ঢাকা ০৬:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo কলম্বো বিমানবন্দরে ১১০ কেজি গাঁজাসহ আটক ২২ বৌদ্ধ ভিক্ষু Logo আজ শুরু রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম Logo লিমন-বৃষ্টির নিখোঁজের পেছনে কী ঘটেছিল, তদন্তে উঠে আসছে হিশামের ভূমিকা Logo লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে সিলেটে হারিকেন-মোমবাতি নিয়ে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি Logo নারীদের জন্য এলপিজি কার্ড চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, সংশ্লিষ্টতায় শিক্ষক আটক Logo বাবার অভিযোগ থেকে নিজেকে আলাদা করলেন পূজা চেরি Logo সাকিব-মাশরাফির প্ল্যাকার্ড নিয়ে মাঠে প্রবেশে আর থাকছে না বাধা Logo গুলির শব্দে নৈশভোজে আতঙ্ক, ট্রাম্প–মেলানিয়াসহ অতিথিদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় Logo ৫২ দিনে ৪৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ গ্রহণ নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার কঠোর সমালোচনা

লিমন-বৃষ্টির নিখোঁজের পেছনে কী ঘটেছিল, তদন্তে উঠে আসছে হিশামের ভূমিকা

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে ঘিরে তদন্তে ভয়াবহ তথ্য সামনে আসছে। দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) এই দুই শিক্ষার্থীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তাদের রুমমেট হিশাম সালেহ আবুঘরবেহকে ঘিরে সন্দেহ জোরালো হয়েছে।

 

পুলিশ জানায়, ১৭ এপ্রিল এক সহপাঠী বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশকে বিষয়টি জানালে তদন্ত শুরু হয়। জানা যায়, ১৬ এপ্রিল সকাল থেকে বৃষ্টি এবং পরে লিমনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।

 

তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ ও ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে দেখা যায়, নিখোঁজের দিন বৃষ্টি ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে লিমনের ফোনের অবস্থান পরে ক্যাম্পাসের বাইরে বিভিন্ন স্থানে সনাক্ত হয়, যা সন্দেহ আরও বাড়িয়ে তোলে।

 

গোয়েন্দারা লিমনের রুমমেট হিশামকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি পাওয়া যায়। প্রথমে তিনি কিছু অস্বীকার করলেও পরে নিজের বক্তব্য পরিবর্তন করেন। তার গাড়ির অবস্থান এবং লিমনের ফোনের লোকেশন একই এলাকায় পাওয়া যায়, যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

পুলিশি তল্লাশিতে তার ব্যবহৃত গাড়ি অস্বাভাবিকভাবে পরিষ্কার করা হয়েছে বলে ধারণা পাওয়া যায়। এছাড়া ঘটনাদিনে তিনি বিভিন্ন পরিষ্কারক সামগ্রী কেনেন, যা সন্দেহকে আরও ঘনীভূত করেছে।

 

ফ্ল্যাটে ফরেনসিক তদন্তে রক্তের দাগ, ব্যক্তিগত জিনিসপত্র এবং রক্তমাখা কিছু উপকরণ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সামগ্রীও সেখানে পাওয়া গেছে।

 

এছাড়া ফোনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঘটনাটির আগে ও পরে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিভিন্ন সন্দেহজনক অনলাইন অনুসন্ধান করেছিলেন, যা তদন্তকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত অব্যাহত রেখেছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:০৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
৫ বার পড়া হয়েছে

লিমন-বৃষ্টির নিখোঁজের পেছনে কী ঘটেছিল, তদন্তে উঠে আসছে হিশামের ভূমিকা

আপডেট সময় ১১:০৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে ঘিরে তদন্তে ভয়াবহ তথ্য সামনে আসছে। দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) এই দুই শিক্ষার্থীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তাদের রুমমেট হিশাম সালেহ আবুঘরবেহকে ঘিরে সন্দেহ জোরালো হয়েছে।

 

পুলিশ জানায়, ১৭ এপ্রিল এক সহপাঠী বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশকে বিষয়টি জানালে তদন্ত শুরু হয়। জানা যায়, ১৬ এপ্রিল সকাল থেকে বৃষ্টি এবং পরে লিমনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।

 

তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ ও ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে দেখা যায়, নিখোঁজের দিন বৃষ্টি ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে লিমনের ফোনের অবস্থান পরে ক্যাম্পাসের বাইরে বিভিন্ন স্থানে সনাক্ত হয়, যা সন্দেহ আরও বাড়িয়ে তোলে।

 

গোয়েন্দারা লিমনের রুমমেট হিশামকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি পাওয়া যায়। প্রথমে তিনি কিছু অস্বীকার করলেও পরে নিজের বক্তব্য পরিবর্তন করেন। তার গাড়ির অবস্থান এবং লিমনের ফোনের লোকেশন একই এলাকায় পাওয়া যায়, যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

পুলিশি তল্লাশিতে তার ব্যবহৃত গাড়ি অস্বাভাবিকভাবে পরিষ্কার করা হয়েছে বলে ধারণা পাওয়া যায়। এছাড়া ঘটনাদিনে তিনি বিভিন্ন পরিষ্কারক সামগ্রী কেনেন, যা সন্দেহকে আরও ঘনীভূত করেছে।

 

ফ্ল্যাটে ফরেনসিক তদন্তে রক্তের দাগ, ব্যক্তিগত জিনিসপত্র এবং রক্তমাখা কিছু উপকরণ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সামগ্রীও সেখানে পাওয়া গেছে।

 

এছাড়া ফোনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঘটনাটির আগে ও পরে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিভিন্ন সন্দেহজনক অনলাইন অনুসন্ধান করেছিলেন, যা তদন্তকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত অব্যাহত রেখেছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।