ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo শবে কদরের ছুটির দিনেও সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক Logo জুলাই সনদ ও গণভোটের সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে নতুন বিতর্ক, বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন Logo ফিটনেস সমস্যায় ব্রাজিলের প্রাথমিক দলে নেইমার নেই Logo মোস্তাফিজের হাঁটুর চোট নিয়ে আপডেট Logo হামলার ঠিক আগে কক্ষ ছাড়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পান মোজতবা খামেনি Logo ঈদে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানি Logo জনকল্যাণে কাজ করে দৃষ্টান্ত গড়বে বিরোধীদল: জামায়াত আমির Logo আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের Logo ট্রাম্প চাইলে পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন : ইরানের কড়া বার্তা

রাবিতে ৪ মাস ক্লাস করার পর ভুয়া শিক্ষার্থী আটক

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

রাবিতে ৪ মাস ক্লাস করার পর ভুয়া শিক্ষার্থী আটক।

রাজশাহী ব্যুরো:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন বিভাগে ৪ মাস ক্লাস করাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার অপরাধে একজন ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর থেকে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আটক ওই ভুয়া শিক্ষার্থী হলেন, নাভিক রহমান। তিনি ছদ্মবেশে আইন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ক্লাস করছিলেন। পাশাপাশি খেলাধুলা, জাতীয় দিবস উদযাপনসহ বিভাগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাভিক রহমান দাবি করেন, তার মাকে খুশি করতেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অভিনয় করেছেন। তার পরিবারের আশা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বেন, কিন্তু ভর্তি হওয়ার সুযোগ হয়নি। তাই তিনি এতদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার অভিনয় করে আসছিলেন।

আইন বিভাগের ৪১ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা জানান, তার সহপাঠীদের সন্দেহ হলে তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তখন বিষয়টি সামনে আসে। পরে তার অভিভাবক হিসেবে যাদের ডাকা হয়েছিল, তারাও ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়। বিভাগের সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে গিয়ে নাভিক ও তার ভুয়া অভিভাবকদের পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।

শিক্ষার্থীরা জানান, একজন ৪ মাস ধরে ক্লাস করেছে, প্রতিটি প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছে, কিন্তু বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চিহ্নিত করতে পারেনি।

আইন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সাঈদা আঞ্জু বলেন, তাকে রাতে আটক করা হয়েছে। প্রক্টর স্যারের সঙ্গে কথা হয়েছে। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রই না। তাই সে আদৌ ক্লাস করেছে কি না, সেটা সংশ্লিষ্ট ব্যাচের শিক্ষার্থীরাই ভালো বলতে পারবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, অভিযুক্ত ছেলে বিষয়টি স্বীকার করেছে। সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়নি, তাই এতদিন মাকে খুশি করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার অভিনয় করেছে। তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখবে বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:৩২:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৫
২২৭ বার পড়া হয়েছে

রাবিতে ৪ মাস ক্লাস করার পর ভুয়া শিক্ষার্থী আটক

আপডেট সময় ১১:৩২:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৫

রাবিতে ৪ মাস ক্লাস করার পর ভুয়া শিক্ষার্থী আটক।

রাজশাহী ব্যুরো:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন বিভাগে ৪ মাস ক্লাস করাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করার অপরাধে একজন ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর থেকে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আটক ওই ভুয়া শিক্ষার্থী হলেন, নাভিক রহমান। তিনি ছদ্মবেশে আইন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ক্লাস করছিলেন। পাশাপাশি খেলাধুলা, জাতীয় দিবস উদযাপনসহ বিভাগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাভিক রহমান দাবি করেন, তার মাকে খুশি করতেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অভিনয় করেছেন। তার পরিবারের আশা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বেন, কিন্তু ভর্তি হওয়ার সুযোগ হয়নি। তাই তিনি এতদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার অভিনয় করে আসছিলেন।

আইন বিভাগের ৪১ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা জানান, তার সহপাঠীদের সন্দেহ হলে তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তখন বিষয়টি সামনে আসে। পরে তার অভিভাবক হিসেবে যাদের ডাকা হয়েছিল, তারাও ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়। বিভাগের সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে গিয়ে নাভিক ও তার ভুয়া অভিভাবকদের পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।

শিক্ষার্থীরা জানান, একজন ৪ মাস ধরে ক্লাস করেছে, প্রতিটি প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছে, কিন্তু বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চিহ্নিত করতে পারেনি।

আইন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সাঈদা আঞ্জু বলেন, তাকে রাতে আটক করা হয়েছে। প্রক্টর স্যারের সঙ্গে কথা হয়েছে। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রই না। তাই সে আদৌ ক্লাস করেছে কি না, সেটা সংশ্লিষ্ট ব্যাচের শিক্ষার্থীরাই ভালো বলতে পারবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, অভিযুক্ত ছেলে বিষয়টি স্বীকার করেছে। সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়নি, তাই এতদিন মাকে খুশি করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার অভিনয় করেছে। তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখবে বলে জানান তিনি।