ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শাকিরা ও বার্না বয়ের থিম সং ‘দাই দাই’ Logo পটুয়াখালীতে বন্ধ ঘর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, রুমমেট পলাতক Logo বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী হত্যার সন্দেহভাজন আবুঘরবেহ তিন বছর আগে মাকেও মারধর করেছিলেন Logo সংসদে নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করলেন জামায়াত নেতা তাহের Logo সাকিবের পাশাপাশি মাশরাফি ও দুর্জয়কেও আলোচনায় আনতে বললেন তামিম Logo বিএনপির প্রতি আস্থা হারাচ্ছি: সংসদে নাহিদ ইসলামের মন্তব্য Logo নিপীড়নের আশঙ্কা জানালে ভিসা নয়—যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতি Logo ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি Logo ট্রাম্পকে ‘রাজার খোঁচা’ দিলেন ব্রিটিশ চার্লস, ফরাসি ভাষা নিয়ে ব্যঙ্গ Logo ডে-কেয়ারে হাত-পা বেঁধে রাখা ৫০ শিশু, নেশাদ্রব্য প্রয়োগের অভিযোগে তোলপাড়

লিমন-বৃষ্টির নিখোঁজের পেছনে কী ঘটেছিল, তদন্তে উঠে আসছে হিশামের ভূমিকা

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে ঘিরে তদন্তে ভয়াবহ তথ্য সামনে আসছে। দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) এই দুই শিক্ষার্থীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তাদের রুমমেট হিশাম সালেহ আবুঘরবেহকে ঘিরে সন্দেহ জোরালো হয়েছে।

 

পুলিশ জানায়, ১৭ এপ্রিল এক সহপাঠী বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশকে বিষয়টি জানালে তদন্ত শুরু হয়। জানা যায়, ১৬ এপ্রিল সকাল থেকে বৃষ্টি এবং পরে লিমনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।

 

তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ ও ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে দেখা যায়, নিখোঁজের দিন বৃষ্টি ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে লিমনের ফোনের অবস্থান পরে ক্যাম্পাসের বাইরে বিভিন্ন স্থানে সনাক্ত হয়, যা সন্দেহ আরও বাড়িয়ে তোলে।

 

গোয়েন্দারা লিমনের রুমমেট হিশামকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি পাওয়া যায়। প্রথমে তিনি কিছু অস্বীকার করলেও পরে নিজের বক্তব্য পরিবর্তন করেন। তার গাড়ির অবস্থান এবং লিমনের ফোনের লোকেশন একই এলাকায় পাওয়া যায়, যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

পুলিশি তল্লাশিতে তার ব্যবহৃত গাড়ি অস্বাভাবিকভাবে পরিষ্কার করা হয়েছে বলে ধারণা পাওয়া যায়। এছাড়া ঘটনাদিনে তিনি বিভিন্ন পরিষ্কারক সামগ্রী কেনেন, যা সন্দেহকে আরও ঘনীভূত করেছে।

 

ফ্ল্যাটে ফরেনসিক তদন্তে রক্তের দাগ, ব্যক্তিগত জিনিসপত্র এবং রক্তমাখা কিছু উপকরণ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সামগ্রীও সেখানে পাওয়া গেছে।

 

এছাড়া ফোনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঘটনাটির আগে ও পরে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিভিন্ন সন্দেহজনক অনলাইন অনুসন্ধান করেছিলেন, যা তদন্তকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত অব্যাহত রেখেছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:০৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
১৭ বার পড়া হয়েছে

লিমন-বৃষ্টির নিখোঁজের পেছনে কী ঘটেছিল, তদন্তে উঠে আসছে হিশামের ভূমিকা

আপডেট সময় ১১:০৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে ঘিরে তদন্তে ভয়াবহ তথ্য সামনে আসছে। দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) এই দুই শিক্ষার্থীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তাদের রুমমেট হিশাম সালেহ আবুঘরবেহকে ঘিরে সন্দেহ জোরালো হয়েছে।

 

পুলিশ জানায়, ১৭ এপ্রিল এক সহপাঠী বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশকে বিষয়টি জানালে তদন্ত শুরু হয়। জানা যায়, ১৬ এপ্রিল সকাল থেকে বৃষ্টি এবং পরে লিমনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।

 

তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ ও ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে দেখা যায়, নিখোঁজের দিন বৃষ্টি ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে লিমনের ফোনের অবস্থান পরে ক্যাম্পাসের বাইরে বিভিন্ন স্থানে সনাক্ত হয়, যা সন্দেহ আরও বাড়িয়ে তোলে।

 

গোয়েন্দারা লিমনের রুমমেট হিশামকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি পাওয়া যায়। প্রথমে তিনি কিছু অস্বীকার করলেও পরে নিজের বক্তব্য পরিবর্তন করেন। তার গাড়ির অবস্থান এবং লিমনের ফোনের লোকেশন একই এলাকায় পাওয়া যায়, যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

পুলিশি তল্লাশিতে তার ব্যবহৃত গাড়ি অস্বাভাবিকভাবে পরিষ্কার করা হয়েছে বলে ধারণা পাওয়া যায়। এছাড়া ঘটনাদিনে তিনি বিভিন্ন পরিষ্কারক সামগ্রী কেনেন, যা সন্দেহকে আরও ঘনীভূত করেছে।

 

ফ্ল্যাটে ফরেনসিক তদন্তে রক্তের দাগ, ব্যক্তিগত জিনিসপত্র এবং রক্তমাখা কিছু উপকরণ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সামগ্রীও সেখানে পাওয়া গেছে।

 

এছাড়া ফোনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঘটনাটির আগে ও পরে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিভিন্ন সন্দেহজনক অনলাইন অনুসন্ধান করেছিলেন, যা তদন্তকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত অব্যাহত রেখেছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।