ঢাকা ০১:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ঈদে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানি Logo জনকল্যাণে কাজ করে দৃষ্টান্ত গড়বে বিরোধীদল: জামায়াত আমির Logo আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের Logo ট্রাম্প চাইলে পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন : ইরানের কড়া বার্তা Logo আগামী বছর থেকে স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি আর থাকবে না Logo বাংলাদেশ-ভারতের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা Logo হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প Logo  দেশজুড়ে খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন আজ Logo সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদেই সমাধান চান বিরোধীদলীয় নেতা

‘একদম শুইয়ে দেব’, কোয়াব ম্যাচ ঘিরে মজার চ্যালেঞ্জ শান্তর

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত একটি প্রীতি ম্যাচে আগামীকাল (১৬ ডিসেম্বর) মুখোমুখি হতে যাচ্ছে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দুই দল। জাতীয় দল ও এর আশপাশের ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠিত এই ম্যাচটি আয়োজন করা হয়েছে অসহায় ক্রিকেটারদের সহায়তায় তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যে।

ম্যাচ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনটি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। আনুষ্ঠানিকতার বদলে কোচ ও দুই অধিনায়ক হাজির হন সাংবাদিকদের সঙ্গে আড্ডার পরিবেশে। পুরো সময়জুড়ে ছিল হাসি-ঠাট্টা আর মজার মন্তব্য। বিশেষ করে টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ছিলেন সবচেয়ে প্রাণবন্ত। ম্যাচ নিয়ে নিজের উত্তেজনার কথা জানাতে গিয়ে তিনি রসিকতার ছলে বলেন, এমন ম্যাচ আগে খেলার সুযোগ হয়নি, ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই নেই—একদম শুইয়ে দেওয়ার ইচ্ছে তার।

প্রস্তুতি প্রসঙ্গে শান্ত আরও মজা করে বলেন, এখন পর্যন্ত লড়াইটা কেবল কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। মাঠে গিয়ে কী হবে, সেটা দেখার বিষয়—হতে পারে প্রতিপক্ষকে শুইয়ে দেবেন, আবার নিজেই শুয়ে পড়বেন। সবই সম্ভব।

মেহেদী মিরাজের দলে রয়েছেন কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন। বিষয়টি নিয়েও ঠাট্টা করতে ভোলেননি শান্ত। তার ভাষ্য, বেশি হুঙ্কার দেওয়ার সুযোগ নেই, কারণ ওটা ‘কমিটির দল’। তাই নিরাপদ সীমার মধ্যেই থাকতে হবে।

এছাড়া শান্ত মজার ছলে জানান, নিজের দলের কয়েকজন খেলোয়াড় খেলতে না পারায় তিনি একটু চিন্তিত। এমনকি সন্দেহ করছেন, কেউ কেউ হয়তো ফোন পেয়ে ভয় পেয়ে গেছে!

সব হাসি-ঠাট্টার বাইরে গিয়ে ম্যাচের মূল উদ্দেশ্যের কথাও তুলে ধরেন শান্ত। তিনি বলেন, কোয়াব এবং সংশ্লিষ্টদের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। নিয়মিতভাবে এমন আয়োজন করা গেলে বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য তা অনেক উপকার বয়ে আনবে। এই ম্যাচের মাধ্যমে যে তহবিল সংগ্রহ করা হবে, তা ভবিষ্যতে ক্রিকেটারদের সহায়তায় কাজে লাগানো যাবে—এটাই পুরো আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
৯৮ বার পড়া হয়েছে

‘একদম শুইয়ে দেব’, কোয়াব ম্যাচ ঘিরে মজার চ্যালেঞ্জ শান্তর

আপডেট সময় ১২:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত একটি প্রীতি ম্যাচে আগামীকাল (১৬ ডিসেম্বর) মুখোমুখি হতে যাচ্ছে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দুই দল। জাতীয় দল ও এর আশপাশের ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠিত এই ম্যাচটি আয়োজন করা হয়েছে অসহায় ক্রিকেটারদের সহায়তায় তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যে।

ম্যাচ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনটি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। আনুষ্ঠানিকতার বদলে কোচ ও দুই অধিনায়ক হাজির হন সাংবাদিকদের সঙ্গে আড্ডার পরিবেশে। পুরো সময়জুড়ে ছিল হাসি-ঠাট্টা আর মজার মন্তব্য। বিশেষ করে টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ছিলেন সবচেয়ে প্রাণবন্ত। ম্যাচ নিয়ে নিজের উত্তেজনার কথা জানাতে গিয়ে তিনি রসিকতার ছলে বলেন, এমন ম্যাচ আগে খেলার সুযোগ হয়নি, ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই নেই—একদম শুইয়ে দেওয়ার ইচ্ছে তার।

প্রস্তুতি প্রসঙ্গে শান্ত আরও মজা করে বলেন, এখন পর্যন্ত লড়াইটা কেবল কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। মাঠে গিয়ে কী হবে, সেটা দেখার বিষয়—হতে পারে প্রতিপক্ষকে শুইয়ে দেবেন, আবার নিজেই শুয়ে পড়বেন। সবই সম্ভব।

মেহেদী মিরাজের দলে রয়েছেন কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন। বিষয়টি নিয়েও ঠাট্টা করতে ভোলেননি শান্ত। তার ভাষ্য, বেশি হুঙ্কার দেওয়ার সুযোগ নেই, কারণ ওটা ‘কমিটির দল’। তাই নিরাপদ সীমার মধ্যেই থাকতে হবে।

এছাড়া শান্ত মজার ছলে জানান, নিজের দলের কয়েকজন খেলোয়াড় খেলতে না পারায় তিনি একটু চিন্তিত। এমনকি সন্দেহ করছেন, কেউ কেউ হয়তো ফোন পেয়ে ভয় পেয়ে গেছে!

সব হাসি-ঠাট্টার বাইরে গিয়ে ম্যাচের মূল উদ্দেশ্যের কথাও তুলে ধরেন শান্ত। তিনি বলেন, কোয়াব এবং সংশ্লিষ্টদের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। নিয়মিতভাবে এমন আয়োজন করা গেলে বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য তা অনেক উপকার বয়ে আনবে। এই ম্যাচের মাধ্যমে যে তহবিল সংগ্রহ করা হবে, তা ভবিষ্যতে ক্রিকেটারদের সহায়তায় কাজে লাগানো যাবে—এটাই পুরো আয়োজনের মূল লক্ষ্য।