ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo মোস্তাফিজের হাঁটুর চোট নিয়ে আপডেট Logo হামলার ঠিক আগে কক্ষ ছাড়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পান মোজতবা খামেনি Logo ঈদে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানি Logo জনকল্যাণে কাজ করে দৃষ্টান্ত গড়বে বিরোধীদল: জামায়াত আমির Logo আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের Logo ট্রাম্প চাইলে পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন : ইরানের কড়া বার্তা Logo আগামী বছর থেকে স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি আর থাকবে না Logo বাংলাদেশ-ভারতের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা Logo হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প

বলিউড তারকা ধর্মেন্দ্র আর নেই: মুম্বাইয়ের বাসায় ৮৯ বছর বয়সে শেষ বিদায়

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় নিজ বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৮৯ বছর। ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রথম দিকে নির্মাতা করন জোহরের উদ্ধৃতি দিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যম তার মৃত্যুর খবর প্রচার করলে অনেকেই তা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। কারণ সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যম ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভুয়া খবর প্রকাশ করেছিল। তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স–এ (সাবেক টুইটার) শোকবার্তা প্রকাশ করলে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যায় এবং ভক্তরা শোকাহত হয়ে পড়েন।

শোকবার্তায় মোদি লিখেছেন, “ধর্মেন্দ্র জির প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্রের একটি যুগের অবসান হলো। তিনি ছিলেন অসামান্য প্রতিভাধর অভিনেতা এবং দর্শকের হৃদয়ের নায়ক। এই কঠিন সময়ে আমি তার পরিবার, বন্ধু ও ভক্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”

করন জোহরও তার শোকবার্তায় জানান, “ধর্মেন্দ্র জি মূলধারার সিনেমায় নায়কের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি ছিলেন। ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক অনন্য কিংবদন্তি—যাকে আমরা গভীরভাবে স্মরণ করবো।”

মাত্র ১২ দিন আগে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। গত অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে শ্বাসকষ্টের সমস্যার কারণে তাকে সেখানে ভর্তি করা হয়। আগামী ৮ ডিসেম্বর তার ৯০তম জন্মদিন পালন করার পরিকল্পনা ছিল।

১৯৩৫ সালে পাঞ্জাবের লুধিয়ানা জেলার একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এই অভিনেতা। ১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হম ভি তেরে’ ছবির মাধ্যমে সিনেমায় তার পথচলা শুরু। ষাটের দশকে ‘বন্দিনী’, ‘আই মিলন কি বেলা’, ‘খামোশি’র মতো সিনেমায় রোমান্টিক নায়ক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ১৯৬৫ সালে চেতন আনন্দের যুদ্ধভিত্তিক ‘হকিকত’ ছবিতে অভিনয় করে সমালোচকদের নজর কাড়েন। এরপর ১৯৬৬ সালের ‘ফুল অউর পাথর’ তাকে বাণিজ্যিক সিনেমার প্রধান নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৪:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
৭৯ বার পড়া হয়েছে

বলিউড তারকা ধর্মেন্দ্র আর নেই: মুম্বাইয়ের বাসায় ৮৯ বছর বয়সে শেষ বিদায়

আপডেট সময় ০৪:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় নিজ বাসভবনেই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৮৯ বছর। ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রথম দিকে নির্মাতা করন জোহরের উদ্ধৃতি দিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যম তার মৃত্যুর খবর প্রচার করলে অনেকেই তা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। কারণ সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যম ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভুয়া খবর প্রকাশ করেছিল। তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স–এ (সাবেক টুইটার) শোকবার্তা প্রকাশ করলে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যায় এবং ভক্তরা শোকাহত হয়ে পড়েন।

শোকবার্তায় মোদি লিখেছেন, “ধর্মেন্দ্র জির প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্রের একটি যুগের অবসান হলো। তিনি ছিলেন অসামান্য প্রতিভাধর অভিনেতা এবং দর্শকের হৃদয়ের নায়ক। এই কঠিন সময়ে আমি তার পরিবার, বন্ধু ও ভক্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”

করন জোহরও তার শোকবার্তায় জানান, “ধর্মেন্দ্র জি মূলধারার সিনেমায় নায়কের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি ছিলেন। ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক অনন্য কিংবদন্তি—যাকে আমরা গভীরভাবে স্মরণ করবো।”

মাত্র ১২ দিন আগে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। গত অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে শ্বাসকষ্টের সমস্যার কারণে তাকে সেখানে ভর্তি করা হয়। আগামী ৮ ডিসেম্বর তার ৯০তম জন্মদিন পালন করার পরিকল্পনা ছিল।

১৯৩৫ সালে পাঞ্জাবের লুধিয়ানা জেলার একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এই অভিনেতা। ১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হম ভি তেরে’ ছবির মাধ্যমে সিনেমায় তার পথচলা শুরু। ষাটের দশকে ‘বন্দিনী’, ‘আই মিলন কি বেলা’, ‘খামোশি’র মতো সিনেমায় রোমান্টিক নায়ক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ১৯৬৫ সালে চেতন আনন্দের যুদ্ধভিত্তিক ‘হকিকত’ ছবিতে অভিনয় করে সমালোচকদের নজর কাড়েন। এরপর ১৯৬৬ সালের ‘ফুল অউর পাথর’ তাকে বাণিজ্যিক সিনেমার প্রধান নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেয়।