ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শাকিরা ও বার্না বয়ের থিম সং ‘দাই দাই’ Logo পটুয়াখালীতে বন্ধ ঘর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, রুমমেট পলাতক Logo বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী হত্যার সন্দেহভাজন আবুঘরবেহ তিন বছর আগে মাকেও মারধর করেছিলেন Logo সংসদে নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করলেন জামায়াত নেতা তাহের Logo সাকিবের পাশাপাশি মাশরাফি ও দুর্জয়কেও আলোচনায় আনতে বললেন তামিম Logo বিএনপির প্রতি আস্থা হারাচ্ছি: সংসদে নাহিদ ইসলামের মন্তব্য Logo নিপীড়নের আশঙ্কা জানালে ভিসা নয়—যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতি Logo ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি Logo ট্রাম্পকে ‘রাজার খোঁচা’ দিলেন ব্রিটিশ চার্লস, ফরাসি ভাষা নিয়ে ব্যঙ্গ Logo ডে-কেয়ারে হাত-পা বেঁধে রাখা ৫০ শিশু, নেশাদ্রব্য প্রয়োগের অভিযোগে তোলপাড়

স্বর্ণের চেইনের জন্য শিশু হত্যা: ৫ জনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

স্বর্ণের চেইনের জন্য শিশু হত্যা: ৫ জনের যাবজ্জীবন।

মুন্সীগঞ্জে গলার স্বর্ণের চেইনের জন্য শিশু তকির হোসেনকে হত্যার ঘটনায় ৫ জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দশ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে এই রায় দেন মুন্সীগঞ্জের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ড. মোহাম্মদ আলমগীর।


ঘটনার ১৪ বছর এই রায় পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্বজনরা। তবে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক দুই আসামি রবিউল্লাহ ও হান্নান মিয়াকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তারা।


আদালতে উপস্থিত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপর তিন আসামি আবুল হোসেন, ময়না মিয়া ও আনোয়ার হোসেন রায় শুনে মুষড়ে পড়েন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১০ সালের ৩১ আগস্ট সকালে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার ফুলতলা এলাকায় দশ বছরের শিশু তকিরকে বাড়িতে রেখে তার বাবা-মা মুন্সীগঞ্জ শহরের মার্কেটে যায়। পরে বিকাল ৪ টার দিকে বাড়িতে ফিরে এসে তকিরকে না পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে।

কোথাও খুঁজে না পেয়ে ঘটনার পরের দিন ১ সেপ্টেম্বর মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় অভিযোগ করেন তকিরের মা ঝর্ণা বেগম।

এদিকে ঘটনার তিন দিন পর ২ সেপ্টেম্বর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে শিশু তকিরের মরদেহের সন্ধান মিলে।

ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১০ সালের ৩ নভেম্বর পাশের এলাকার চিহ্নিত চোর রবিউল্লাহকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে একে একে এই ঘটনায় জড়িত আরও ৪ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
রিমান্ডে গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিতে তকিরকে সংঘবদ্ধভাবে অপহরণ করে হত্যা করা হয় বলে জবানবন্দিতে স্বীকার করে আসামিরা।

আদালতটির সরকার পক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম পল্টু জানান, দীর্ঘ  বিচারকার্য শেষে আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এ রায় দেন।
 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:৪৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৪
১৮২ বার পড়া হয়েছে

স্বর্ণের চেইনের জন্য শিশু হত্যা: ৫ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৭:৪৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৪

স্বর্ণের চেইনের জন্য শিশু হত্যা: ৫ জনের যাবজ্জীবন।

মুন্সীগঞ্জে গলার স্বর্ণের চেইনের জন্য শিশু তকির হোসেনকে হত্যার ঘটনায় ৫ জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দশ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে এই রায় দেন মুন্সীগঞ্জের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ড. মোহাম্মদ আলমগীর।


ঘটনার ১৪ বছর এই রায় পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্বজনরা। তবে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক দুই আসামি রবিউল্লাহ ও হান্নান মিয়াকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তারা।


আদালতে উপস্থিত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অপর তিন আসামি আবুল হোসেন, ময়না মিয়া ও আনোয়ার হোসেন রায় শুনে মুষড়ে পড়েন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১০ সালের ৩১ আগস্ট সকালে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার ফুলতলা এলাকায় দশ বছরের শিশু তকিরকে বাড়িতে রেখে তার বাবা-মা মুন্সীগঞ্জ শহরের মার্কেটে যায়। পরে বিকাল ৪ টার দিকে বাড়িতে ফিরে এসে তকিরকে না পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে।

কোথাও খুঁজে না পেয়ে ঘটনার পরের দিন ১ সেপ্টেম্বর মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় অভিযোগ করেন তকিরের মা ঝর্ণা বেগম।

এদিকে ঘটনার তিন দিন পর ২ সেপ্টেম্বর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে শিশু তকিরের মরদেহের সন্ধান মিলে।

ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১০ সালের ৩ নভেম্বর পাশের এলাকার চিহ্নিত চোর রবিউল্লাহকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে একে একে এই ঘটনায় জড়িত আরও ৪ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
রিমান্ডে গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিতে তকিরকে সংঘবদ্ধভাবে অপহরণ করে হত্যা করা হয় বলে জবানবন্দিতে স্বীকার করে আসামিরা।

আদালতটির সরকার পক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম পল্টু জানান, দীর্ঘ  বিচারকার্য শেষে আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এ রায় দেন।