ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo টেকনাফে মুরগির খামারে অভিযান, ৫ লাখ ইয়াবা উদ্ধার Logo বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত বাংলাদেশি নারী দিপালী Logo জাতীয় সংসদে পাস হলো ‘সাইবার সুরক্ষা বিল-২০২৬’, বাতিল আগের অধ্যাদেশ Logo জুন-জুলাইয়ে আসতে পারে ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব, জোর লবিংয়ে পদপ্রত্যাশীরা Logo সংসদে আবারও বিরোধী দলের ওয়াকআউট Logo হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের প্রাণহানি Logo স্কুল থেকে অচেতন ছাত্রী উদ্ধার: ধর্ষণের সন্দেহে দপ্তরি ও নৈশপ্রহরী আটক Logo দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন, পুনঃনির্বাচনের দাবি পরওয়ারের Logo হবিগঞ্জে চাঁদা আদায়ের সময় ৪ জনকে আটক করল সেনাবাহিনী Logo চিফ হুইপ বলেন, সাগর থেকে দুটি তিমি নিয়ে এসেছি, আরও দুটি হাঙর আসছে

ফার্স নিউজের দাবি: ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু, ঘোষণা ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ফার্স নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-তে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) স্থানীয় সময় সকালে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

 

সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর রোববার থেকেই দেশে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান ইন্টারন্যাশনাল। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে পাঠ করা বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের তথ্যমতে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে নিজের কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে খামেনি নিহত হন।

 

এদিকে স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে বিবিসি নিউজ জানিয়েছে, তেহরানে অবস্থিত ‘লিডারশিপ হাউস’ কমপ্লেক্সের কয়েকটি অংশে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা ছিল খামেনির কার্যালয়।

 

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হয়েছেন। পোস্টে তিনি আরও বলেন, মার্কিন গোয়েন্দা নজরদারি ও আধুনিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থার বাইরে যেতে পারেননি খামেনি এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সমন্বিত অভিযানে তার সঙ্গে থাকা আরও শীর্ষ ব্যক্তিরাও পালানোর সুযোগ পাননি।

 

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসসহ নিরাপত্তা বাহিনীর অনেক সদস্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে অনাগ্রহী এবং তারা দায়মুক্তির আশায় রয়েছে।

 

রয়টার্স, সিএনএন ও বিবিসি নিউজ—এই তিনটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও একযোগে দাবি করেছে, মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলাতেই খামেনির মৃত্যু হয়েছে।

 

এছাড়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই অভিযানে খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতিও নিহত হয়েছেন। তবে তাদের মৃত্যু ঠিক কোথায় বা কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:৩৯:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
৬৮ বার পড়া হয়েছে

ফার্স নিউজের দাবি: ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু, ঘোষণা ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

আপডেট সময় ১১:৩৯:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

ফার্স নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-তে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) স্থানীয় সময় সকালে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

 

সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর রোববার থেকেই দেশে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান ইন্টারন্যাশনাল। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে পাঠ করা বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের তথ্যমতে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে নিজের কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে খামেনি নিহত হন।

 

এদিকে স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে বিবিসি নিউজ জানিয়েছে, তেহরানে অবস্থিত ‘লিডারশিপ হাউস’ কমপ্লেক্সের কয়েকটি অংশে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা ছিল খামেনির কার্যালয়।

 

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হয়েছেন। পোস্টে তিনি আরও বলেন, মার্কিন গোয়েন্দা নজরদারি ও আধুনিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থার বাইরে যেতে পারেননি খামেনি এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সমন্বিত অভিযানে তার সঙ্গে থাকা আরও শীর্ষ ব্যক্তিরাও পালানোর সুযোগ পাননি।

 

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসসহ নিরাপত্তা বাহিনীর অনেক সদস্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে অনাগ্রহী এবং তারা দায়মুক্তির আশায় রয়েছে।

 

রয়টার্স, সিএনএন ও বিবিসি নিউজ—এই তিনটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও একযোগে দাবি করেছে, মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলাতেই খামেনির মৃত্যু হয়েছে।

 

এছাড়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই অভিযানে খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতিও নিহত হয়েছেন। তবে তাদের মৃত্যু ঠিক কোথায় বা কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।