ঢাকা ১০:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
Logo অপহরণের খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতা, এক ঘণ্টার মধ্যেই স্কুলছাত্র উদ্ধার Logo দেড় বছর পর ফের শুরু আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা আন্তর্জাতিক বাস চলাচল Logo বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আলী হোসেন ফকির Logo চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাণ গেল দুজনের, দগ্ধ আরও সাত Logo  জনগণের শক্তিকেই মূল ভরসা করে বিএনপি, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস নেই: মঈন খান Logo রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়োগ অনিয়ম তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ Logo গরমের ঈদে আরামদায়ক পাঞ্জাবির চাহিদা, বাজারে রং-নকশায় নতুনত্ব Logo এনসিপি গঠন করল স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি Logo ভিনিসিউসকে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগে বেনফিকার আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিষিদ্ধ Logo ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তার বদলি

সাবেক জার্মান প্রেসিডেন্ট হর্স্ট কোহলার মারা গেছেন

নিজস্ব সংবাদ : দেশ২৪লাইভ

ছবি সংগৃহীত

সাবেক জার্মান প্রেসিডেন্ট হর্স্ট কোহলার মারা গেছেন।

জার্মানির সাবেক প্রেসিডেন্ট ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হর্স্ট কোহলার মারা গেছেন। দেশটির প্রেসিডেন্টের অফিস তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর রয়টার্সের।

প্রতিবেদন মতে, জার্মান প্রেসিডেন্টের অফিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘সাময়িক অসুস্থতা ভোগের পর শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ৮১ বছর বয়সে মারা যান হর্স্ট কোহলার।

 

কোহলার ২০০৪ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ২০০০ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত আইএমএফ এর প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
 
কোহলার ১৯৪৩ সালে পোল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। সেখানেই পরিবারের সঙ্গে তার শৈশবের বেশিরভাগ সময় কেটেছে। এরপর বাডেন-উয়ের্টেমবার্গের লুডউইসবার্গে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।
 
 
অর্থনীতিতে বিশেষ দক্ষ এবং ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য কোহলার সাবেক চ্যান্সেলর হেলমুট কোহলের অধীনে উপ-অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালে কমিউনিস্ট শাসন পতনের পর পশ্চিম জার্মানির মুদ্রা মার্ক পূর্ব জার্মানিতে প্রচলনের ক্ষেত্রে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
 
প্রেসিডেন্ট হিসেবে কোহলার সরকারের বিরুদ্ধেও অবস্থান নিতে দ্বিধা করেননি। ২০০৫ সালে তিনি নতুন নির্বাচনের জন্য পার্লামেন্ট ভেঙে দেন। ২০০৭ সালে তৎকালীন চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিশ্বায়নের জন্য জার্মানিকে যথাযথভাবে প্রস্তুত করতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।
 
তবে দ্বিতীয় মেয়াদের এক বছর পর এক রেডিও সাক্ষাৎকারের জেরে সমালোচনার মুখে পদত্যাগ করেন এই রাজনীতিক। ওই সাক্ষাৎকারে জার্মান সেনাবাহিনীর বিদেশি সামরিক অভিযানের অর্থনৈতিক স্বার্থের বিষয়ে কথা বলেছিলেন তিনি।
 
 
তা সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে তুলনামূলকভাবে কম বিখ্যাত এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জনপ্রিয়তা জরিপে দ্রুত জার্মানির অন্যতম প্রিয় নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
 
কোহলারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন জার্মান প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার। দেয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন, জাতির সক্ষমতার পাশাপাশি জনগণের সৃজনশীলতা ও উদ্যমের প্রতি গভীর আস্থা রাখতেন কোহলার। এই বিশ্বাসের জোরেই এত মানুষের মন জয় করে নিয়েছিলেন তিনি।  

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
১২১ বার পড়া হয়েছে

সাবেক জার্মান প্রেসিডেন্ট হর্স্ট কোহলার মারা গেছেন

আপডেট সময় ০৮:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সাবেক জার্মান প্রেসিডেন্ট হর্স্ট কোহলার মারা গেছেন।

জার্মানির সাবেক প্রেসিডেন্ট ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হর্স্ট কোহলার মারা গেছেন। দেশটির প্রেসিডেন্টের অফিস তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর রয়টার্সের।

প্রতিবেদন মতে, জার্মান প্রেসিডেন্টের অফিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘সাময়িক অসুস্থতা ভোগের পর শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ৮১ বছর বয়সে মারা যান হর্স্ট কোহলার।

 

কোহলার ২০০৪ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ২০০০ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত আইএমএফ এর প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
 
কোহলার ১৯৪৩ সালে পোল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। সেখানেই পরিবারের সঙ্গে তার শৈশবের বেশিরভাগ সময় কেটেছে। এরপর বাডেন-উয়ের্টেমবার্গের লুডউইসবার্গে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।
 
 
অর্থনীতিতে বিশেষ দক্ষ এবং ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য কোহলার সাবেক চ্যান্সেলর হেলমুট কোহলের অধীনে উপ-অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালে কমিউনিস্ট শাসন পতনের পর পশ্চিম জার্মানির মুদ্রা মার্ক পূর্ব জার্মানিতে প্রচলনের ক্ষেত্রে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
 
প্রেসিডেন্ট হিসেবে কোহলার সরকারের বিরুদ্ধেও অবস্থান নিতে দ্বিধা করেননি। ২০০৫ সালে তিনি নতুন নির্বাচনের জন্য পার্লামেন্ট ভেঙে দেন। ২০০৭ সালে তৎকালীন চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিশ্বায়নের জন্য জার্মানিকে যথাযথভাবে প্রস্তুত করতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।
 
তবে দ্বিতীয় মেয়াদের এক বছর পর এক রেডিও সাক্ষাৎকারের জেরে সমালোচনার মুখে পদত্যাগ করেন এই রাজনীতিক। ওই সাক্ষাৎকারে জার্মান সেনাবাহিনীর বিদেশি সামরিক অভিযানের অর্থনৈতিক স্বার্থের বিষয়ে কথা বলেছিলেন তিনি।
 
 
তা সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে তুলনামূলকভাবে কম বিখ্যাত এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জনপ্রিয়তা জরিপে দ্রুত জার্মানির অন্যতম প্রিয় নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
 
কোহলারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন জার্মান প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার। দেয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন, জাতির সক্ষমতার পাশাপাশি জনগণের সৃজনশীলতা ও উদ্যমের প্রতি গভীর আস্থা রাখতেন কোহলার। এই বিশ্বাসের জোরেই এত মানুষের মন জয় করে নিয়েছিলেন তিনি।