ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের জামায়াত করা নিয়ে সংসদে ফজলুর রহমানের বক্তব্যে উত্তেজনা ছড়াল Logo কলম্বো বিমানবন্দরে ১১০ কেজি গাঁজাসহ আটক ২২ বৌদ্ধ ভিক্ষু Logo আজ শুরু রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম Logo লিমন-বৃষ্টির নিখোঁজের পেছনে কী ঘটেছিল, তদন্তে উঠে আসছে হিশামের ভূমিকা Logo লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে সিলেটে হারিকেন-মোমবাতি নিয়ে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি Logo নারীদের জন্য এলপিজি কার্ড চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, সংশ্লিষ্টতায় শিক্ষক আটক Logo বাবার অভিযোগ থেকে নিজেকে আলাদা করলেন পূজা চেরি Logo সাকিব-মাশরাফির প্ল্যাকার্ড নিয়ে মাঠে প্রবেশে আর থাকছে না বাধা Logo গুলির শব্দে নৈশভোজে আতঙ্ক, ট্রাম্প–মেলানিয়াসহ অতিথিদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়

জুমার দিনে পালনযোগ্য ৫টি গুরুত্বপূর্ণ আমল

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি: সংগৃহীত

সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে জুমাবার ইসলামে বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত। এ দিনকে “সপ্তাহের ঈদ” বলা হয়ে থাকে, যার ফজিলত ও বরকত অপরিসীম। পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসে জুমার দিনের বিশেষ কিছু আমল ও করণীয় সম্পর্কে বর্ণনা এসেছে, যা মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১. গোসল ও মসজিদে আগে যাওয়া
জুমার দিনে ভালোভাবে গোসল করা এবং সময়মতো মসজিদে যাওয়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি গোসল করে প্রথমে মসজিদে পৌঁছায় এবং মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনে, তার প্রতিটি কদমের বিনিময়ে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব পাওয়া যায়। (আবু দাউদ ৩৪৫, বোখারি ৮৪১)

২. জুমার নামাজ
জুমার নামাজ ইসলামে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে আরেক জুমা এবং এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজান পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ছোট গুনাহগুলো মাফ হয়ে যায়, যদি কবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকা হয়। (মুসলিম ২৩৩)

৩. দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত
জুমার দিন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যখন আল্লাহর কাছে করা দোয়া অবশ্যই কবুল হয়। এই সময়টি আসরের পর সন্ধ্যার আগে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। তাই এই সময়ে বিশেষভাবে দোয়া করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে। (আবু দাউদ ১০৪৮)

৪. সুরা কাহাফ পাঠ
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমলের একটি হলো সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যারা এ দিন সুরা কাহাফ পাঠ করে, তাদের জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় আলোকিত হয়ে যায়। এছাড়া দাজ্জালের ফিতনা থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়। (তারগিব ১৪৭৩, আল মুসতাদরাক ২/৩৯৯)

৫. দরুদ শরিফ পাঠ
জুমার দিনে রাসুল (সা.)-এর ওপর বেশি পরিমাণ দরুদ পড়ার উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। হাদিসে বলা হয়েছে, এই দিনে পাঠ করা দরুদ সরাসরি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দরবারে পেশ করা হয়। সাহাবারা জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, তাঁর দেহ মাটি ভক্ষণ করবে না, কারণ আল্লাহ তা নিষিদ্ধ করেছেন। (আবু দাউদ ১০৪৭)

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
২৭৯ বার পড়া হয়েছে

জুমার দিনে পালনযোগ্য ৫টি গুরুত্বপূর্ণ আমল

আপডেট সময় ০৫:০৩:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫

সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে জুমাবার ইসলামে বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত। এ দিনকে “সপ্তাহের ঈদ” বলা হয়ে থাকে, যার ফজিলত ও বরকত অপরিসীম। পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসে জুমার দিনের বিশেষ কিছু আমল ও করণীয় সম্পর্কে বর্ণনা এসেছে, যা মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১. গোসল ও মসজিদে আগে যাওয়া
জুমার দিনে ভালোভাবে গোসল করা এবং সময়মতো মসজিদে যাওয়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি গোসল করে প্রথমে মসজিদে পৌঁছায় এবং মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনে, তার প্রতিটি কদমের বিনিময়ে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব পাওয়া যায়। (আবু দাউদ ৩৪৫, বোখারি ৮৪১)

২. জুমার নামাজ
জুমার নামাজ ইসলামে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে আরেক জুমা এবং এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজান পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ছোট গুনাহগুলো মাফ হয়ে যায়, যদি কবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকা হয়। (মুসলিম ২৩৩)

৩. দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত
জুমার দিন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যখন আল্লাহর কাছে করা দোয়া অবশ্যই কবুল হয়। এই সময়টি আসরের পর সন্ধ্যার আগে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। তাই এই সময়ে বিশেষভাবে দোয়া করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে। (আবু দাউদ ১০৪৮)

৪. সুরা কাহাফ পাঠ
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমলের একটি হলো সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যারা এ দিন সুরা কাহাফ পাঠ করে, তাদের জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় আলোকিত হয়ে যায়। এছাড়া দাজ্জালের ফিতনা থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়। (তারগিব ১৪৭৩, আল মুসতাদরাক ২/৩৯৯)

৫. দরুদ শরিফ পাঠ
জুমার দিনে রাসুল (সা.)-এর ওপর বেশি পরিমাণ দরুদ পড়ার উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। হাদিসে বলা হয়েছে, এই দিনে পাঠ করা দরুদ সরাসরি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দরবারে পেশ করা হয়। সাহাবারা জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, তাঁর দেহ মাটি ভক্ষণ করবে না, কারণ আল্লাহ তা নিষিদ্ধ করেছেন। (আবু দাউদ ১০৪৭)