ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ব্রিসবেন বিমানবন্দরে ইংল্যান্ড দলের নিরাপত্তাকর্মীর আচরণ নিয়ে বিতর্ক Logo বিজয় দিবসে ৫৪ প্যারাট্রুপারের পতাকা জাম্প, বিশ্ব রেকর্ডে থাকছেন বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী Logo ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় ফয়সাল করিমের সব ব্যাংক হিসাব স্থগিত Logo গুলিবর্ষণে নতুন তথ্য: ওসমান হাদীর ওপর হামলায় ব্যবহৃত বাইকের চালক শনাক্তের দাবি দ্য ডিসেন্টের Logo আজ পালিত হচ্ছে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস Logo পঞ্চগড়ে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান, দুইটি ভাটা উচ্ছেদ Logo সরকার আন্তরিক হলে ২৪ ঘণ্টায় হামলাকারী গ্রেপ্তার সম্ভব: রুমিন ফারহানা Logo নির্বাচন সামনে রেখে সিইসি ও কমিশনারদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা চাইল ইসি Logo নোয়াখালী এক্সপ্রেসে অধিনায়কত্ব নিয়ে ধোঁয়াশা, সৌম্য সরকার প্রথম পছন্দ হলেও বিকল্প ভাবনায় দল Logo জিওস্টার চুক্তি নিয়ে জল্পনার অবসান, অবস্থান পরিষ্কার করলো আইসিসি

গাজা পরিস্থিতি নিয়ে ম্যাকরন ও সালমানের ফোনালাপ

নিজস্ব সংবাদ :

 

গাজা সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নিয়ে ফোনে কথা বলেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন ও সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। রোববার (১৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই আলোচনা বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে মতবিনিময়ের সুযোগ করে দেয় বলে জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।

ফোনালাপে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি অভিযানের প্রেক্ষিতে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয় তুলে ধরেন দুই নেতা। তারা জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি মানবিক সহায়তা বাড়ানো জরুরি। একইসঙ্গে, দীর্ঘমেয়াদি শান্তি নিশ্চিত করতে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের বাস্তব উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মত দেন তারা।

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর পাশাপাশি, সৌদি আরব ও ফ্রান্সের মধ্যে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার ভিত্তিতে ১০ অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। এই চুক্তি অনুসারে, ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, মানবিক সহায়তা প্রবেশ, বন্দী বিনিময় এবং হামাসের নিরস্ত্রীকরণের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এই চুক্তি ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের অবসান ঘটায়, যেখানে ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারান অন্তত ৬৮ হাজার ফিলিস্তিনি এবং গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যায়।

এছাড়া, ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির সংখ্যা বাড়ছে। গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে আরও ১০টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়, যার ফলে এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১৫৭টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:২৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
৫৬ বার পড়া হয়েছে

গাজা পরিস্থিতি নিয়ে ম্যাকরন ও সালমানের ফোনালাপ

আপডেট সময় ০১:২৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

 

গাজা সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নিয়ে ফোনে কথা বলেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন ও সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। রোববার (১৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই আলোচনা বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে মতবিনিময়ের সুযোগ করে দেয় বলে জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।

ফোনালাপে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি অভিযানের প্রেক্ষিতে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয় তুলে ধরেন দুই নেতা। তারা জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি মানবিক সহায়তা বাড়ানো জরুরি। একইসঙ্গে, দীর্ঘমেয়াদি শান্তি নিশ্চিত করতে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের বাস্তব উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মত দেন তারা।

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর পাশাপাশি, সৌদি আরব ও ফ্রান্সের মধ্যে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার ভিত্তিতে ১০ অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। এই চুক্তি অনুসারে, ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, মানবিক সহায়তা প্রবেশ, বন্দী বিনিময় এবং হামাসের নিরস্ত্রীকরণের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এই চুক্তি ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের অবসান ঘটায়, যেখানে ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারান অন্তত ৬৮ হাজার ফিলিস্তিনি এবং গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যায়।

এছাড়া, ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির সংখ্যা বাড়ছে। গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে আরও ১০টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়, যার ফলে এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১৫৭টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।