ঢাকা ১১:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo অপহরণের খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা, এক ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্র উদ্ধার Logo দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল Logo বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আলী হোসেন ফকির Logo চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের, দগ্ধ আরও সাত Logo  জনগণের শক্তিকেই মূল ভরসা করে বিএনপি, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস নেই: মঈন খান Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ অনিয়ম তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ Logo গরমের ঈদে আরামদায়ক পাঞ্জাবির চাহিদা, বাজারে রং-নকশায় নতুনত্ব Logo এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি Logo ভিনিসিউসকে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগে বেনফিকার আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিষিদ্ধ Logo ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তার বদলি

টানা দ্বিতীয়বার এনসিএল টি-টোয়েন্টির শিরোপা রংপুরের দখলে

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

এনসিএল টি-টোয়েন্টির প্রথম আসরের মতো দ্বিতীয় আসরেও সেরা হয়েছে রংপুর বিভাগ। আকবর আলীর নেতৃত্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে খুলনা বিভাগকে হারিয়ে তারা শিরোপা ধরে রেখেছে।

রোববার (১২ অক্টোবর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে খুলনাকে ৮ উইকেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় রংপুর।

প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রান সংগ্রহ করে খুলনা। জবাবে মাত্র ১৯ বল বাকি থাকতে লক্ষ্য পূরণ করে নেয় রংপুরের ব্যাটাররা।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় রংপুর। ওপেনার নাসির হোসেন ও জাহিদ জাভেদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দলীয় সংগ্রহ দ্রুত এগিয়ে যায়। পাওয়ারপ্লেতে তারা তোলে ৫৫ রান, যা খুলনার উপর চাপ বাড়িয়ে দেয়।

পাওয়ারপ্লে শেষ হতেই শেখ পারভেজ জীবন ফিরিয়ে দেন জাহিদ জাভেদকে। এরপর দলীয় ৮৪ রানে আফিফ হোসেনের বলে আউট হন নাসির হোসেন—৩১ বলে ৪৬ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে যান তিনি (৫ চার ও ১ ছক্কা)।

নাসির আউট হলে কিছুটা চাপে পড়ে রংপুর, তবে অধিনায়ক আকবর আলী ও নাইম ইসলাম সেই চাপ সামলে নেন। শেষ পর্যন্ত আকবর ৩১ বলে অপরাজিত ৩৬ রান ও নাইম ১৫ বলে ১৯ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা খুলনা শুরুতেই বিপাকে পড়ে। নাসুম আহমেদের করা প্রথম ওভারেই ইমরানুজ্জামান শূন্য রানে আউট হন। এরপর থেকেই খুলনার ব্যাটাররা রংপুরের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে হিমশিম খেতে থাকেন।

পাওয়ারপ্লেতে মাত্র ১৯ রান তোলে খুলনা। এনামুল হক বিজয় ১৫ বলে ১২ রান করে রানআউট হন। সৌম্য সরকারও ছন্দ খুঁজে পাননি—২২ বলে ৮ রানে বোল্ড হন আবু হাসিমের বলে। আফিফ হোসেন ১০ বলে ১৪ রান করে ইকবাল হোসেনের বলে ক্যাচ দেন, আর শেখ পারভেজ জীবন ফেরেন ৯ বলে ৮ রানে।

অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন এক প্রান্ত আগলে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর সঙ্গে তিনি জুটি গড়লেও সেটি বেশিক্ষণ টেকেনি। মৃত্যুঞ্জয় ১৩ বলে ২৪ রান করে আলাউদ্দিন বাবুর বলে আউট হন। শেষ পর্যন্ত মিঠুনও (৩২ বলে ৪৪) বিদায় নেন আব্দুল্লাহ আল মামুনের বলে।

