ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo সালিশি কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়েতে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখল হাইকোর্ট Logo নবাবগঞ্জ পার্ক এলাকায় দরিদ্রদের মাঝে বিজিবির শীতবস্ত্র বিতরণ Logo স্ক্যালোনি মেসির সঙ্গে ব্যক্তিগত বৈঠকে আলোচনা প্রকাশ করেছেন Logo নোবেল পুরস্কার নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান নোবেল ইনস্টিটিউটের, বাতিল বা ভাগাভাগির সুযোগ নেই Logo রাজধানীতে স্কুলছাত্রী হত্যাকাণ্ড: পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা Logo হিজাব পরা নারী প্রধানমন্ত্রী প্রসঙ্গে তর্কে জড়ালেন ওয়াইসি ও হিমন্ত Logo সীমান্তে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে প্রাণ গেল বাংলাদেশি শিশুর Logo জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন: আজ প্রসিকিউশনের শুনানি Logo ঢাকা ও আশপাশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমার আভাস Logo আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২২ ক্যারেট সোনা ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা

ভোমরা সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

নিজস্ব সংবাদ :

ছবি সংগৃহীত

ভোমরা সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক।

সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই বাংলাদেশির জমি চাষে বিএসএফ বাঁধা দেওয়ার ঘটনা নিয়ে এ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

রোববার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আগামী ১৫ জানুয়ারি উভয় দেশের সার্ভে বিভাগ কর্তৃক যৌথ মাপের পর বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে বলে জানানো হয়।


পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন ৩৩ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আশরাফুল হক। অন্যদিকে বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১০২ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের কমান্ডার রমেশ কুমার।


সাতক্ষীরার লক্ষীদাড়ি গ্রামের বাসিন্দা নাজমুল হোসেন জানান, ভোমরা সংলগ্ন লক্ষীদাড়ি সীমান্তের কুমড়াখালী খালের বাংলাদেশ অংশে ১০ শতক জমি তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে লিজ নিয়ে চাষ করে আসছিল।  সেই জমিতে গতকাল শনিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে বোরো ধান রোপণ করতে গেলে বিএসএফ তাকে ধান রোপণ করতে বাধা দেয়। ওই জমি ভারতীয় অংশের বলে আস্ফালনও করেন তারা। একপর্যায়ে তিনি ধানের চারা রোপণ বন্ধ রাখতে বাধ্য হন তিনি।
 

একই গ্রামের শাহীন গাজী জানান, আমার পিতা নজরুল গাজী বাড়ির দক্ষিণ পাশে প্রায় ১ বিঘা জমি ডিসিআর নিয়ে ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চাষাবাদ করে আসছেন। শনিবার বিকেলে দুজন শ্রমিক নিয়ে ওই জমিতে চাষ করতে গেলে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা বিএসএফ সদস্যরা বাধা দেয়। ওই জমি ভারতের বলে তারা দাবি করে। বিষয়টি ভোমরা বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোয় পতাকা বৈঠকের আমন্ত্রণ জানানো হয় বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফকে।

পতাকা বৈঠকের পর ভোমরা বিজিবির সুবেদার আফজাল হোসেন জানান, আপত্তিকৃত অংশ ব্যতীত অন্য জায়গায় চাষাবাদ অব্যাহত থাকবে। আর আপত্তিকৃত জায়গায় আগামী ১৫ জানুয়ারি তারিখে উভয় দেশের সার্ভে বিভাগ কর্তৃক যৌথ পরিমাপের পর বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে বলে জানানো হয়।
 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫
১১০ বার পড়া হয়েছে

ভোমরা সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

আপডেট সময় ১০:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫

ভোমরা সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক।

সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই বাংলাদেশির জমি চাষে বিএসএফ বাঁধা দেওয়ার ঘটনা নিয়ে এ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

রোববার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আগামী ১৫ জানুয়ারি উভয় দেশের সার্ভে বিভাগ কর্তৃক যৌথ মাপের পর বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে বলে জানানো হয়।


পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন ৩৩ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আশরাফুল হক। অন্যদিকে বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১০২ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের কমান্ডার রমেশ কুমার।


সাতক্ষীরার লক্ষীদাড়ি গ্রামের বাসিন্দা নাজমুল হোসেন জানান, ভোমরা সংলগ্ন লক্ষীদাড়ি সীমান্তের কুমড়াখালী খালের বাংলাদেশ অংশে ১০ শতক জমি তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে লিজ নিয়ে চাষ করে আসছিল।  সেই জমিতে গতকাল শনিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে বোরো ধান রোপণ করতে গেলে বিএসএফ তাকে ধান রোপণ করতে বাধা দেয়। ওই জমি ভারতীয় অংশের বলে আস্ফালনও করেন তারা। একপর্যায়ে তিনি ধানের চারা রোপণ বন্ধ রাখতে বাধ্য হন তিনি।
 

একই গ্রামের শাহীন গাজী জানান, আমার পিতা নজরুল গাজী বাড়ির দক্ষিণ পাশে প্রায় ১ বিঘা জমি ডিসিআর নিয়ে ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চাষাবাদ করে আসছেন। শনিবার বিকেলে দুজন শ্রমিক নিয়ে ওই জমিতে চাষ করতে গেলে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা বিএসএফ সদস্যরা বাধা দেয়। ওই জমি ভারতের বলে তারা দাবি করে। বিষয়টি ভোমরা বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোয় পতাকা বৈঠকের আমন্ত্রণ জানানো হয় বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফকে।

পতাকা বৈঠকের পর ভোমরা বিজিবির সুবেদার আফজাল হোসেন জানান, আপত্তিকৃত অংশ ব্যতীত অন্য জায়গায় চাষাবাদ অব্যাহত থাকবে। আর আপত্তিকৃত জায়গায় আগামী ১৫ জানুয়ারি তারিখে উভয় দেশের সার্ভে বিভাগ কর্তৃক যৌথ পরিমাপের পর বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে বলে জানানো হয়।