ঢাকা ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo মোস্তাফিজের হাঁটুর চোট নিয়ে আপডেট Logo হামলার ঠিক আগে কক্ষ ছাড়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পান মোজতবা খামেনি Logo ঈদে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানি Logo জনকল্যাণে কাজ করে দৃষ্টান্ত গড়বে বিরোধীদল: জামায়াত আমির Logo আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী Logo ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা সরকারের Logo ট্রাম্প চাইলে পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারেন : ইরানের কড়া বার্তা Logo আগামী বছর থেকে স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি আর থাকবে না Logo বাংলাদেশ-ভারতের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা Logo হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ইস্যুতে চীনের সহায়তা চাইছেন ট্রাম্প

সাবেক জার্মান প্রেসিডেন্ট হর্স্ট কোহলার মারা গেছেন

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

সাবেক জার্মান প্রেসিডেন্ট হর্স্ট কোহলার মারা গেছেন।

জার্মানির সাবেক প্রেসিডেন্ট ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হর্স্ট কোহলার মারা গেছেন। দেশটির প্রেসিডেন্টের অফিস তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর রয়টার্সের।

প্রতিবেদন মতে, জার্মান প্রেসিডেন্টের অফিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘সাময়িক অসুস্থতা ভোগের পর শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ৮১ বছর বয়সে মারা যান হর্স্ট কোহলার।

 

কোহলার ২০০৪ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ২০০০ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত আইএমএফ এর প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
 
কোহলার ১৯৪৩ সালে পোল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। সেখানেই পরিবারের সঙ্গে তার শৈশবের বেশিরভাগ সময় কেটেছে। এরপর বাডেন-উয়ের্টেমবার্গের লুডউইসবার্গে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।
 
 
অর্থনীতিতে বিশেষ দক্ষ এবং ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য কোহলার সাবেক চ্যান্সেলর হেলমুট কোহলের অধীনে উপ-অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালে কমিউনিস্ট শাসন পতনের পর পশ্চিম জার্মানির মুদ্রা মার্ক পূর্ব জার্মানিতে প্রচলনের ক্ষেত্রে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
 
প্রেসিডেন্ট হিসেবে কোহলার সরকারের বিরুদ্ধেও অবস্থান নিতে দ্বিধা করেননি। ২০০৫ সালে তিনি নতুন নির্বাচনের জন্য পার্লামেন্ট ভেঙে দেন। ২০০৭ সালে তৎকালীন চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিশ্বায়নের জন্য জার্মানিকে যথাযথভাবে প্রস্তুত করতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।
 
তবে দ্বিতীয় মেয়াদের এক বছর পর এক রেডিও সাক্ষাৎকারের জেরে সমালোচনার মুখে পদত্যাগ করেন এই রাজনীতিক। ওই সাক্ষাৎকারে জার্মান সেনাবাহিনীর বিদেশি সামরিক অভিযানের অর্থনৈতিক স্বার্থের বিষয়ে কথা বলেছিলেন তিনি।
 
 
তা সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে তুলনামূলকভাবে কম বিখ্যাত এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জনপ্রিয়তা জরিপে দ্রুত জার্মানির অন্যতম প্রিয় নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
 
কোহলারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন জার্মান প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার। দেয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন, জাতির সক্ষমতার পাশাপাশি জনগণের সৃজনশীলতা ও উদ্যমের প্রতি গভীর আস্থা রাখতেন কোহলার। এই বিশ্বাসের জোরেই এত মানুষের মন জয় করে নিয়েছিলেন তিনি।  

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
১২৯ বার পড়া হয়েছে

সাবেক জার্মান প্রেসিডেন্ট হর্স্ট কোহলার মারা গেছেন

আপডেট সময় ০৮:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সাবেক জার্মান প্রেসিডেন্ট হর্স্ট কোহলার মারা গেছেন।

জার্মানির সাবেক প্রেসিডেন্ট ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হর্স্ট কোহলার মারা গেছেন। দেশটির প্রেসিডেন্টের অফিস তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর রয়টার্সের।

প্রতিবেদন মতে, জার্মান প্রেসিডেন্টের অফিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘সাময়িক অসুস্থতা ভোগের পর শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ৮১ বছর বয়সে মারা যান হর্স্ট কোহলার।

 

কোহলার ২০০৪ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ২০০০ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত আইএমএফ এর প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
 
কোহলার ১৯৪৩ সালে পোল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। সেখানেই পরিবারের সঙ্গে তার শৈশবের বেশিরভাগ সময় কেটেছে। এরপর বাডেন-উয়ের্টেমবার্গের লুডউইসবার্গে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।
 
 
অর্থনীতিতে বিশেষ দক্ষ এবং ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য কোহলার সাবেক চ্যান্সেলর হেলমুট কোহলের অধীনে উপ-অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালে কমিউনিস্ট শাসন পতনের পর পশ্চিম জার্মানির মুদ্রা মার্ক পূর্ব জার্মানিতে প্রচলনের ক্ষেত্রে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
 
প্রেসিডেন্ট হিসেবে কোহলার সরকারের বিরুদ্ধেও অবস্থান নিতে দ্বিধা করেননি। ২০০৫ সালে তিনি নতুন নির্বাচনের জন্য পার্লামেন্ট ভেঙে দেন। ২০০৭ সালে তৎকালীন চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিশ্বায়নের জন্য জার্মানিকে যথাযথভাবে প্রস্তুত করতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।
 
তবে দ্বিতীয় মেয়াদের এক বছর পর এক রেডিও সাক্ষাৎকারের জেরে সমালোচনার মুখে পদত্যাগ করেন এই রাজনীতিক। ওই সাক্ষাৎকারে জার্মান সেনাবাহিনীর বিদেশি সামরিক অভিযানের অর্থনৈতিক স্বার্থের বিষয়ে কথা বলেছিলেন তিনি।
 
 
তা সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে তুলনামূলকভাবে কম বিখ্যাত এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জনপ্রিয়তা জরিপে দ্রুত জার্মানির অন্যতম প্রিয় নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
 
কোহলারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন জার্মান প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার। দেয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন, জাতির সক্ষমতার পাশাপাশি জনগণের সৃজনশীলতা ও উদ্যমের প্রতি গভীর আস্থা রাখতেন কোহলার। এই বিশ্বাসের জোরেই এত মানুষের মন জয় করে নিয়েছিলেন তিনি।