ঢাকা ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo সালিশি কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়েতে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখল হাইকোর্ট Logo নবাবগঞ্জ পার্ক এলাকায় দরিদ্রদের মাঝে বিজিবির শীতবস্ত্র বিতরণ Logo স্ক্যালোনি মেসির সঙ্গে ব্যক্তিগত বৈঠকে আলোচনা প্রকাশ করেছেন Logo নোবেল পুরস্কার নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান নোবেল ইনস্টিটিউটের, বাতিল বা ভাগাভাগির সুযোগ নেই Logo রাজধানীতে স্কুলছাত্রী হত্যাকাণ্ড: পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা Logo হিজাব পরা নারী প্রধানমন্ত্রী প্রসঙ্গে তর্কে জড়ালেন ওয়াইসি ও হিমন্ত Logo সীমান্তে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে প্রাণ গেল বাংলাদেশি শিশুর Logo জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন: আজ প্রসিকিউশনের শুনানি Logo ঢাকা ও আশপাশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমার আভাস Logo আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২২ ক্যারেট সোনা ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা

পহেলা বৈশাখের উৎসবে সবাইকে অংশ নেয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

নিজস্ব সংবাদ :

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পহেলা বৈশাখ সম্প্রীতির অন্যতম প্রতীক। তাই সার্বজনীন এই উৎশবে আমরা সবাই অংশ নেব। এ সময় সবাইকে বাংলা নববর্ষের অগ্রিম শুভেচ্ছাও জানান তিনি।

রোববার (১৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে সম্প্রীতি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এ কথা বলেন তিনি।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অতি প্রাচীনকাল থেকেই এই অঞ্চলের বৌদ্ধ বিহারগুলো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল।এগুলো আমাদের ঐতিহ্য ও সভ্যতার নির্দশন। পৃথিবীর দূর-দূরান্ত থেকে ভিক্ষু ও ছাত্ররা বিহারগুলোতে আসতেন। মহামানব বুদ্ধের শান্তি ও সম্প্রীতির বাণী বিশ্বে ছড়িয়ে দিতেন। শুধু ধর্মীয় আচার ও শিক্ষা নয়, সমাজে জনকল্যাণকর কর্মসূচির কেন্দ্রেও এই দেশের বৌদ্ধ বিহারগুলো ছিল।

তিনি আরও বলেন, নানা মত-ধর্ম-রীতিনীতির মধ্যেও আমরা সবাই এক পরিবারের সদস্য। এ দেশে মানুষের বিচিত্র ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৩৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
১৭৪ বার পড়া হয়েছে

পহেলা বৈশাখের উৎসবে সবাইকে অংশ নেয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

আপডেট সময় ১২:৩৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পহেলা বৈশাখ সম্প্রীতির অন্যতম প্রতীক। তাই সার্বজনীন এই উৎশবে আমরা সবাই অংশ নেব। এ সময় সবাইকে বাংলা নববর্ষের অগ্রিম শুভেচ্ছাও জানান তিনি।

রোববার (১৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে সম্প্রীতি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এ কথা বলেন তিনি।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অতি প্রাচীনকাল থেকেই এই অঞ্চলের বৌদ্ধ বিহারগুলো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল।এগুলো আমাদের ঐতিহ্য ও সভ্যতার নির্দশন। পৃথিবীর দূর-দূরান্ত থেকে ভিক্ষু ও ছাত্ররা বিহারগুলোতে আসতেন। মহামানব বুদ্ধের শান্তি ও সম্প্রীতির বাণী বিশ্বে ছড়িয়ে দিতেন। শুধু ধর্মীয় আচার ও শিক্ষা নয়, সমাজে জনকল্যাণকর কর্মসূচির কেন্দ্রেও এই দেশের বৌদ্ধ বিহারগুলো ছিল।

তিনি আরও বলেন, নানা মত-ধর্ম-রীতিনীতির মধ্যেও আমরা সবাই এক পরিবারের সদস্য। এ দেশে মানুষের বিচিত্র ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রয়েছে।