ঢাকা ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo বৈশাখে জামায়াতের শোভাযাত্রা, দেশীয় সংস্কৃতি রক্ষার আহ্বান Logo ট্রাম্পকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও, ইরানপন্থি চ্যানেল বন্ধ করায় ইউটিউবের বিরুদ্ধে তেহরানের ক্ষোভ Logo অল্প বয়সের আবেগে নেওয়া বিয়ের সিদ্ধান্তকে ভুল বললেন অপু বিশ্বাস Logo পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo নির্ভয় সমাজ ও বিশ্বশান্তির আহ্বান, ছায়ানটের বর্ষবরণ আয়োজন Logo চারুকলা থেকে বৈশাখী শোভাযাত্রা, নতুন দিনের আশায় বর্ণিল আয়োজন Logo মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্যের পদত্যাগ, আইনি পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ Logo সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার অপব্যবহার করছে বিএনপি : হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ Logo বকেয়া পাওনার অভিযোগ খণ্ডন, নাসুমের বিরুদ্ধেই পাল্টা অভিযোগ সিলেটের Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আজ সম্পন্ন হবে সুরসম্রাজ্ঞী আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য

প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেয়া হলো স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

এমবিবিএস ডাক্তার ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক না দেয়া, ওষুধের মূল্য, টেস্ট ও চিকিৎসকের ফি নির্ধারণসহ একগুচ্ছ সুপারিশ করে প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন।

সোমবার (৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় কমিশন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার নিকট প্রতিবেদন পেশ করে। রিপোর্টে স্বাস্থ্য কমিশন ও হেলথ সার্ভিস গঠনের কথাও বলা হয়েছে; যারা সরাসরি রিপোর্ট করবে সরকার প্রধানকে।

স্বাস্থ্য অর্থায়ন অংশে বলা হয়, জিডিপি’র পাঁচ ও বাজেটের ১৫ শতাংশ স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ করতে হবে। সরকারি- বেসরকারি খাতের সমন্বয় করে স্বাস্থ্যসেবা সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করার সুপারিশ করা হয় কমিশন প্রতিবেদনে। শুরুতে ২৫ ভাগ ওষুধ জেনেরিক নামে প্রেসক্রাইব করতে হবে। ওষুধ কোম্পানিগুলোর নমুনা বা উপহার প্রদান করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধের কথাও বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উঠে আসে নারীস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে পৃথক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার কথাও। বলা হয়েছে উচ্চ আয়ের করদাতাদের করের ৫ শতাংশ স্বাস্থ্যসেবা খাতে বরাদ্দ করতে হবে। স্বাস্থ্য শিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাখতে হবে স্বায়ত্তশাসনের আওতায়।একাডেমিক পদবীধারী চিকিৎসকরা ফুলটাইম চাকরি করবেন, যাতে বাইরে রোগী দেখার চর্চা বন্ধ হয়।

যোগ্যতা, স্বচ্ছতা বিবেচনা ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা পরিহার করে যোগ্য লোকের পদায়ন করার ব্যাপারে জোর দেয়া হয়েছে সংস্কার প্রতিবেদনে।

এর আগে,  স্বাস্থ্যসেবাকে জনমুখী, সহজলভ্য ও সার্বজনীন করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার প্রস্তাবের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. একে আজাদ খানকে প্রধান করে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়।

এই কমিশনের  অন্যান্য সদস্যরা হলেন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাকির হোসেন, পথিকৃৎ ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী, গাইনোকলজিস্ট অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার, শিশু স্নায়ুতন্ত্র বিভাগ অধ্যাপক ডা. নায়লা জামান খান, সাবেক সচিব এম এম রেজা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক আঞ্চলিক উপদেষ্টা (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চল) অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক, আইসিডিডিআর, বির ডা. আজহারুল ইসলাম, স্কয়ার হাসপাতালের স্কয়ার ক্যান্সার সেন্টারের অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো: আকরাম হোসেন, গ্রিন লাইফ সেন্টার ফর রিউম্যাটিক কেয়ার এন্ড রিসার্চের চিফ কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, আইসিডিডিআর, বির শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য বিভাগের বিজ্ঞানি ডা. আহমেদ এহসানুর রাহমান, ঢাকা মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী উমায়ের আফিফ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:২৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫
১৭০ বার পড়া হয়েছে

প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেয়া হলো স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন

আপডেট সময় ০২:২৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

এমবিবিএস ডাক্তার ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক না দেয়া, ওষুধের মূল্য, টেস্ট ও চিকিৎসকের ফি নির্ধারণসহ একগুচ্ছ সুপারিশ করে প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন।

সোমবার (৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় কমিশন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার নিকট প্রতিবেদন পেশ করে। রিপোর্টে স্বাস্থ্য কমিশন ও হেলথ সার্ভিস গঠনের কথাও বলা হয়েছে; যারা সরাসরি রিপোর্ট করবে সরকার প্রধানকে।

স্বাস্থ্য অর্থায়ন অংশে বলা হয়, জিডিপি’র পাঁচ ও বাজেটের ১৫ শতাংশ স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ করতে হবে। সরকারি- বেসরকারি খাতের সমন্বয় করে স্বাস্থ্যসেবা সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করার সুপারিশ করা হয় কমিশন প্রতিবেদনে। শুরুতে ২৫ ভাগ ওষুধ জেনেরিক নামে প্রেসক্রাইব করতে হবে। ওষুধ কোম্পানিগুলোর নমুনা বা উপহার প্রদান করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধের কথাও বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উঠে আসে নারীস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে পৃথক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার কথাও। বলা হয়েছে উচ্চ আয়ের করদাতাদের করের ৫ শতাংশ স্বাস্থ্যসেবা খাতে বরাদ্দ করতে হবে। স্বাস্থ্য শিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাখতে হবে স্বায়ত্তশাসনের আওতায়।একাডেমিক পদবীধারী চিকিৎসকরা ফুলটাইম চাকরি করবেন, যাতে বাইরে রোগী দেখার চর্চা বন্ধ হয়।

যোগ্যতা, স্বচ্ছতা বিবেচনা ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা পরিহার করে যোগ্য লোকের পদায়ন করার ব্যাপারে জোর দেয়া হয়েছে সংস্কার প্রতিবেদনে।

এর আগে,  স্বাস্থ্যসেবাকে জনমুখী, সহজলভ্য ও সার্বজনীন করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার প্রস্তাবের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. একে আজাদ খানকে প্রধান করে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়।

এই কমিশনের  অন্যান্য সদস্যরা হলেন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাকির হোসেন, পথিকৃৎ ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী, গাইনোকলজিস্ট অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার, শিশু স্নায়ুতন্ত্র বিভাগ অধ্যাপক ডা. নায়লা জামান খান, সাবেক সচিব এম এম রেজা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক আঞ্চলিক উপদেষ্টা (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চল) অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক, আইসিডিডিআর, বির ডা. আজহারুল ইসলাম, স্কয়ার হাসপাতালের স্কয়ার ক্যান্সার সেন্টারের অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো: আকরাম হোসেন, গ্রিন লাইফ সেন্টার ফর রিউম্যাটিক কেয়ার এন্ড রিসার্চের চিফ কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, আইসিডিডিআর, বির শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য বিভাগের বিজ্ঞানি ডা. আহমেদ এহসানুর রাহমান, ঢাকা মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী উমায়ের আফিফ।