ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ঈদে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানি Logo জনকল্যাণে কাজ করে দৃষ্টান্ত গড়বে বিরোধীদল: জামায়াত আমির Logo আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের Logo ট্রাম্প চাইলে পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন : ইরানের কড়া বার্তা Logo আগামী বছর থেকে স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি আর থাকবে না Logo বাংলাদেশ-ভারতের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা Logo হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প Logo  দেশজুড়ে খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন আজ Logo সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদেই সমাধান চান বিরোধীদলীয় নেতা

মদ্যপানের অভিযোগে তদন্তে ইংল্যান্ড শিবির, স্টোকসদের পাশে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককলাম বরাবরই প্রচলিত ধারা ভাঙতে পছন্দ করেন। কড়া অনুশীলনের পাশাপাশি খেলোয়াড়দের মানসিক স্বস্তি ও বিনোদনকেও গুরুত্ব দেন তিনি। বড় ম্যাচের আগে কখনও গলফ খেলা, আবার কখনও দল নিয়ে বারে সময় কাটানো—এমন সিদ্ধান্তে তিনি বিশ্বাসী। অ্যাশেজ সিরিজে প্রথম দুই টেস্টে হারার পর যখন ইংল্যান্ড ট্রফি হারানোর মুখে, তখন পুরো দলকে নিয়ে সমুদ্র সৈকতে সময় কাটান ম্যাককলাম।

ব্রিসবেনে দ্বিতীয় টেস্টে হারের পর ইংল্যান্ড দল কুইন্সল্যান্ড উপকূলের নুসা সৈকতে কয়েক দিন অবস্থান করে। অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এ সময় বেন স্টোকসদের দল টানা প্রায় ছয় দিন মদ্যপান করেছে। পরে তারা অ্যাডিলেডে গিয়ে তৃতীয় টেস্ট খেলতে নামে। তবে পর্যাপ্ত অনুশীলন ছাড়াই মাঠে নেমে ৮২ রানে হেরে মাত্র ১১ দিনের মধ্যে অ্যাশেজ সিরিজ হারায় সফরকারী দল, যার পর শুরু হয় তীব্র সমালোচনা।

এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইংল্যান্ড ওপেনার বেন ডাকেটের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ ওঠে, অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে তিনি হোটেলের পথ ভুলে গিয়েছিলেন। ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। পাশাপাশি মদ্যপানের অভিযোগ খতিয়ে দেখার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি। ইসিবির ডিরেক্টর অব ক্রিকেট রব কি বলেন, টানা ছয় দিন মদ্যপান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এমন সংস্কৃতির তিনি বিরোধী।

তবে বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন না অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার ড্যারেন লেহম্যান। তার মতে, ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা কোনো অসংযত আচরণ করেননি। এবিসি স্পোর্টসকে দেওয়া বক্তব্যে লেহম্যান বলেন, তিনি নিজে নুসায় উপস্থিত ছিলেন এবং সমালোচনাগুলো তাকে বিরক্ত করেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ভালো খেলতে পারেনি এবং সিরিজ শুরুর আগে প্রস্তুতিও যথাযথ ছিল না—এ কথা তিনি মানেন। তবে মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের আচরণ ছিল শালীন, তারা স্থানীয়দের সঙ্গে মিশেছে এবং কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:২১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
১২৬ বার পড়া হয়েছে

মদ্যপানের অভিযোগে তদন্তে ইংল্যান্ড শিবির, স্টোকসদের পাশে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার

আপডেট সময় ০৮:২১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককলাম বরাবরই প্রচলিত ধারা ভাঙতে পছন্দ করেন। কড়া অনুশীলনের পাশাপাশি খেলোয়াড়দের মানসিক স্বস্তি ও বিনোদনকেও গুরুত্ব দেন তিনি। বড় ম্যাচের আগে কখনও গলফ খেলা, আবার কখনও দল নিয়ে বারে সময় কাটানো—এমন সিদ্ধান্তে তিনি বিশ্বাসী। অ্যাশেজ সিরিজে প্রথম দুই টেস্টে হারার পর যখন ইংল্যান্ড ট্রফি হারানোর মুখে, তখন পুরো দলকে নিয়ে সমুদ্র সৈকতে সময় কাটান ম্যাককলাম।

ব্রিসবেনে দ্বিতীয় টেস্টে হারের পর ইংল্যান্ড দল কুইন্সল্যান্ড উপকূলের নুসা সৈকতে কয়েক দিন অবস্থান করে। অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এ সময় বেন স্টোকসদের দল টানা প্রায় ছয় দিন মদ্যপান করেছে। পরে তারা অ্যাডিলেডে গিয়ে তৃতীয় টেস্ট খেলতে নামে। তবে পর্যাপ্ত অনুশীলন ছাড়াই মাঠে নেমে ৮২ রানে হেরে মাত্র ১১ দিনের মধ্যে অ্যাশেজ সিরিজ হারায় সফরকারী দল, যার পর শুরু হয় তীব্র সমালোচনা।

এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইংল্যান্ড ওপেনার বেন ডাকেটের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ ওঠে, অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে তিনি হোটেলের পথ ভুলে গিয়েছিলেন। ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। পাশাপাশি মদ্যপানের অভিযোগ খতিয়ে দেখার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি। ইসিবির ডিরেক্টর অব ক্রিকেট রব কি বলেন, টানা ছয় দিন মদ্যপান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এমন সংস্কৃতির তিনি বিরোধী।

তবে বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন না অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার ড্যারেন লেহম্যান। তার মতে, ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা কোনো অসংযত আচরণ করেননি। এবিসি স্পোর্টসকে দেওয়া বক্তব্যে লেহম্যান বলেন, তিনি নিজে নুসায় উপস্থিত ছিলেন এবং সমালোচনাগুলো তাকে বিরক্ত করেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ভালো খেলতে পারেনি এবং সিরিজ শুরুর আগে প্রস্তুতিও যথাযথ ছিল না—এ কথা তিনি মানেন। তবে মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের আচরণ ছিল শালীন, তারা স্থানীয়দের সঙ্গে মিশেছে এবং কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করেনি।