ঢাকা ১১:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo অপহরণের খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা, এক ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্র উদ্ধার Logo দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল Logo বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আলী হোসেন ফকির Logo চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের, দগ্ধ আরও সাত Logo  জনগণের শক্তিকেই মূল ভরসা করে বিএনপি, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস নেই: মঈন খান Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ অনিয়ম তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ Logo গরমের ঈদে আরামদায়ক পাঞ্জাবির চাহিদা, বাজারে রং-নকশায় নতুনত্ব Logo এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি Logo ভিনিসিউসকে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগে বেনফিকার আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিষিদ্ধ Logo ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তার বদলি

জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি না রাখার দাবি বগুড়ার পর্দানশীন নারীদের

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি না রাখার দাবি বগুড়ার পর্দানশীন নারীদের।

জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি না রাখার দাবিতে বগুড়ায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন নারীরা।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের সাতমাথায় ‘বগুড়া জেলা পর্দানশীন নারী সমাজ’-এর ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে শতাধিক নারী অংশ নেন। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবির বদলে শুধু আঙুলের ছাপ দিয়ে নাগরিকের পরিচয় শনাক্তের দাবি জানান।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নারীদের পক্ষে মোছাম্মাত ওয়ালিদা খাতুন বলেন, বিগত ১৬ বছর পর্দানশীন নারীদের নাগরিকত্ববঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। শুধু পরিপূর্ণ পর্দা করার কারণে তারা রাষ্ট্রে চরম বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন। যোগ্য নাগরিক হওয়ার পরও ছবি তুলতে রাজি না হওয়ায় ১৬ বছর ধরে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়নি। নাগরিকত্ব না থাকায় তারা রাষ্ট্রীয় নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

ওয়ালিদা খাতুন আরও বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরিতে পুরুষের সামনে বাধ্যতামূলকভাবে মুখের পর্দা খুলে চেহারা দেখানো শুধু বিব্রতকর নয়, ইসলামবিরোধী কাজ। জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি তুলে পর্দানশীন নারীরা গুনাহগার হতে চান না। এ জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে ছবি সরিয়ে শুধু ফিঙ্গারপ্রিন্ট (আঙুলের ছাপ) বাধ্যতামূলক করতে হবে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার ক্ষেত্রে নারীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ ও আঙুলের ছাপ নেওয়ার কাজে নারীদের নিয়োগ দিতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি রাখার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়েই পরিচয় শনাক্ত নিশ্চিত করতে হবে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নারীরা শিক্ষাঙ্গনে ভর্তি, ফরম পূরণসহ সব ক্ষেত্রে নারীদের ছবি তোলার বাধ্যবাধকতা বাতিল করার দাবি জানান। পরে তারা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
১৬১ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি না রাখার দাবি বগুড়ার পর্দানশীন নারীদের

আপডেট সময় ১১:০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি না রাখার দাবি বগুড়ার পর্দানশীন নারীদের।

জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি না রাখার দাবিতে বগুড়ায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন নারীরা।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের সাতমাথায় ‘বগুড়া জেলা পর্দানশীন নারী সমাজ’-এর ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে শতাধিক নারী অংশ নেন। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবির বদলে শুধু আঙুলের ছাপ দিয়ে নাগরিকের পরিচয় শনাক্তের দাবি জানান।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নারীদের পক্ষে মোছাম্মাত ওয়ালিদা খাতুন বলেন, বিগত ১৬ বছর পর্দানশীন নারীদের নাগরিকত্ববঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। শুধু পরিপূর্ণ পর্দা করার কারণে তারা রাষ্ট্রে চরম বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন। যোগ্য নাগরিক হওয়ার পরও ছবি তুলতে রাজি না হওয়ায় ১৬ বছর ধরে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়নি। নাগরিকত্ব না থাকায় তারা রাষ্ট্রীয় নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

ওয়ালিদা খাতুন আরও বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরিতে পুরুষের সামনে বাধ্যতামূলকভাবে মুখের পর্দা খুলে চেহারা দেখানো শুধু বিব্রতকর নয়, ইসলামবিরোধী কাজ। জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি তুলে পর্দানশীন নারীরা গুনাহগার হতে চান না। এ জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে ছবি সরিয়ে শুধু ফিঙ্গারপ্রিন্ট (আঙুলের ছাপ) বাধ্যতামূলক করতে হবে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার ক্ষেত্রে নারীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ ও আঙুলের ছাপ নেওয়ার কাজে নারীদের নিয়োগ দিতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি রাখার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়েই পরিচয় শনাক্ত নিশ্চিত করতে হবে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নারীরা শিক্ষাঙ্গনে ভর্তি, ফরম পূরণসহ সব ক্ষেত্রে নারীদের ছবি তোলার বাধ্যবাধকতা বাতিল করার দাবি জানান। পরে তারা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি দেন।