ঢাকা ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo রাজস্ব ঘাটতিতে চাপে সরকার, আদায় বাড়াতে জোর দিচ্ছে এনবিআর সংস্কারে Logo পদ্মায় বাস দুর্ঘটনার ৫ ঘণ্টা পরও নিখোঁজ বহু যাত্রী Logo ইরান যুদ্ধ থামার ইঙ্গিত? ১৫ দফা প্রস্তাব ঘিরে বাড়ছে জল্পনা Logo মগবাজারের ঘটনায় নিজেদের অবস্থান জানিয়ে ভিডিও প্রকাশ নবীন ফ্যাশনের Logo ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট মূল্য নিয়ে ফিফার বিরুদ্ধে ইউরোপীয় সমর্থকদের মামলা Logo স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশবাসী ও প্রবাসীদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের ৪ শিক্ষানবিশ এএসপি চাকরি থেকে অপসারণ Logo নবীন ফ্যাশন দোকান বন্ধের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলে দেওয়ার নির্দেশ, ওসিকে তলব Logo ১৩৩ অধ্যাদেশের মধ্যে ১২০টির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, বাকিগুলো নিয়ে আলোচনা ২৯ মার্চ Logo যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের কাছে ইরানের পাঁচ শর্ত

চলচ্চিত্র নির্মাণে ‘পিচ ডেক’-এর গুরুত্ব তুলে ধরতে ফিল্ম আর্কাইভে কর্মশালা

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর মধ্যে বর্তমানে ‘পিচ’ বা ‘পিচ ডেক’ বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। একটি চলচ্চিত্র কীভাবে নির্মিত হবে, প্রযোজনার পরিকল্পনা কী এবং সম্ভাব্য দর্শক ও অর্থনৈতিক দিক কী—এসব বিষয় একটি কার্যকর পিচের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে বুধবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে অনুষ্ঠিত হয় ‘পিচ ইওর ফিল্ম’ শীর্ষক একটি বিশেষ কর্মশালা।
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ও কনটেন্টভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘লেখালিখি’র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী এ কর্মশালায় প্রধান প্রশিক্ষক ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা ও প্রযোজক রাকা নোশিন নাওয়ার। পুরো আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন ‘লেখালিখি’র প্রধান নির্বাহী সৈয়দা ফারজানা জামান রুম্পা।
কর্মশালায় রাকা নোশিন নাওয়ার একটি শক্তিশালী প্রজেক্ট প্রস্তাবনা তৈরি এবং কার্যকর পিচ ডেক প্রস্তুতের ব্যবহারিক দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, পিচ ডেক শুধু কয়েকটি আকর্ষণীয় স্লাইডের সমষ্টি নয়; বরং এটি একটি কৌশলগত নথি, যেখানে সৃজনশীল ভাবনা, প্রযোজনার পরিকল্পনা, লক্ষ্য দর্শক এবং আর্থিক সম্ভাবনার সমন্বয় থাকতে হয়।
এ কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবাল, পরিচালক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ভূঁঞা, প্রকল্প পরিচালক আলী সরকার এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলামের কন্যা ও চাষী ফিল্মসের নির্বাহী আন্নি ইসলাম। দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থীর হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, চলচ্চিত্র ও সংশ্লিষ্ট উপকরণ সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং গবেষণার মাধ্যমে চলচ্চিত্রের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৮ সালের ১৭ মে তৎকালীন তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘ফিল্ম ইনস্টিটিউট ও আর্কাইভ’ নামে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়।
অন্যদিকে, ‘লেখালিখি’ ২০১৮ সাল থেকে সৃজনশীল দক্ষতা উন্নয়ন এবং নতুন গল্পকার তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে। লেখালিখির বিভিন্ন ফর্ম নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি ২০২৩ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও মেন্টরশিপ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাদের মূল লক্ষ্য কনটেন্ট ও স্টোরি ডেভেলপমেন্টে পেশাগত সহায়তা প্রদান।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ও লেখালিখির যৌথ উদ্যোগে এ ধরনের সৃজনশীল কর্মশালা আয়োজন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৪১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
৪৬ বার পড়া হয়েছে

চলচ্চিত্র নির্মাণে ‘পিচ ডেক’-এর গুরুত্ব তুলে ধরতে ফিল্ম আর্কাইভে কর্মশালা

আপডেট সময় ১০:৪১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর মধ্যে বর্তমানে ‘পিচ’ বা ‘পিচ ডেক’ বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। একটি চলচ্চিত্র কীভাবে নির্মিত হবে, প্রযোজনার পরিকল্পনা কী এবং সম্ভাব্য দর্শক ও অর্থনৈতিক দিক কী—এসব বিষয় একটি কার্যকর পিচের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে বুধবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে অনুষ্ঠিত হয় ‘পিচ ইওর ফিল্ম’ শীর্ষক একটি বিশেষ কর্মশালা।
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ও কনটেন্টভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘লেখালিখি’র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী এ কর্মশালায় প্রধান প্রশিক্ষক ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা ও প্রযোজক রাকা নোশিন নাওয়ার। পুরো আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন ‘লেখালিখি’র প্রধান নির্বাহী সৈয়দা ফারজানা জামান রুম্পা।
কর্মশালায় রাকা নোশিন নাওয়ার একটি শক্তিশালী প্রজেক্ট প্রস্তাবনা তৈরি এবং কার্যকর পিচ ডেক প্রস্তুতের ব্যবহারিক দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, পিচ ডেক শুধু কয়েকটি আকর্ষণীয় স্লাইডের সমষ্টি নয়; বরং এটি একটি কৌশলগত নথি, যেখানে সৃজনশীল ভাবনা, প্রযোজনার পরিকল্পনা, লক্ষ্য দর্শক এবং আর্থিক সম্ভাবনার সমন্বয় থাকতে হয়।
এ কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবাল, পরিচালক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ভূঁঞা, প্রকল্প পরিচালক আলী সরকার এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলামের কন্যা ও চাষী ফিল্মসের নির্বাহী আন্নি ইসলাম। দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থীর হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, চলচ্চিত্র ও সংশ্লিষ্ট উপকরণ সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং গবেষণার মাধ্যমে চলচ্চিত্রের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৮ সালের ১৭ মে তৎকালীন তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘ফিল্ম ইনস্টিটিউট ও আর্কাইভ’ নামে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়।
অন্যদিকে, ‘লেখালিখি’ ২০১৮ সাল থেকে সৃজনশীল দক্ষতা উন্নয়ন এবং নতুন গল্পকার তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে। লেখালিখির বিভিন্ন ফর্ম নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি ২০২৩ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও মেন্টরশিপ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাদের মূল লক্ষ্য কনটেন্ট ও স্টোরি ডেভেলপমেন্টে পেশাগত সহায়তা প্রদান।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ও লেখালিখির যৌথ উদ্যোগে এ ধরনের সৃজনশীল কর্মশালা আয়োজন করা হবে।