ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo জাটকা সংরক্ষণে ৭–১৩ এপ্রিল বিশেষ সপ্তাহ, ১৫ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিনের মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা Logo ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাইকমিশনারের বৈঠক Logo হামের উপসর্গে একদিনে ১০ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৫৪ Logo জ্বালানিসংকটের প্রভাবে জাহাজ ভাড়া বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ Logo কিশোরগঞ্জে তুলার গুদামে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস Logo সংবিধান নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্য ছিল রূপক—সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo বাইব্যাক শর্তে নিকো পাজকে ফেরাতে চায় রিয়াল মাদ্রিদ Logo সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের সার্ভার রুমে আগুন, ইমিগ্রেশন সেবা বন্ধ Logo তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার ব্যাখ্যা দিলেন আসিফ মাহমুদ Logo ভারতীয় সীমান্তে বাংলাদেশি যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ পড়ে থাকার অভিযোগ

দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও চালু হলো আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা সরাসরি আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা। দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) পরীক্ষামূলকভাবে এ রুটে বাস চলাচল শুরু হয়।
এদিন দুপুরে ঢাকার কমলাপুর বাস ডিপো থেকে ‘রয়েল মৈত্রী’ পরিবহনের একটি বাস আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সীমান্ত দিয়ে ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় প্রবেশ করে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দুই দিন পরীক্ষামূলকভাবে বাসটি চলবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে পরবর্তীতে সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিত সার্ভিস পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।
আগেও ঢাকা হয়ে আগরতলা-কলকাতা রুটে বাস চলাচল করত। তবে গত দেড় বছর রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে পরিষেবাটি বন্ধ ছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ও ভিসা সমস্যার প্রেক্ষাপটে বাস চলাচল স্থগিত হয়। দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় পুনরায় পরীক্ষামূলকভাবে এই সার্ভিস চালু করা হলো।
ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের পরিবহনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ায় বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়বে। পাশাপাশি পর্যটন ও ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং শান্তিপূর্ণ অগ্রযাত্রা জোরদার হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহাও।
উল্লেখ্য, ত্রিপুরার আগরতলা থেকে ট্রেনে গুয়াহাটি হয়ে কলকাতায় যেতে প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। অথচ বাসে ঢাকা হয়ে গেলে সেই দূরত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে প্রায় ৫০০ কিলোমিটারে নেমে আসে, ফলে সময় ও ভ্রমণ ব্যয় দুটোই সাশ্রয় হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:৪৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৩৪ বার পড়া হয়েছে

দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল

আপডেট সময় ০৭:৪৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও চালু হলো আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা সরাসরি আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা। দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) পরীক্ষামূলকভাবে এ রুটে বাস চলাচল শুরু হয়।
এদিন দুপুরে ঢাকার কমলাপুর বাস ডিপো থেকে ‘রয়েল মৈত্রী’ পরিবহনের একটি বাস আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সীমান্ত দিয়ে ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় প্রবেশ করে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দুই দিন পরীক্ষামূলকভাবে বাসটি চলবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে পরবর্তীতে সপ্তাহে তিন দিন নিয়মিত সার্ভিস পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।
আগেও ঢাকা হয়ে আগরতলা-কলকাতা রুটে বাস চলাচল করত। তবে গত দেড় বছর রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে পরিষেবাটি বন্ধ ছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ও ভিসা সমস্যার প্রেক্ষাপটে বাস চলাচল স্থগিত হয়। দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় পুনরায় পরীক্ষামূলকভাবে এই সার্ভিস চালু করা হলো।
ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের পরিবহনমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ায় বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়বে। পাশাপাশি পর্যটন ও ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং শান্তিপূর্ণ অগ্রযাত্রা জোরদার হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহাও।
উল্লেখ্য, ত্রিপুরার আগরতলা থেকে ট্রেনে গুয়াহাটি হয়ে কলকাতায় যেতে প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। অথচ বাসে ঢাকা হয়ে গেলে সেই দূরত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে প্রায় ৫০০ কিলোমিটারে নেমে আসে, ফলে সময় ও ভ্রমণ ব্যয় দুটোই সাশ্রয় হয়।