ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo চলচ্চিত্র নির্মাণে ‘পিচ ডেক’-এর গুরুত্ব তুলে ধরতে ফিল্ম আর্কাইভে কর্মশালা Logo উত্তর কোরিয়ার নতুন ডেস্ট্রয়ার থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, উপস্থিত ছিলেন কিম জং-উন Logo লক্ষ্মীপুরে ঝগড়া মেটাতে গিয়ে ঘুষিতে প্রাণ হারালেন যুবদল নেতা Logo জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় মন্ত্রী পর্যায়ের কমিটি গঠন, প্রধান অর্থমন্ত্রী Logo স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান Logo বাউফলে হত্যা মামলার পলাতক আসামি সিফাত মল্লিক গ্রেফতার Logo অ্যাশেজে আর থাকছে না গোলাপি বলের দিবারাত্রির টেস্ট Logo ফেসবুকে চুরির ভিডিও ভাইরাল, লক্ষ্মীপুরে কৃষকদল নেতা সাহাব উদ্দিন বহিষ্কার Logo হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানের সতর্কবার্তা, তেল পরিবহনে নতুন উত্তেজনা Logo বন্ধ পাটকল চালুতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম

চলচ্চিত্র নির্মাণে ‘পিচ ডেক’-এর গুরুত্ব তুলে ধরতে ফিল্ম আর্কাইভে কর্মশালা

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর মধ্যে বর্তমানে ‘পিচ’ বা ‘পিচ ডেক’ বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। একটি চলচ্চিত্র কীভাবে নির্মিত হবে, প্রযোজনার পরিকল্পনা কী এবং সম্ভাব্য দর্শক ও অর্থনৈতিক দিক কী—এসব বিষয় একটি কার্যকর পিচের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে বুধবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে অনুষ্ঠিত হয় ‘পিচ ইওর ফিল্ম’ শীর্ষক একটি বিশেষ কর্মশালা।
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ও কনটেন্টভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘লেখালিখি’র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী এ কর্মশালায় প্রধান প্রশিক্ষক ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা ও প্রযোজক রাকা নোশিন নাওয়ার। পুরো আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন ‘লেখালিখি’র প্রধান নির্বাহী সৈয়দা ফারজানা জামান রুম্পা।
কর্মশালায় রাকা নোশিন নাওয়ার একটি শক্তিশালী প্রজেক্ট প্রস্তাবনা তৈরি এবং কার্যকর পিচ ডেক প্রস্তুতের ব্যবহারিক দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, পিচ ডেক শুধু কয়েকটি আকর্ষণীয় স্লাইডের সমষ্টি নয়; বরং এটি একটি কৌশলগত নথি, যেখানে সৃজনশীল ভাবনা, প্রযোজনার পরিকল্পনা, লক্ষ্য দর্শক এবং আর্থিক সম্ভাবনার সমন্বয় থাকতে হয়।
এ কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবাল, পরিচালক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ভূঁঞা, প্রকল্প পরিচালক আলী সরকার এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলামের কন্যা ও চাষী ফিল্মসের নির্বাহী আন্নি ইসলাম। দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থীর হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, চলচ্চিত্র ও সংশ্লিষ্ট উপকরণ সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং গবেষণার মাধ্যমে চলচ্চিত্রের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৮ সালের ১৭ মে তৎকালীন তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘ফিল্ম ইনস্টিটিউট ও আর্কাইভ’ নামে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়।
অন্যদিকে, ‘লেখালিখি’ ২০১৮ সাল থেকে সৃজনশীল দক্ষতা উন্নয়ন এবং নতুন গল্পকার তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে। লেখালিখির বিভিন্ন ফর্ম নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি ২০২৩ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও মেন্টরশিপ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাদের মূল লক্ষ্য কনটেন্ট ও স্টোরি ডেভেলপমেন্টে পেশাগত সহায়তা প্রদান।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ও লেখালিখির যৌথ উদ্যোগে এ ধরনের সৃজনশীল কর্মশালা আয়োজন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৪১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
০ বার পড়া হয়েছে

চলচ্চিত্র নির্মাণে ‘পিচ ডেক’-এর গুরুত্ব তুলে ধরতে ফিল্ম আর্কাইভে কর্মশালা

আপডেট সময় ১০:৪১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর মধ্যে বর্তমানে ‘পিচ’ বা ‘পিচ ডেক’ বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। একটি চলচ্চিত্র কীভাবে নির্মিত হবে, প্রযোজনার পরিকল্পনা কী এবং সম্ভাব্য দর্শক ও অর্থনৈতিক দিক কী—এসব বিষয় একটি কার্যকর পিচের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে বুধবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে অনুষ্ঠিত হয় ‘পিচ ইওর ফিল্ম’ শীর্ষক একটি বিশেষ কর্মশালা।
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ও কনটেন্টভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘লেখালিখি’র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী এ কর্মশালায় প্রধান প্রশিক্ষক ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা ও প্রযোজক রাকা নোশিন নাওয়ার। পুরো আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন ‘লেখালিখি’র প্রধান নির্বাহী সৈয়দা ফারজানা জামান রুম্পা।
কর্মশালায় রাকা নোশিন নাওয়ার একটি শক্তিশালী প্রজেক্ট প্রস্তাবনা তৈরি এবং কার্যকর পিচ ডেক প্রস্তুতের ব্যবহারিক দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, পিচ ডেক শুধু কয়েকটি আকর্ষণীয় স্লাইডের সমষ্টি নয়; বরং এটি একটি কৌশলগত নথি, যেখানে সৃজনশীল ভাবনা, প্রযোজনার পরিকল্পনা, লক্ষ্য দর্শক এবং আর্থিক সম্ভাবনার সমন্বয় থাকতে হয়।
এ কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবাল, পরিচালক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ভূঁঞা, প্রকল্প পরিচালক আলী সরকার এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলামের কন্যা ও চাষী ফিল্মসের নির্বাহী আন্নি ইসলাম। দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থীর হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, চলচ্চিত্র ও সংশ্লিষ্ট উপকরণ সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং গবেষণার মাধ্যমে চলচ্চিত্রের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৮ সালের ১৭ মে তৎকালীন তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘ফিল্ম ইনস্টিটিউট ও আর্কাইভ’ নামে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়।
অন্যদিকে, ‘লেখালিখি’ ২০১৮ সাল থেকে সৃজনশীল দক্ষতা উন্নয়ন এবং নতুন গল্পকার তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে। লেখালিখির বিভিন্ন ফর্ম নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি ২০২৩ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও মেন্টরশিপ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাদের মূল লক্ষ্য কনটেন্ট ও স্টোরি ডেভেলপমেন্টে পেশাগত সহায়তা প্রদান।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ও লেখালিখির যৌথ উদ্যোগে এ ধরনের সৃজনশীল কর্মশালা আয়োজন করা হবে।