ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বকেয়া টাকা নিয়ে বিরোধ, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ Logo ইকরার আত্মহত্যা মামলায় ১৭ মে’র মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ Logo বন্দিদের ওপর নির্যাতন নিয়ে ভয়াবহ অভিযোগ, ‘মৃত্যুই কামনা করেছিলাম’ Logo ছুটি শেষে ফটকে তালা, ওয়াশরুমে আটকে ছিল তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী Logo হামের চিকিৎসার ব্যয় বেড়ে দিশেহারা পরিবারগুলো Logo এসএসসি পরীক্ষায় আবার চালু হচ্ছে ‘নীরব বহিষ্কার’ পদ্ধতি Logo চিকিৎসার পর পুনর্বাসনের জন্য মালয়েশিয়ায় নেওয়া হলো মির্জা আব্বাসকে Logo দেবীদ্বারের সড়ক সংস্কারে জরুরি পদক্ষেপ চাইলেন এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ Logo জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী Logo অনলাইন ক্লাসে অনাগ্রহ, তবুও বৈশ্বিক বাস্তবতায় এগোতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের কাছে ইরানের পাঁচ শর্ত

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিরসনে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য ইরান কয়েকটি কঠোর শর্ত উত্থাপন করেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে শুরু হওয়া পরোক্ষ আলোচনার প্রেক্ষিতে তেহরান এই দাবিগুলো সামনে এনেছে।

 

সূত্রগুলো জানিয়েছে, আলোচনায় ফিরতে হলে ইরান তাদের নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণের ওপর জোর দিচ্ছে। ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনকে জানানো হয়েছে, যুদ্ধবিরতির বিষয়ে এগোতে হলে এসব শর্ত মানতে হবে।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো— ভবিষ্যতে আর কোনো সংঘাত শুরু না হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে তেহরান।

 

এছাড়া চলমান সংঘাতে ইরানের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার পূর্ণ ক্ষতিপূরণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে দিতে হবে বলেও শর্ত দিয়েছে দেশটি। হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে একটি নতুন আইনি কাঠামো প্রণয়নের কথাও বলা হয়েছে, যেখানে এ অঞ্চলে ইরানের প্রাধান্য নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

 

আরেকটি শর্ত হিসেবে ইরান দাবি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ‘বিদ্বেষমূলক’ কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্টদের বিচারের আওতায় আনতে হবে কিংবা তাদের ইরানের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।

 

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে ১৫ দফা প্রস্তাব দিয়েছিল এবং আলোচনা এগিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেছিল। এমনকি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে সম্ভাব্য হামলাও সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয় ওয়াশিংটন। তবে সে সময় এসব আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছিল ইরান।

 

বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে এই শর্ত ও পাল্টা অবস্থান ভবিষ্যৎ সমঝোতার পথকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
২৭ বার পড়া হয়েছে

যুদ্ধবিরতিতে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের কাছে ইরানের পাঁচ শর্ত

আপডেট সময় ০১:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিরসনে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য ইরান কয়েকটি কঠোর শর্ত উত্থাপন করেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে শুরু হওয়া পরোক্ষ আলোচনার প্রেক্ষিতে তেহরান এই দাবিগুলো সামনে এনেছে।

 

সূত্রগুলো জানিয়েছে, আলোচনায় ফিরতে হলে ইরান তাদের নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণের ওপর জোর দিচ্ছে। ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনকে জানানো হয়েছে, যুদ্ধবিরতির বিষয়ে এগোতে হলে এসব শর্ত মানতে হবে।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো— ভবিষ্যতে আর কোনো সংঘাত শুরু না হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে তেহরান।

 

এছাড়া চলমান সংঘাতে ইরানের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার পূর্ণ ক্ষতিপূরণ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে দিতে হবে বলেও শর্ত দিয়েছে দেশটি। হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে একটি নতুন আইনি কাঠামো প্রণয়নের কথাও বলা হয়েছে, যেখানে এ অঞ্চলে ইরানের প্রাধান্য নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

 

আরেকটি শর্ত হিসেবে ইরান দাবি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ‘বিদ্বেষমূলক’ কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্টদের বিচারের আওতায় আনতে হবে কিংবা তাদের ইরানের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।

 

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে ১৫ দফা প্রস্তাব দিয়েছিল এবং আলোচনা এগিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেছিল। এমনকি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে সম্ভাব্য হামলাও সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয় ওয়াশিংটন। তবে সে সময় এসব আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছিল ইরান।

 

বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে এই শর্ত ও পাল্টা অবস্থান ভবিষ্যৎ সমঝোতার পথকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।