ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ব্রিসবেন বিমানবন্দরে ইংল্যান্ড দলের নিরাপত্তাকর্মীর আচরণ নিয়ে বিতর্ক Logo বিজয় দিবসে ৫৪ প্যারাট্রুপারের পতাকা জাম্প, বিশ্ব রেকর্ডে থাকছেন বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী Logo ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় ফয়সাল করিমের সব ব্যাংক হিসাব স্থগিত Logo গুলিবর্ষণে নতুন তথ্য: ওসমান হাদীর ওপর হামলায় ব্যবহৃত বাইকের চালক শনাক্তের দাবি দ্য ডিসেন্টের Logo আজ পালিত হচ্ছে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস Logo পঞ্চগড়ে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান, দুইটি ভাটা উচ্ছেদ Logo সরকার আন্তরিক হলে ২৪ ঘণ্টায় হামলাকারী গ্রেপ্তার সম্ভব: রুমিন ফারহানা Logo নির্বাচন সামনে রেখে সিইসি ও কমিশনারদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা চাইল ইসি Logo নোয়াখালী এক্সপ্রেসে অধিনায়কত্ব নিয়ে ধোঁয়াশা, সৌম্য সরকার প্রথম পছন্দ হলেও বিকল্প ভাবনায় দল Logo জিওস্টার চুক্তি নিয়ে জল্পনার অবসান, অবস্থান পরিষ্কার করলো আইসিসি

গাজার মসজিদগুলো এখন ধ্বংসস্তূপ, তবু থামেনি আজান

নিজস্ব সংবাদ :

সংগৃহিত

ইসরাইলের হামলায় গাজা উপত্যকার অধিকাংশ মসজিদ এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। একসময় যেসব মিনার থেকে আজানের ধ্বনি ভেসে আসত, এখন সেগুলোর জায়গায় কেবল ধুলা আর ভাঙা পাথর।
দীর্ঘ দুই বছরের সংঘাতে প্রায় পুরো উপত্যকাই মিনারবিহীন হয়ে পড়েছে। শতাব্দী প্রাচীন স্থাপত্যগুলোও রক্ষা পায়নি; ইতিহাস যেন মুছে গেছে বোমার আঘাতে।

৬২ বছর বয়সি আবু খালেদ আল-নাজ্জার বলেন, “ছোটবেলা থেকে ইবনে ওসমান মসজিদে নামাজ পড়তাম। এখন সেই জায়গাটা শুধু ধ্বংসস্তূপ। কল্পনাও করিনি, একদিন মসজিদ ছাড়াই নামাজ পড়তে হবে।”

গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ১,২৪৪টি মসজিদের মধ্যে ৮৩৫টি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে, আর ১৮০টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত। এর মধ্যে রয়েছে মামলুক ও অটোমান যুগের বহু প্রাচীন মসজিদ।

পুরোনো শহরের গ্রেট ওমারি মসজিদের ধ্বংসাবশেষে ২৭ বছর বয়সি মাহমুদ কান্দিল এখনো ঘুরে বেড়ান, ইতিহাসের টুকরো খুঁজে বেড়াতে।
৭৪ বছর বয়সি উম্মে ওয়ায়েল বলেন, “মসজিদ আর নেই, কিন্তু ঘরে বসেই কুরআন পড়ব। কারণ আল্লাহ সর্বত্র আছেন, আমাদের দোয়া তিনি শুনছেন।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:০৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
৩৩ বার পড়া হয়েছে

গাজার মসজিদগুলো এখন ধ্বংসস্তূপ, তবু থামেনি আজান

আপডেট সময় ১১:০৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

ইসরাইলের হামলায় গাজা উপত্যকার অধিকাংশ মসজিদ এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। একসময় যেসব মিনার থেকে আজানের ধ্বনি ভেসে আসত, এখন সেগুলোর জায়গায় কেবল ধুলা আর ভাঙা পাথর।
দীর্ঘ দুই বছরের সংঘাতে প্রায় পুরো উপত্যকাই মিনারবিহীন হয়ে পড়েছে। শতাব্দী প্রাচীন স্থাপত্যগুলোও রক্ষা পায়নি; ইতিহাস যেন মুছে গেছে বোমার আঘাতে।

৬২ বছর বয়সি আবু খালেদ আল-নাজ্জার বলেন, “ছোটবেলা থেকে ইবনে ওসমান মসজিদে নামাজ পড়তাম। এখন সেই জায়গাটা শুধু ধ্বংসস্তূপ। কল্পনাও করিনি, একদিন মসজিদ ছাড়াই নামাজ পড়তে হবে।”

গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ১,২৪৪টি মসজিদের মধ্যে ৮৩৫টি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে, আর ১৮০টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত। এর মধ্যে রয়েছে মামলুক ও অটোমান যুগের বহু প্রাচীন মসজিদ।

পুরোনো শহরের গ্রেট ওমারি মসজিদের ধ্বংসাবশেষে ২৭ বছর বয়সি মাহমুদ কান্দিল এখনো ঘুরে বেড়ান, ইতিহাসের টুকরো খুঁজে বেড়াতে।
৭৪ বছর বয়সি উম্মে ওয়ায়েল বলেন, “মসজিদ আর নেই, কিন্তু ঘরে বসেই কুরআন পড়ব। কারণ আল্লাহ সর্বত্র আছেন, আমাদের দোয়া তিনি শুনছেন।”