ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ নেত্রী তামান্না জেসমিন রিভার জামিন, হাইকোর্টের রুল জারি Logo জাটকা সংরক্ষণে ৭–১৩ এপ্রিল বিশেষ সপ্তাহ, ১৫ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিনের মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা Logo ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাইকমিশনারের বৈঠক Logo হামের উপসর্গে একদিনে ১০ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৫৪ Logo জ্বালানিসংকটের প্রভাবে জাহাজ ভাড়া বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ Logo কিশোরগঞ্জে তুলার গুদামে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস Logo সংবিধান নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্য ছিল রূপক—সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo বাইব্যাক শর্তে নিকো পাজকে ফেরাতে চায় রিয়াল মাদ্রিদ Logo সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের সার্ভার রুমে আগুন, ইমিগ্রেশন সেবা বন্ধ Logo তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার ব্যাখ্যা দিলেন আসিফ মাহমুদ

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে আরও সাড়ে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে আরও সাড়ে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর ৭নং গ্যাসকূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে আরও সাড়ে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। সোমবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে জাতীয় সঞ্চালন লাইনের সঙ্গে সংযোগ দেওয়া হয় সিলেট-৭ নম্বর গ্যাসকূপকে। বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেডের (এসজিএফএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ৭নং কূপ থেকে আজ নতুন করে আরও সাড়ে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে যাচ্ছে।

গ্যাস ফিল্ড সূত্রে জানা যায়, পুরাতন গ্যাসকূপ সিলেট-৭নং কূপে জুলাই মাস থেকে অনুসন্ধান চলে আসছে। গত ১৪ অক্টোবর কূপের ২ হাজার ১০ মিটার গভীরে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান মিলে। এরপর ২২ অক্টোবর ওই কূপের ১২০০ মিটার গভীরে আরও সাড়ে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে পরীক্ষামূলক হিসেবে এক সপ্তাহ গ্যাস উত্তোলন করা হয় এবং উক্ত কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করার জন্য প্রস্তুত করা হয়। এই কূপ থেকে প্রতিদিন সাড়ে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা যাবে বলেও জানান কর্মকর্তারা।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৬ সালে জৈন্তাপুরের হরিপুর সিলেট-৭ নম্বর কূপে তেল উত্তোলন শুরু হয়। ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত তেল উত্তোলন করা হয়। এরপর তেল উত্তোলন বন্ধ হয়ে গেলে ওই কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন করা হয়। সিলেটে ১৪টি কূপে খনন ও গ্যাস উত্তোলন করে দেশীয় তেল গ্যাস উৎপাদনকারী কোম্পানি বাপেক্স। এর মধ্যে জৈন্তাপুরের হরিপুর গ্যাস ফিল্ডে ২টি কূপে, গোলাপগঞ্জের কৈলাশটিলা ৩টিতে, রশিদপুর ৭টি, বিয়ানীবাজার ২টি কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন অব্যাহত আছে।

এর মধ্যে জৈন্তাপুরের হরিপুর গ্যাসফিল্ডে ১৯৫৫ সালে ৯টি কূপে পরীক্ষা চালিয়ে ২টিতে গ্যাস পাওয়া যায় এবং ১৯৬১ সালে এই কূপ দুটি উৎপাদনে যায়। গোলাপগঞ্জের কৈলাশটিলা ১৯৬২ সালে ৭টি কূপে পরীক্ষা চালিয়ে ৩টিতে গ্যাসের সন্ধান মিলে এবং ১৯৮৩ সালে উৎপাদনে যায়। রশিদপুর গ্যাস ফিল্ডে ১৯৬০ সালে ১১টি কূপ খনন করে ৭টিতে গ্যাস উৎপাদনে যায় ১৯৯৩ সালে। বিয়ানীবাজার গ্যাসফিল্ডে ১৯৮১ সালে ২টি কূপ খনন করে দুটিতেই গ্যাসের সন্ধান মিলে এবং ১৯৯৯ সালে উৎপাদনে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪
১৫৫ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে আরও সাড়ে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

আপডেট সময় ০৮:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে আরও সাড়ে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর ৭নং গ্যাসকূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে আরও সাড়ে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। সোমবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে জাতীয় সঞ্চালন লাইনের সঙ্গে সংযোগ দেওয়া হয় সিলেট-৭ নম্বর গ্যাসকূপকে। বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেডের (এসজিএফএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ৭নং কূপ থেকে আজ নতুন করে আরও সাড়ে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে যাচ্ছে।

গ্যাস ফিল্ড সূত্রে জানা যায়, পুরাতন গ্যাসকূপ সিলেট-৭নং কূপে জুলাই মাস থেকে অনুসন্ধান চলে আসছে। গত ১৪ অক্টোবর কূপের ২ হাজার ১০ মিটার গভীরে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান মিলে। এরপর ২২ অক্টোবর ওই কূপের ১২০০ মিটার গভীরে আরও সাড়ে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। পরে পরীক্ষামূলক হিসেবে এক সপ্তাহ গ্যাস উত্তোলন করা হয় এবং উক্ত কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করার জন্য প্রস্তুত করা হয়। এই কূপ থেকে প্রতিদিন সাড়ে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা যাবে বলেও জানান কর্মকর্তারা।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৬ সালে জৈন্তাপুরের হরিপুর সিলেট-৭ নম্বর কূপে তেল উত্তোলন শুরু হয়। ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত তেল উত্তোলন করা হয়। এরপর তেল উত্তোলন বন্ধ হয়ে গেলে ওই কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন করা হয়। সিলেটে ১৪টি কূপে খনন ও গ্যাস উত্তোলন করে দেশীয় তেল গ্যাস উৎপাদনকারী কোম্পানি বাপেক্স। এর মধ্যে জৈন্তাপুরের হরিপুর গ্যাস ফিল্ডে ২টি কূপে, গোলাপগঞ্জের কৈলাশটিলা ৩টিতে, রশিদপুর ৭টি, বিয়ানীবাজার ২টি কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন অব্যাহত আছে।

এর মধ্যে জৈন্তাপুরের হরিপুর গ্যাসফিল্ডে ১৯৫৫ সালে ৯টি কূপে পরীক্ষা চালিয়ে ২টিতে গ্যাস পাওয়া যায় এবং ১৯৬১ সালে এই কূপ দুটি উৎপাদনে যায়। গোলাপগঞ্জের কৈলাশটিলা ১৯৬২ সালে ৭টি কূপে পরীক্ষা চালিয়ে ৩টিতে গ্যাসের সন্ধান মিলে এবং ১৯৮৩ সালে উৎপাদনে যায়। রশিদপুর গ্যাস ফিল্ডে ১৯৬০ সালে ১১টি কূপ খনন করে ৭টিতে গ্যাস উৎপাদনে যায় ১৯৯৩ সালে। বিয়ানীবাজার গ্যাসফিল্ডে ১৯৮১ সালে ২টি কূপ খনন করে দুটিতেই গ্যাসের সন্ধান মিলে এবং ১৯৯৯ সালে উৎপাদনে যায়।