ঢাকা ০২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo সালিশি কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়েতে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখল হাইকোর্ট Logo নবাবগঞ্জ পার্ক এলাকায় দরিদ্রদের মাঝে বিজিবির শীতবস্ত্র বিতরণ Logo স্ক্যালোনি মেসির সঙ্গে ব্যক্তিগত বৈঠকে আলোচনা প্রকাশ করেছেন Logo নোবেল পুরস্কার নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান নোবেল ইনস্টিটিউটের, বাতিল বা ভাগাভাগির সুযোগ নেই Logo রাজধানীতে স্কুলছাত্রী হত্যাকাণ্ড: পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা Logo হিজাব পরা নারী প্রধানমন্ত্রী প্রসঙ্গে তর্কে জড়ালেন ওয়াইসি ও হিমন্ত Logo সীমান্তে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে প্রাণ গেল বাংলাদেশি শিশুর Logo জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন: আজ প্রসিকিউশনের শুনানি Logo ঢাকা ও আশপাশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমার আভাস Logo আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২২ ক্যারেট সোনা ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা

যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসন অপসারিত, এপস্টাইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদ :

ছবি সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসনকে দায়িত্ব থেকে সরিয়েছে যুক্তরাজ্য। প্রয়াত মার্কিন অর্থলগ্নিকারী ও দোষী সাব্যস্ত শিশু যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের নতুন প্রমাণ সামনে আসার পর এ সিদ্ধান্ত নেয় লন্ডন।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে উদ্ধার হওয়া কয়েকটি ইমেইল দেখায়, ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে এপস্টাইনের সম্পর্ক আগে যা প্রকাশ্যে জানা গিয়েছিল, তার চেয়ে অনেক বিস্তৃত। এই তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নির্দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেন।

লেবার পার্টির বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ম্যান্ডেলসন টনি ব্লেয়ারের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলবিদ ছিলেন। বিতর্কের সূত্রপাত হয় সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের হাউস ওভারসাইট কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যদের প্রকাশ করা একটি অ্যালবামকে কেন্দ্র করে। ২০০৩ সালে এপস্টাইনের ৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে তৈরি ওই অ্যালবামে ম্যান্ডেলসন লিখেছিলেন, “মাই বেস্ট পল।”

ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড দ্য সান আরও জানায়, ২০০৮ সালে যখন এপস্টাইন কিশোরীদের সঙ্গে যৌন অপরাধে সাজা পেতে যাচ্ছিলেন, ম্যান্ডেলসন তাকে ইমেইলে সাহস জুগিয়েছিলেন এবং লিখেছিলেন, “আমি তোমার জন্য সবকিছু ভাবি, মুক্তির জন্য লড়াই করো।”

সরকারের ভাষ্যমতে, এপস্টাইনের প্রথম সাজাকে “ভুল রায়” হিসেবে উল্লেখ করে তা চ্যালেঞ্জ করার জন্য ম্যান্ডেলসনের পরামর্শ দেওয়াই ছিল নতুন আবিষ্কৃত উপাদান, যা প্রমাণ করে তিনি রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালনের জন্য উপযুক্ত নন।

ম্যান্ডেলসন চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটনে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি টনি ব্লেয়ার ও গর্ডন ব্রাউনের মন্ত্রিসভায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:৪৩:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৫৬ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসন অপসারিত, এপস্টাইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ

আপডেট সময় ০৫:৪৩:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসনকে দায়িত্ব থেকে সরিয়েছে যুক্তরাজ্য। প্রয়াত মার্কিন অর্থলগ্নিকারী ও দোষী সাব্যস্ত শিশু যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের নতুন প্রমাণ সামনে আসার পর এ সিদ্ধান্ত নেয় লন্ডন।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে উদ্ধার হওয়া কয়েকটি ইমেইল দেখায়, ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে এপস্টাইনের সম্পর্ক আগে যা প্রকাশ্যে জানা গিয়েছিল, তার চেয়ে অনেক বিস্তৃত। এই তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নির্দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেন।

লেবার পার্টির বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ম্যান্ডেলসন টনি ব্লেয়ারের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলবিদ ছিলেন। বিতর্কের সূত্রপাত হয় সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের হাউস ওভারসাইট কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যদের প্রকাশ করা একটি অ্যালবামকে কেন্দ্র করে। ২০০৩ সালে এপস্টাইনের ৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে তৈরি ওই অ্যালবামে ম্যান্ডেলসন লিখেছিলেন, “মাই বেস্ট পল।”

ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড দ্য সান আরও জানায়, ২০০৮ সালে যখন এপস্টাইন কিশোরীদের সঙ্গে যৌন অপরাধে সাজা পেতে যাচ্ছিলেন, ম্যান্ডেলসন তাকে ইমেইলে সাহস জুগিয়েছিলেন এবং লিখেছিলেন, “আমি তোমার জন্য সবকিছু ভাবি, মুক্তির জন্য লড়াই করো।”

সরকারের ভাষ্যমতে, এপস্টাইনের প্রথম সাজাকে “ভুল রায়” হিসেবে উল্লেখ করে তা চ্যালেঞ্জ করার জন্য ম্যান্ডেলসনের পরামর্শ দেওয়াই ছিল নতুন আবিষ্কৃত উপাদান, যা প্রমাণ করে তিনি রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালনের জন্য উপযুক্ত নন।

ম্যান্ডেলসন চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটনে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি টনি ব্লেয়ার ও গর্ডন ব্রাউনের মন্ত্রিসভায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।