শেষদিকে আর কেউ বড় ইনিংস গড়তে না পারায় খুলনা ২০ ওভারে ৮ উইকেটে থামে ১৩৬ রানে। রংপুরের হয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন নেন ২ উইকেট; নাসুম আহমেদ, আবু হাসিম, ইকবাল হোসেন, এনামুল হক ও আলাউদ্দিন বাবু প্রত্যেকে নেন ১টি করে উইকেট।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৩১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
১৭০ বার পড়া হয়েছে

টানা দ্বিতীয়বার এনসিএল টি-টোয়েন্টির শিরোপা রংপুরের দখলে

আপডেট সময় ১০:৩১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

এনসিএল টি-টোয়েন্টির প্রথম আসরের মতো দ্বিতীয় আসরেও সেরা হয়েছে রংপুর বিভাগ। আকবর আলীর নেতৃত্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে খুলনা বিভাগকে হারিয়ে তারা শিরোপা ধরে রেখেছে।

রোববার (১২ অক্টোবর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে খুলনাকে ৮ উইকেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় রংপুর।

প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রান সংগ্রহ করে খুলনা। জবাবে মাত্র ১৯ বল বাকি থাকতে লক্ষ্য পূরণ করে নেয় রংপুরের ব্যাটাররা।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় রংপুর। ওপেনার নাসির হোসেন ও জাহিদ জাভেদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দলীয় সংগ্রহ দ্রুত এগিয়ে যায়। পাওয়ারপ্লেতে তারা তোলে ৫৫ রান, যা খুলনার উপর চাপ বাড়িয়ে দেয়।

পাওয়ারপ্লে শেষ হতেই শেখ পারভেজ জীবন ফিরিয়ে দেন জাহিদ জাভেদকে। এরপর দলীয় ৮৪ রানে আফিফ হোসেনের বলে আউট হন নাসির হোসেন—৩১ বলে ৪৬ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে যান তিনি (৫ চার ও ১ ছক্কা)।

নাসির আউট হলে কিছুটা চাপে পড়ে রংপুর, তবে অধিনায়ক আকবর আলী ও নাইম ইসলাম সেই চাপ সামলে নেন। শেষ পর্যন্ত আকবর ৩১ বলে অপরাজিত ৩৬ রান ও নাইম ১৫ বলে ১৯ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা খুলনা শুরুতেই বিপাকে পড়ে। নাসুম আহমেদের করা প্রথম ওভারেই ইমরানুজ্জামান শূন্য রানে আউট হন। এরপর থেকেই খুলনার ব্যাটাররা রংপুরের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে হিমশিম খেতে থাকেন।

পাওয়ারপ্লেতে মাত্র ১৯ রান তোলে খুলনা। এনামুল হক বিজয় ১৫ বলে ১২ রান করে রানআউট হন। সৌম্য সরকারও ছন্দ খুঁজে পাননি—২২ বলে ৮ রানে বোল্ড হন আবু হাসিমের বলে। আফিফ হোসেন ১০ বলে ১৪ রান করে ইকবাল হোসেনের বলে ক্যাচ দেন, আর শেখ পারভেজ জীবন ফেরেন ৯ বলে ৮ রানে।

অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন এক প্রান্ত আগলে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর সঙ্গে তিনি জুটি গড়লেও সেটি বেশিক্ষণ টেকেনি। মৃত্যুঞ্জয় ১৩ বলে ২৪ রান করে আলাউদ্দিন বাবুর বলে আউট হন। শেষ পর্যন্ত মিঠুনও (৩২ বলে ৪৪) বিদায় নেন আব্দুল্লাহ আল মামুনের বলে।

শেষদিকে আর কেউ বড় ইনিংস গড়তে না পারায় খুলনা ২০ ওভারে ৮ উইকেটে থামে ১৩৬ রানে। রংপুরের হয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন নেন ২ উইকেট; নাসুম আহমেদ, আবু হাসিম, ইকবাল হোসেন, এনামুল হক ও আলাউদ্দিন বাবু প্রত্যেকে নেন ১টি করে উইকেট।