ঢাকা ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, সংশ্লিষ্টতায় শিক্ষক আটক Logo বাবার অভিযোগ থেকে নিজেকে আলাদা করলেন পূজা চেরি Logo সাকিব-মাশরাফির প্ল্যাকার্ড নিয়ে মাঠে প্রবেশে আর থাকছে না বাধা Logo গুলির শব্দে নৈশভোজে আতঙ্ক, ট্রাম্প–মেলানিয়াসহ অতিথিদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় Logo ৫২ দিনে ৪৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ গ্রহণ নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার কঠোর সমালোচনা Logo মেরামত শেষে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, স্বাভাবিক হচ্ছে গ্যাস সরবরাহ Logo রাজধানীতে অপরাধ দমনে ‘ব্লক রেইড’ অভিযান জোরালো Logo কারিকুলাম সংস্কার অপরিহার্য, শিক্ষার মান বাড়াতে জোর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী Logo বক্তৃতার মাঝে হাস্যরস, ‘খিদা লাগছে’ বললেন প্রধানমন্ত্রী Logo সুইমিংপুলে অচেতন অবস্থায় মিলল অভিনেত্রী নাদিয়া, পরে মৃত্যু

বাউফলে যুবদল নেতা ও ২ শিক্ষক হত্যায় জড়িতদের শাস্তি দাবি

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

বাউফলে যুবদল নেতা ও ২ শিক্ষক হত্যায় জড়িতদের শাস্তি দাবি।

বাউফল (পটুয়াখালী) করেসপনডেন্ট:

২০১৩ সালের বাউফল উপজেলার বগা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি মনির মৃধা হত্যা মামলার প্রধান আসামী ও ২০০১ সালের দুই শিক্ষক হত্যা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাব খাটিয়ে খালাস পাওয়া আসামী উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব এবং তার ছেলে জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসানসহ অন্যান্য আসামীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) বগা বন্দরে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচিতে নিহত যুবদল নেতা মনির মৃধার পরিবার, শিক্ষক দেলোয়ার ও প্রভাষক জলিলের পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে যুবদল নেতা মনির হত্যার ঘটনায় দ্রুত সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে মোতালেব ও তার ছেলে হাসানসহ সকল হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এবং দুই শিক্ষক হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে রিভিউ পিটিশন করার দাবি জানান বক্তারা।

পরিবারের সদস্যরা বলেন, মনির মৃধার হত্যার একযুগ পেড়িয়ে গেছে। পুলিশের দুটি সংস্থা ঘুরে বর্তমানে সিআইডি মামলাটি তদন্ত করছে। তবে দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়নি। এছাড়াও ২০০১ সালে স্কুল শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন ও তার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে প্রভাষক জলিল মুন্সি হত্যা মামলায় নিম্ন আদালত ১০ আসামীকে খালাস দেয় এবং আবদুল মোতালেব ও তার ছেলে মাহমুদ হাসানসহ ১৮ আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন। ২০১৪ সালে সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, আইনজীবী ইউসুফ হোসেন ও আইনজীবী শ ম রেজাউল করিম ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রভাব বিস্তার করে ৪ আসামী পলাতক থাকা অবস্থায় ১৮ জনকেই খালাস করে দেন এবং পরে তারা আপিল বিভাগে দাখিল করা সিপিগুলো ডিসমিসড করিয়ে নেয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের হাইকোর্টের মামলাটির রায় ঘোষণার আগে পলাতক ৪ আসামী কোনো ধরনের আবেদন করেনি। এরপরও প্রভাব খাটিয়ে এই দুজনসহ ১৮ জনকে খালাস দিয়ে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:১৫:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৪
২১৭ বার পড়া হয়েছে

বাউফলে যুবদল নেতা ও ২ শিক্ষক হত্যায় জড়িতদের শাস্তি দাবি

আপডেট সময় ০৮:১৫:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৪

বাউফলে যুবদল নেতা ও ২ শিক্ষক হত্যায় জড়িতদের শাস্তি দাবি।

বাউফল (পটুয়াখালী) করেসপনডেন্ট:

২০১৩ সালের বাউফল উপজেলার বগা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি মনির মৃধা হত্যা মামলার প্রধান আসামী ও ২০০১ সালের দুই শিক্ষক হত্যা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাব খাটিয়ে খালাস পাওয়া আসামী উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব এবং তার ছেলে জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসানসহ অন্যান্য আসামীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) বগা বন্দরে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচিতে নিহত যুবদল নেতা মনির মৃধার পরিবার, শিক্ষক দেলোয়ার ও প্রভাষক জলিলের পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে যুবদল নেতা মনির হত্যার ঘটনায় দ্রুত সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে মোতালেব ও তার ছেলে হাসানসহ সকল হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এবং দুই শিক্ষক হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে রিভিউ পিটিশন করার দাবি জানান বক্তারা।

পরিবারের সদস্যরা বলেন, মনির মৃধার হত্যার একযুগ পেড়িয়ে গেছে। পুলিশের দুটি সংস্থা ঘুরে বর্তমানে সিআইডি মামলাটি তদন্ত করছে। তবে দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়নি। এছাড়াও ২০০১ সালে স্কুল শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন ও তার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে প্রভাষক জলিল মুন্সি হত্যা মামলায় নিম্ন আদালত ১০ আসামীকে খালাস দেয় এবং আবদুল মোতালেব ও তার ছেলে মাহমুদ হাসানসহ ১৮ আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন। ২০১৪ সালে সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, আইনজীবী ইউসুফ হোসেন ও আইনজীবী শ ম রেজাউল করিম ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রভাব বিস্তার করে ৪ আসামী পলাতক থাকা অবস্থায় ১৮ জনকেই খালাস করে দেন এবং পরে তারা আপিল বিভাগে দাখিল করা সিপিগুলো ডিসমিসড করিয়ে নেয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের হাইকোর্টের মামলাটির রায় ঘোষণার আগে পলাতক ৪ আসামী কোনো ধরনের আবেদন করেনি। এরপরও প্রভাব খাটিয়ে এই দুজনসহ ১৮ জনকে খালাস দিয়ে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।