠিত হলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। যেখানে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় আসা একটি বিমানে বোমা পাওয়া গেছে- এমন দৃশ্যপট তৈরি করা হয়। ৫০ মিনিটের মহড়ায় সফলভাবে বোমা নিষ্ক্রিয় করে নিরাপদে উদ্ধার করা হয় যাত্রীদের।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ারে হঠাৎ ভেসে এলো অচেনা কণ্ঠ। খবর এলো কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফেরা একটি যাত্রীবাহী বিমানে বোমা আছে। মুহূর্তেই সেই খবর জানানো হলো বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে। শুরু হলো যাত্রীদের উদ্ধারে তৎপরতা।

 

ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণের আগেই রানওয়েতে অবস্থান নিতে শুরু করে অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি, বিমান বাহিনী, এপিবিএন, ফায়ার সার্ভিস, মেডিকেল টিমসহ ১৫টি সংস্থার চার শতাধিক সদস্য। অবতরণের সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের নিরাপদে বের করে আনা হয়। আর বোম্ব ডিসপোজাল টিম নিষ্ক্রিয় করে দেয় বোমাটি। পরে গুরুতর আহত এক যাত্রীকে হেলিকপ্টারে নিয়ে যাওয়া হয় কুর্মিটোলা হাসপাতালে।
এভাবেই দৃশ্যপট তৈরি করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হয়ে গেলো নিরাপত্তা মহড়া। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের নেতৃত্বে ৫০ মিনিটেই পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হয়। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম জানান, এই মহড়া দেশের প্রধান বিমানবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ।
 
আর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া বলেন, এই মহড়া সিভিল অ্যাভিয়েশনের সীমাবদ্ধতা খুঁজে বের করবে। সমন্বয় বাড়াবে দায়িত্ব পালন করা নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে। এতে নিশ্চিত হবে আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা।
 
আগামীতে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা আরও উন্নত করতে আন্তঃসংস্থাগুলোর সমন্বয় ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের আহ্বানও জানিয়েছেন সিভিল এভিয়েশন চেয়ারম্যান। 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:১১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪
১২৪ বার পড়া হয়েছে

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হয়ে গেল নিরাপত্তা মহড়া

আপডেট সময় ১০:১১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হয়ে গেল নিরাপত্তা মহড়া।

বিমানে বোমা, যাত্রীসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে মহড়া অনুষ্ঠিত হলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। যেখানে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় আসা একটি বিমানে বোমা পাওয়া গেছে- এমন দৃশ্যপট তৈরি করা হয়। ৫০ মিনিটের মহড়ায় সফলভাবে বোমা নিষ্ক্রিয় করে নিরাপদে উদ্ধার করা হয় যাত্রীদের।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ারে হঠাৎ ভেসে এলো অচেনা কণ্ঠ। খবর এলো কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফেরা একটি যাত্রীবাহী বিমানে বোমা আছে। মুহূর্তেই সেই খবর জানানো হলো বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে। শুরু হলো যাত্রীদের উদ্ধারে তৎপরতা।

 

ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণের আগেই রানওয়েতে অবস্থান নিতে শুরু করে অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি, বিমান বাহিনী, এপিবিএন, ফায়ার সার্ভিস, মেডিকেল টিমসহ ১৫টি সংস্থার চার শতাধিক সদস্য। অবতরণের সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের নিরাপদে বের করে আনা হয়। আর বোম্ব ডিসপোজাল টিম নিষ্ক্রিয় করে দেয় বোমাটি। পরে গুরুতর আহত এক যাত্রীকে হেলিকপ্টারে নিয়ে যাওয়া হয় কুর্মিটোলা হাসপাতালে।
এভাবেই দৃশ্যপট তৈরি করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হয়ে গেলো নিরাপত্তা মহড়া। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের নেতৃত্বে ৫০ মিনিটেই পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হয়। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম জানান, এই মহড়া দেশের প্রধান বিমানবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ।
 
আর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া বলেন, এই মহড়া সিভিল অ্যাভিয়েশনের সীমাবদ্ধতা খুঁজে বের করবে। সমন্বয় বাড়াবে দায়িত্ব পালন করা নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে। এতে নিশ্চিত হবে আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা।
 
আগামীতে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা আরও উন্নত করতে আন্তঃসংস্থাগুলোর সমন্বয় ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের আহ্বানও জানিয়েছেন সিভিল এভিয়েশন চেয়ারম্যান।