ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo বিডিআর হত্যাকাণ্ডে নতুন তদন্ত কমিশন নয়, সুপারিশ বাস্তবায়নের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo অপহরণের খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা, এক ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্র উদ্ধার Logo দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল Logo বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আলী হোসেন ফকির Logo চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের, দগ্ধ আরও সাত Logo  জনগণের শক্তিকেই মূল ভরসা করে বিএনপি, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস নেই: মঈন খান Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ অনিয়ম তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ Logo গরমের ঈদে আরামদায়ক পাঞ্জাবির চাহিদা, বাজারে রং-নকশায় নতুনত্ব Logo এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি Logo ভিনিসিউসকে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগে বেনফিকার আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিষিদ্ধ

এক ট্রলারেই এলো ১৯৫ মণ ইলিশ, উচ্ছ্বসিত জেলেরা

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

এক ট্রলারেই এলো ১৯৫ মণ ইলিশ, উচ্ছ্বসিত জেলেরা।

গত দুইদিনে বঙ্গোপসাগর থেকে ১৯৫ মণ ইলিশ নিয়ে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার আলীপুর মৎস অবতরণ কেন্দ্রে এসেছে একটি ট্রলার। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এসব মাছ আলীপুরে মেসার্স ফাইভ স্টার ফিস নামের একটি মৎস্য আড়তে নিয়ে আসা হয়।

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মাছগুলো নিলামের মাধ্যমে বিক্রি হয় ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকায়।

 

এসব মাছ গত মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) ও বুধবার (৮ জানুয়ারি) কুয়াকাটা থেকে পূর্ব-দক্ষিণ দিকে ৯০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ে।
 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এফ.বি. বিসমিল্লাহ-১ নামের মাছ ধরার ট্রলারটি গত ৬ জানুয়ারি আলীপুর ঘাট থেকে ১৭জন জেলে নিয়ে সমুদ্রে ফিশিং করতে যায়। চার দিন সমুদ্রের বিভিন্ন এলাকায় জাল ফেলে কাঙ্খিত মাছগুলো ধরা পড়েছে।
 
 
মাছগুলো আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে এসে তিনটি সাইজে আলাদা করা হয়। ৬০০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ প্রতিমণ ৪০ হাজার টাকা, ৪০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের প্রতিমণ মাছ ২৫ হাজার টাকা এবং ছোট সাইজের প্রতি মণ মাছ ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। অন্যান্য বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ৫৪ হাজার টাকা বিক্রি হয়েছে।
 
সব মিলিয়ে ট্রলারটির মাছ বিক্রি হয়েছে ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকা।
 
ট্রলারের মাঝি একলাস গাজী বলেন, ‘আলীপুর ঘাট থেকে ১৭ জন জেলে সমুদ্রে যাই। ফিশিং করতে করতে কক্সবাজার সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে জাল ফেলে মাছগুলো পেয়েছি। বর্তমানে সমুদ্রে মাছ বেশি ধরা পড়েছে না‌। এরমধ্যেও এতো মাছ পেয়ে আল্লাহ আমাদের দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।’
 
 
এফবি বিসমিল্লাহ-১ ট্রলারের মালিক খলিলুর রহমান খান বলেন, অনেক দিন ধরে সাগরে খুব কম মাছ ধরা পড়ছে। আমাদের লোকসান গুণতে হচ্ছিল। এই মাছ বিক্রি করে আগের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:২৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫
১২১ বার পড়া হয়েছে

এক ট্রলারেই এলো ১৯৫ মণ ইলিশ, উচ্ছ্বসিত জেলেরা

আপডেট সময় ১০:২৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫

এক ট্রলারেই এলো ১৯৫ মণ ইলিশ, উচ্ছ্বসিত জেলেরা।

গত দুইদিনে বঙ্গোপসাগর থেকে ১৯৫ মণ ইলিশ নিয়ে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার আলীপুর মৎস অবতরণ কেন্দ্রে এসেছে একটি ট্রলার। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এসব মাছ আলীপুরে মেসার্স ফাইভ স্টার ফিস নামের একটি মৎস্য আড়তে নিয়ে আসা হয়।

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মাছগুলো নিলামের মাধ্যমে বিক্রি হয় ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকায়।

 

এসব মাছ গত মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) ও বুধবার (৮ জানুয়ারি) কুয়াকাটা থেকে পূর্ব-দক্ষিণ দিকে ৯০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ে।
 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এফ.বি. বিসমিল্লাহ-১ নামের মাছ ধরার ট্রলারটি গত ৬ জানুয়ারি আলীপুর ঘাট থেকে ১৭জন জেলে নিয়ে সমুদ্রে ফিশিং করতে যায়। চার দিন সমুদ্রের বিভিন্ন এলাকায় জাল ফেলে কাঙ্খিত মাছগুলো ধরা পড়েছে।
 
 
মাছগুলো আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে এসে তিনটি সাইজে আলাদা করা হয়। ৬০০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ প্রতিমণ ৪০ হাজার টাকা, ৪০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের প্রতিমণ মাছ ২৫ হাজার টাকা এবং ছোট সাইজের প্রতি মণ মাছ ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। অন্যান্য বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ৫৪ হাজার টাকা বিক্রি হয়েছে।
 
সব মিলিয়ে ট্রলারটির মাছ বিক্রি হয়েছে ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকা।
 
ট্রলারের মাঝি একলাস গাজী বলেন, ‘আলীপুর ঘাট থেকে ১৭ জন জেলে সমুদ্রে যাই। ফিশিং করতে করতে কক্সবাজার সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে জাল ফেলে মাছগুলো পেয়েছি। বর্তমানে সমুদ্রে মাছ বেশি ধরা পড়েছে না‌। এরমধ্যেও এতো মাছ পেয়ে আল্লাহ আমাদের দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।’
 
 
এফবি বিসমিল্লাহ-১ ট্রলারের মালিক খলিলুর রহমান খান বলেন, অনেক দিন ধরে সাগরে খুব কম মাছ ধরা পড়ছে। আমাদের লোকসান গুণতে হচ্ছিল। এই মাছ বিক্রি করে আগের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবো।