ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ভোট দিতে সাহসী হওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার, নির্বাচনকে বললেন ঐতিহাসিক মাইলফলক Logo ভালুকায় নিহত দীপু দাসের পরিবারকে সহায়তা ও বাড়ি নির্মাণে সরকারের উদ্যোগ Logo নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা Logo এপস্টেইন–সংক্রান্ত নথিতে উঠে এলো এক ফরাসি ফুটবল তারকার নাম Logo বার্সেলোনার সভাপতির পদ ছাড়লেন লাপোর্তা, মার্চে নতুন নির্বাচনে প্রার্থী হবেন Logo মার্কিন জাহাজকে ইরানের জলসীমা এড়িয়ে চলার নির্দেশ Logo ওসমান হাদির পরিবারের কাছে ফ্ল্যাটের দলিল ও চাবি হস্তান্তর করলেন প্রধান উপদেষ্টা Logo পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ Logo মা–বাবার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে নির্বাচনী প্রচারণার ইতি টানলেন তারেক রহমান Logo ভোট ও গণভোট ঘিরে রাজধানী ছাড়ছেন মানুষ, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড়

১৯ বছর পর দেশে ফিরছেন ইউকে বিএনপির সভাপতি এমএ মালিক

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

দীর্ঘ ১৯ বছর পর দেশে ফিরবেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম এ মালিক। আগামী ১৩ অক্টোবর দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন বিএনপি নেতারা। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে যাবেন। সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নয়াপল্টন কার্যালয়ে যাবেন।

দীর্ঘদিন পর দেশের ফেরার প্রতিক্রিয়ায় এম এ মালিক বলেন, আমি খুব ইমোশনাল হয়ে পড়েছি। আমার মায়ের শেষ ইচ্ছা ছিল; দেশের মাটিতে যেন তাকে কবর দেওয়া হয়। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকারের বাধায় আমার মায়ের মরদেহ দেশে নিতে পারিনি। এমনকি আমার বাবা ও ছোট ভাইয়ের মরদেহও দেশে নিয়ে কবর দিতে পারি নাই।

শেখ হাসিনা সরকার আমার পাসপোর্ট আটকে রেখেছিল। ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ফলে দীর্ঘ ১৮ বছর পর আমি পাসপোর্ট ফিরে পেয়েছি। এখন দেশে ফিরলে আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও রাজনৈতিক নেতাসহ সবার সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ হবে- এটা ভেবে আমি খুবই এক্সাইটেড।

সেখান থেকে ১৩ অক্টোবর দুপুরের পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছাবেন। এরপর ঢাকায় চারদিন অবস্থান করে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। ১৭ অক্টোবর তিনি নিজের জন্মস্থান সিলেটে যাবেন। সেখানে দুই সপ্তাহ থাকবেন।

সর্বশেষ ২০০৫ সালে দেশে এসেছিলেন সিলেটের দক্ষিণ সুরমার বাসিন্দা বিএনপি নেতা এমএ মালিক। এরপর আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলে পড়ে দেশে ফিরতে পারেননি তিনি। ওয়ান-ইলেভেনের পর থেকেই যুক্তরাজ্যে ধারাবাহিকভাবে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী নানা কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়ে আলোচনায় ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় এই যুবদল নেতা।

২০২৩ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে সফরকালে ওয়াশিংটনে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন তিনি। সেসময় কর্মসূচি প্রত্যাহার করার জন্য এমএ মালিককে আলোচনায় বসতে চায়ের দাওয়াত দেন শেখ হাসিনা। তা প্রত্যাখ্যান করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতির পাশাপাশি বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেয়ার প্রস্তাব দেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:০৯:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪
১৪৪ বার পড়া হয়েছে

১৯ বছর পর দেশে ফিরছেন ইউকে বিএনপির সভাপতি এমএ মালিক

আপডেট সময় ০৭:০৯:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪

দীর্ঘ ১৯ বছর পর দেশে ফিরবেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম এ মালিক। আগামী ১৩ অক্টোবর দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন বিএনপি নেতারা। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে যাবেন। সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নয়াপল্টন কার্যালয়ে যাবেন।

দীর্ঘদিন পর দেশের ফেরার প্রতিক্রিয়ায় এম এ মালিক বলেন, আমি খুব ইমোশনাল হয়ে পড়েছি। আমার মায়ের শেষ ইচ্ছা ছিল; দেশের মাটিতে যেন তাকে কবর দেওয়া হয়। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকারের বাধায় আমার মায়ের মরদেহ দেশে নিতে পারিনি। এমনকি আমার বাবা ও ছোট ভাইয়ের মরদেহও দেশে নিয়ে কবর দিতে পারি নাই।

শেখ হাসিনা সরকার আমার পাসপোর্ট আটকে রেখেছিল। ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ফলে দীর্ঘ ১৮ বছর পর আমি পাসপোর্ট ফিরে পেয়েছি। এখন দেশে ফিরলে আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও রাজনৈতিক নেতাসহ সবার সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ হবে- এটা ভেবে আমি খুবই এক্সাইটেড।

সেখান থেকে ১৩ অক্টোবর দুপুরের পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছাবেন। এরপর ঢাকায় চারদিন অবস্থান করে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। ১৭ অক্টোবর তিনি নিজের জন্মস্থান সিলেটে যাবেন। সেখানে দুই সপ্তাহ থাকবেন।

সর্বশেষ ২০০৫ সালে দেশে এসেছিলেন সিলেটের দক্ষিণ সুরমার বাসিন্দা বিএনপি নেতা এমএ মালিক। এরপর আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলে পড়ে দেশে ফিরতে পারেননি তিনি। ওয়ান-ইলেভেনের পর থেকেই যুক্তরাজ্যে ধারাবাহিকভাবে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী নানা কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়ে আলোচনায় ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় এই যুবদল নেতা।

২০২৩ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে সফরকালে ওয়াশিংটনে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন তিনি। সেসময় কর্মসূচি প্রত্যাহার করার জন্য এমএ মালিককে আলোচনায় বসতে চায়ের দাওয়াত দেন শেখ হাসিনা। তা প্রত্যাখ্যান করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতির পাশাপাশি বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেয়ার প্রস্তাব দেন তিনি।